সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ইসরায়েলকে জবাবদিহিতায় আনতে সব চেষ্টা করবে আল-জাজিরা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মে ২০২১ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক

গাজায় সংবাদমাধ্যম কার্যালয় বোমা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে কাতারভিত্তিক আলজাজিরা। শনিবার (১৫ মে) এক ঘণ্টা সময়সীমা বেধে দেওয়ার পর আলজাজিরা, এপিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি কার্যালয় উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

আল-জাজিরা বলছে, সরেজমিনে প্রতিবেদন ও ঘটনাস্থলের তথ্য বিশ্ববাসীকে জানাতে পবিত্র দায়িত্ব পালন থেকে সাংবাদিকদের বাধা দিতেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে সম্ভাব্য সব পথ অবলম্বনের অঙ্গীকার করেছে আল-জাজিরা।

এপি, মিডল ইস্ট আইসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের গাজা অফিস ছিল ভবনটিতে। ইসরায়েলি বাহিনী ফোন দিয়ে একঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাদের ভবনটি খালি করে দিতে বলেছিল।
এই নির্মম বোমা হামলা ও ইচ্ছাকৃতভাবে সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু বানানোয় ইসরায়েলি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা ও নিন্দা জানাতে মানবাধিকার গোষ্ঠীসহ সব গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আল-জাজিরা।
এই বোমা হামলা নিয়ে জানতে চাইলে আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মোস্তফা সৌগ বলেন, এরূপ বর্বর পদক্ষেপ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে হামলার টার্গেট করায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য করতে আমরা আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ দাবি করছি।
তিনি বলেন, এই ঘৃণ্য অপরাধের উদ্দেশ্য হচ্ছে সংবাদমাধ্যমকে নীরব করিয়ে দেওয়া এবং গাজাবাসীর অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও তাদের ওপর ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ গোপন রাখা। এই হামলা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিকভাবে এটিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইসরায়েলকে জবাবদিহিতায় আনতে সব চেষ্টা করবে আল-জাজিরা।

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মে ২০২১

ওয়েব ডেস্ক

গাজায় সংবাদমাধ্যম কার্যালয় বোমা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে কাতারভিত্তিক আলজাজিরা। শনিবার (১৫ মে) এক ঘণ্টা সময়সীমা বেধে দেওয়ার পর আলজাজিরা, এপিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি কার্যালয় উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

আল-জাজিরা বলছে, সরেজমিনে প্রতিবেদন ও ঘটনাস্থলের তথ্য বিশ্ববাসীকে জানাতে পবিত্র দায়িত্ব পালন থেকে সাংবাদিকদের বাধা দিতেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে সম্ভাব্য সব পথ অবলম্বনের অঙ্গীকার করেছে আল-জাজিরা।

এপি, মিডল ইস্ট আইসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের গাজা অফিস ছিল ভবনটিতে। ইসরায়েলি বাহিনী ফোন দিয়ে একঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাদের ভবনটি খালি করে দিতে বলেছিল।
এই নির্মম বোমা হামলা ও ইচ্ছাকৃতভাবে সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু বানানোয় ইসরায়েলি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা ও নিন্দা জানাতে মানবাধিকার গোষ্ঠীসহ সব গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আল-জাজিরা।
এই বোমা হামলা নিয়ে জানতে চাইলে আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মোস্তফা সৌগ বলেন, এরূপ বর্বর পদক্ষেপ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে হামলার টার্গেট করায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য করতে আমরা আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ দাবি করছি।
তিনি বলেন, এই ঘৃণ্য অপরাধের উদ্দেশ্য হচ্ছে সংবাদমাধ্যমকে নীরব করিয়ে দেওয়া এবং গাজাবাসীর অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও তাদের ওপর ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ গোপন রাখা। এই হামলা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিকভাবে এটিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।