সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

বৃহত্তর সিলেট জুড়ে শসার বাম্পার ফলন !! কৃষকের মুখে হাসি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: বৃহত্তর সিলেট জেলা সহ বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম গঞ্জে এ বছর বাম্পার শসার ফলন হয়েছে। একই সঙ্গে বেশি দামে বিক্রি করতে পেরে করোনা পরিস্থিতিতেও খুশি কৃষক। এবার তারা শসা চাষ করে লাভের মুখ দেখেছেন বলে জানান।
এ বছর সিলেটের হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট জেলার উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নের গ্রাম গঞ্জে প্রচুর পরিমান সবজি খেতের শসা চাষ হয়েছে। প্রতিদিন সিএনজি, পিকআপ ট্রাক শসা ও অন্যান্য সবজি সিলেট জেলার চাহিদা পুরণ হচ্ছে এবং দেশের অন্যান্য শহরে যাচ্ছে।
কৃষকরা ফারুক মিয়া জানান, গাছ লাগানোর ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে শসা গাছে শসা ধরে। এর পরে ভালো যতœ এবং প্রয়োজনীয় সারের ব্যবহার করে ৩০ থেকে ৪০ দিন শসার ভালো ফলন পাওয়া যায়। প্রতিদিন এক একর জমি থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ মণ শসা বিক্রি করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ‘আমি ২ বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। গত ৮ দিন ধরে শসা বিক্রি করছি। এবার ফলন বেশি হয়েছে। আর প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করছি।
শসা চাষি ময়না মিয়াসহ আরও কয়েকজন জানান, অনুক‚ল আবহাওয়ার কারণে এবার শসার ফলন খুব ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগও আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। আমরা পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছি। আমরা যদি এমন দাম পাই তবে এবার বেশ লাভ হবে।
দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসার আল মামুন বলেন, মাধবপুর উপজেলায় সবজি আবাদের উপর অতিরিক্ত জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার সময়মত বীজ, সার ও ঋণ প্রবাহ সচল রেখেছেন।
সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ জানায়- বিগত কয়েক বছরের তুলানায় এ বছর বৃহত্তর সিলেট জুড়ে বিভিন্ন সবজি সহ বিশেষ করে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরাও কৃষকদের সব ধরণের কারিগরি সহযোগিতা ও বাজারজাত করণের পরামর্শ দিয়েছি। যাতে কৃষকরা লাভবান হতে পারে সেজন্য আমাদের সব ধরণের চেষ্টা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বৃহত্তর সিলেট জুড়ে শসার বাম্পার ফলন !! কৃষকের মুখে হাসি।

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: বৃহত্তর সিলেট জেলা সহ বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম গঞ্জে এ বছর বাম্পার শসার ফলন হয়েছে। একই সঙ্গে বেশি দামে বিক্রি করতে পেরে করোনা পরিস্থিতিতেও খুশি কৃষক। এবার তারা শসা চাষ করে লাভের মুখ দেখেছেন বলে জানান।
এ বছর সিলেটের হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট জেলার উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নের গ্রাম গঞ্জে প্রচুর পরিমান সবজি খেতের শসা চাষ হয়েছে। প্রতিদিন সিএনজি, পিকআপ ট্রাক শসা ও অন্যান্য সবজি সিলেট জেলার চাহিদা পুরণ হচ্ছে এবং দেশের অন্যান্য শহরে যাচ্ছে।
কৃষকরা ফারুক মিয়া জানান, গাছ লাগানোর ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে শসা গাছে শসা ধরে। এর পরে ভালো যতœ এবং প্রয়োজনীয় সারের ব্যবহার করে ৩০ থেকে ৪০ দিন শসার ভালো ফলন পাওয়া যায়। প্রতিদিন এক একর জমি থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ মণ শসা বিক্রি করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ‘আমি ২ বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। গত ৮ দিন ধরে শসা বিক্রি করছি। এবার ফলন বেশি হয়েছে। আর প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করছি।
শসা চাষি ময়না মিয়াসহ আরও কয়েকজন জানান, অনুক‚ল আবহাওয়ার কারণে এবার শসার ফলন খুব ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগও আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। আমরা পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছি। আমরা যদি এমন দাম পাই তবে এবার বেশ লাভ হবে।
দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসার আল মামুন বলেন, মাধবপুর উপজেলায় সবজি আবাদের উপর অতিরিক্ত জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার সময়মত বীজ, সার ও ঋণ প্রবাহ সচল রেখেছেন।
সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ জানায়- বিগত কয়েক বছরের তুলানায় এ বছর বৃহত্তর সিলেট জুড়ে বিভিন্ন সবজি সহ বিশেষ করে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরাও কৃষকদের সব ধরণের কারিগরি সহযোগিতা ও বাজারজাত করণের পরামর্শ দিয়েছি। যাতে কৃষকরা লাভবান হতে পারে সেজন্য আমাদের সব ধরণের চেষ্টা রয়েছে।