সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

বাবুগঞ্জে কেজি হিসাবে তরমুজ বিক্রিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতাসাধারণ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে ব্যবসায়ীরা কৃষক পর্যায় থেকে পিস হিসেবে বা ক্ষেত ধরে কিনে আনা তরমুজ খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করছেন কেজি দরে। যার ফলে দামে ঘটছে বিস্তর ব্যবধান।

ক্ষুব্ধ ক্রেতাসাধারণ বলেন, কেজিপ্রতি কিছুটা দাম বাড়িয়ে দিলেই একটি তরমুজের দাম বেড়ে যাচ্ছে অনেক। রমজানের আগে তরমুজ ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে। যা ক্রেতাসাধারণ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বাজারের ক্রেতা মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। এখন একটি তরমুজ কিনতে হলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার প্রয়োজন হয়। যা অনেক ক্রেতার পক্ষেই ক্রয় করা সম্ভব নয়।

রমজানের আগে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে ক্রয় করা যেত কিন্তু এখন এত বেশি কেন তা আমার বোধগম্য নয়।

ব্যবসায়ী মোঃ কাওছার বলেন, রমজানের আগে দাম কিছুটা কম ছিল কিন্তু রমজানের কারণে আড়তদাররা বেশি দাম নিচ্ছেন যার ফলে আমাদের একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাবুগঞ্জ বাজারে তরমুজ ক্রয় করতে আসা মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, গত বছর পিস হিসেবে তরমুজ কিনেছি, তাতে দাম অনেক কম পড়তো। এবার কেজি হিসেবে কিনেছি। দাম অনেক বেশি পড়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ মোঃ আরিফুল ইসলাম জানান, বাবুগঞ্জে তেমন একটা তরমুজের আবাদ হয় না। এ কারণে চাহিদা পূরণে অন্যত্র থেকে আনা হয়। সে কারণে তরমুজের দাম একটু বেশি হতে পারে। তবে অস্বাভাবিক হারে দাম বৃদ্ধির জন্য অসাধু আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা দায়ী।

বাবুগঞ্জ বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মোঃ সাইদুল বলেন, তরমুজ আগে আনা হতো চট্টগ্রাম থেকে, তখন দাম কম ছিল। এখন খুলনা, সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা থেকে আনা হচ্ছে। ১শত তরমুজ ২১ থেকে ২২ হাজার টাকা দরে কিনতে হয়। তারপরে পরিবহন, শ্রমিকসহ অনেক খরচ আছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, ১টি তরমুজ এর দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাক পরে যায়। পিস হিসাবে দাম চাইলে ক্রেতারা কিনতে চায় না। তাই কেজি হিসাবে বিক্রি করি।

বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে কয়েকটি কৃষি পণ্যের। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। তবে, তরমুজের ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এছাড়াও তিনি বলেন, কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন এমন বিধান রয়েছে। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না। আর কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবেন সেভাবেই বিক্রি করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে কেজি হিসাবে তরমুজ বিক্রিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতাসাধারণ।

আপডেট সময় : ১০:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১

বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে ব্যবসায়ীরা কৃষক পর্যায় থেকে পিস হিসেবে বা ক্ষেত ধরে কিনে আনা তরমুজ খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করছেন কেজি দরে। যার ফলে দামে ঘটছে বিস্তর ব্যবধান।

ক্ষুব্ধ ক্রেতাসাধারণ বলেন, কেজিপ্রতি কিছুটা দাম বাড়িয়ে দিলেই একটি তরমুজের দাম বেড়ে যাচ্ছে অনেক। রমজানের আগে তরমুজ ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে। যা ক্রেতাসাধারণ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বাজারের ক্রেতা মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। এখন একটি তরমুজ কিনতে হলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার প্রয়োজন হয়। যা অনেক ক্রেতার পক্ষেই ক্রয় করা সম্ভব নয়।

রমজানের আগে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে ক্রয় করা যেত কিন্তু এখন এত বেশি কেন তা আমার বোধগম্য নয়।

ব্যবসায়ী মোঃ কাওছার বলেন, রমজানের আগে দাম কিছুটা কম ছিল কিন্তু রমজানের কারণে আড়তদাররা বেশি দাম নিচ্ছেন যার ফলে আমাদের একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাবুগঞ্জ বাজারে তরমুজ ক্রয় করতে আসা মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, গত বছর পিস হিসেবে তরমুজ কিনেছি, তাতে দাম অনেক কম পড়তো। এবার কেজি হিসেবে কিনেছি। দাম অনেক বেশি পড়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ মোঃ আরিফুল ইসলাম জানান, বাবুগঞ্জে তেমন একটা তরমুজের আবাদ হয় না। এ কারণে চাহিদা পূরণে অন্যত্র থেকে আনা হয়। সে কারণে তরমুজের দাম একটু বেশি হতে পারে। তবে অস্বাভাবিক হারে দাম বৃদ্ধির জন্য অসাধু আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা দায়ী।

বাবুগঞ্জ বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মোঃ সাইদুল বলেন, তরমুজ আগে আনা হতো চট্টগ্রাম থেকে, তখন দাম কম ছিল। এখন খুলনা, সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা থেকে আনা হচ্ছে। ১শত তরমুজ ২১ থেকে ২২ হাজার টাকা দরে কিনতে হয়। তারপরে পরিবহন, শ্রমিকসহ অনেক খরচ আছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, ১টি তরমুজ এর দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাক পরে যায়। পিস হিসাবে দাম চাইলে ক্রেতারা কিনতে চায় না। তাই কেজি হিসাবে বিক্রি করি।

বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে কয়েকটি কৃষি পণ্যের। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। তবে, তরমুজের ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এছাড়াও তিনি বলেন, কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন এমন বিধান রয়েছে। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না। আর কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবেন সেভাবেই বিক্রি করতে হবে।