সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

কান্নায় বিরক্ত হয়ে ১৮ মাসের শিশুকে হত্যা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার দেবীদ্বারে আমির হামজা নামে ১৮ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর ছয় মাস পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। কান্নায় বিরক্ত হয়ে শিশুাটর আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার তাকে হত্যা করে।

তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রাপ্তির সাপেক্ষে শিশুটির হত্যা রহস্য উদঘাটন করে আসামি আপন ফুফু স্বপ্না আক্তারকে রোববার (৩০ মে) গ্রেপ্তার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশ।
সোমবার (৩১ মে) স্বপ্না আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে কুমিল্লা ৪নং আমলি আদালতের বিচারক রোকেয়া বেগমের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িতের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।
নিহত শিশু আমির হামজা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মাটিতে বসে কান্না করছিল শিশু আমির হামজা। পাশেই রান্না করছিলেন তার আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার। তখন শিশুটি অতিরিক্ত কান্না করায় স্বপ্না আক্তার বিরক্ত হয়ে তরকারি গরম করার কাঠি দিয়ে প্রথমে শিশুটির গলায় আঘাত করে। পরে শিশুটিকে খাটের বিছানায় চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সে বাঁচার জন্য খিচুনি রোগে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেয়।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমির হামজার মৃত্যুর পর তার ফুফুসহ পরিবার সকলে বলছিল খিচুনি রোগে তার মৃত্যু হয়। তখন দেবীদ্বার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন তার মা সালমা বেগম। তখন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এসআই মোর্শেদ। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি তদন্তভার পরে এসআই মাহবুবুর রহমানের হাতে।

গত ২৮ মে সকালে শিশুটির ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রির্পোট হাতে পেলে ঘটনায় ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। মেডিকেল রিপোর্টের সূত্র ধরে শুরু হয় অধিকতর তদন্ত ও পর্যালোচনা।রোববার (৩০ মে) রাতে শিশুটির ফুফু স্বপ্নাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই আগের অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় স্থানান্তর করে তাকে আসামি করে আদালতে পাঠানো হয়।
দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, শুধু কান্নাকাটি করার জন্য একটি শিশুকে হত্যা করেছে তারই আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কান্নায় বিরক্ত হয়ে ১৮ মাসের শিশুকে হত্যা।

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার দেবীদ্বারে আমির হামজা নামে ১৮ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর ছয় মাস পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। কান্নায় বিরক্ত হয়ে শিশুাটর আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার তাকে হত্যা করে।

তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রাপ্তির সাপেক্ষে শিশুটির হত্যা রহস্য উদঘাটন করে আসামি আপন ফুফু স্বপ্না আক্তারকে রোববার (৩০ মে) গ্রেপ্তার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশ।
সোমবার (৩১ মে) স্বপ্না আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে কুমিল্লা ৪নং আমলি আদালতের বিচারক রোকেয়া বেগমের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িতের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।
নিহত শিশু আমির হামজা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মাটিতে বসে কান্না করছিল শিশু আমির হামজা। পাশেই রান্না করছিলেন তার আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার। তখন শিশুটি অতিরিক্ত কান্না করায় স্বপ্না আক্তার বিরক্ত হয়ে তরকারি গরম করার কাঠি দিয়ে প্রথমে শিশুটির গলায় আঘাত করে। পরে শিশুটিকে খাটের বিছানায় চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সে বাঁচার জন্য খিচুনি রোগে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেয়।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমির হামজার মৃত্যুর পর তার ফুফুসহ পরিবার সকলে বলছিল খিচুনি রোগে তার মৃত্যু হয়। তখন দেবীদ্বার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন তার মা সালমা বেগম। তখন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এসআই মোর্শেদ। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি তদন্তভার পরে এসআই মাহবুবুর রহমানের হাতে।

গত ২৮ মে সকালে শিশুটির ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রির্পোট হাতে পেলে ঘটনায় ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। মেডিকেল রিপোর্টের সূত্র ধরে শুরু হয় অধিকতর তদন্ত ও পর্যালোচনা।রোববার (৩০ মে) রাতে শিশুটির ফুফু স্বপ্নাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই আগের অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় স্থানান্তর করে তাকে আসামি করে আদালতে পাঠানো হয়।
দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, শুধু কান্নাকাটি করার জন্য একটি শিশুকে হত্যা করেছে তারই আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার।