সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আপত্তিকর অবস্থায় ধরা খেলেন কৃষকলীগ নেতা, পার পেলেন বিয়ে করে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: নাটোরের গুরুদাসপুরে গভীর রাতে এক নারীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পড়েন বিয়াঘাট ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মো. আলম হোসেন (মেকার)। পরে রাতেই কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেন এলাকাবাসী।

এদিকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া আলমকে ধরতে গেলে স্থানীয় এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি। শুক্রবার গীভর রাতে বিয়াঘাট এলাকার সুজার মোড় নামক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।

আহত ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার ওই মেয়ের সাথে আলম দৈহিক সম্পর্ক করে আসছিলেন। মেয়েটি অসহায় হওয়ায় তার সুযোগে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ব্যবহার করছিলেন। তাই সাধারণ জনতা মিলে তাদের দুজনকে রাতেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিয়ের দেনমোহর ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কৃষকলীগ নেতা আলম মেকার মুঠোফনে বলেন, এ সংক্রান্ত বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আপত্তিকর অবস্থায় ধরা খেলেন কৃষকলীগ নেতা, পার পেলেন বিয়ে করে।

আপডেট সময় : ০৮:৪১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :: নাটোরের গুরুদাসপুরে গভীর রাতে এক নারীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পড়েন বিয়াঘাট ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মো. আলম হোসেন (মেকার)। পরে রাতেই কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেন এলাকাবাসী।

এদিকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া আলমকে ধরতে গেলে স্থানীয় এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি। শুক্রবার গীভর রাতে বিয়াঘাট এলাকার সুজার মোড় নামক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।

আহত ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার ওই মেয়ের সাথে আলম দৈহিক সম্পর্ক করে আসছিলেন। মেয়েটি অসহায় হওয়ায় তার সুযোগে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ব্যবহার করছিলেন। তাই সাধারণ জনতা মিলে তাদের দুজনকে রাতেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিয়ের দেনমোহর ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কৃষকলীগ নেতা আলম মেকার মুঠোফনে বলেন, এ সংক্রান্ত বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য নেই।