সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

৩০ বছর পর পিডিবি’র কাছ থেকে জায়গা পেলেন ফেঞ্চুগঞ্জের একরাম আলী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে দীর্ঘ ৩০ বছর পর পিডিবি’র কাছ থেকে জায়গা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত ভুমির মালিক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নুরপুর গ্রামের মোঃ একরাম আলী।
২০২১ সালের ১০ এপ্রিল শনিবার দুপুরে জরিপের মাধ্যমে পিডিবি’র সহযোগিতায় একরাম আলীকে তার নিজ নামীয় জায়গা সমঝিয়ে দেওয়া হয়।
জানা যায়, মোঃ একরাম আলী নামীয় একখন্ড যার পরিমাণ ১.৯৩ (এক একর তিরানব্বই শতক), যার বর্তমান খতিয়ান নং- ১৪৮, দাগ নং- ৬৪১, মৌজা- গাড়ুয়ালীকোনা প্রায় ৩০ বছর পূর্বে ওই জায়গার মধ্যে থেকে ০.৪২ শতক জায়গা পিডিবির কাছে বিক্রি করেন ও এই জমির মূল্য তিনি বুঝে পান। ওই জায়গা বিক্রির পর পূর্ব অংশে ৮৪ শতক ও পশ্চিম অংশে ৬৭ শতক জায়গা অবশিষ্ট ছিল। পরবর্তীতে পশ্চিম দিক থেকে সুমাইয়া আক্তার নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫৯ শতক জায়গা বিক্রি করি। কিন্তু পিডিবি আবার মোঃ একরাম আলীর প্রায় সাড়ে ৮ শতক জায়গা দখলে ছিল। এই জায়গা বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের সম্মুখের অংশ।
আলাপকালে একরাম আলী বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে পিডিবির কাছে আমি জায়গা বিক্রি করি। এরপর আমার ৬৯ শতক জায়গা ছিল। সুরাইয়া আক্তার নামীয় আরেকজনের কাছে ৫৯ শতক জায়গা আমি বিক্রি করি। আমার বাকি অবশিষ্ট জায়গা প্রায় সাড়ে ৮ শতক শতক পিডিবির দখলে ছিল। যা উদ্ধারের জন্য আমি দীর্ঘ দিন ধরে কষ্ট করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এ বছরের ১০ এপ্রিল শনিবার পিডিবি কর্মকর্তারা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত, মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, ইউপি সদস্য লিটন আহমদ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমার নামিয় জায়গা জরিপ করে সাড়ে ৮ শতক জায়গা সমঝিয়ে দেওয়া হয়।
একরাম আলী দীর্ঘ দিন পরে নিজ নামিয় ভূমি ফিরে পাওয়ায় প্রথমে মহান আল্লাহ দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং পিডিবি’র সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩০ বছর পর পিডিবি’র কাছ থেকে জায়গা পেলেন ফেঞ্চুগঞ্জের একরাম আলী।

আপডেট সময় : ০৬:০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে দীর্ঘ ৩০ বছর পর পিডিবি’র কাছ থেকে জায়গা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত ভুমির মালিক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নুরপুর গ্রামের মোঃ একরাম আলী।
২০২১ সালের ১০ এপ্রিল শনিবার দুপুরে জরিপের মাধ্যমে পিডিবি’র সহযোগিতায় একরাম আলীকে তার নিজ নামীয় জায়গা সমঝিয়ে দেওয়া হয়।
জানা যায়, মোঃ একরাম আলী নামীয় একখন্ড যার পরিমাণ ১.৯৩ (এক একর তিরানব্বই শতক), যার বর্তমান খতিয়ান নং- ১৪৮, দাগ নং- ৬৪১, মৌজা- গাড়ুয়ালীকোনা প্রায় ৩০ বছর পূর্বে ওই জায়গার মধ্যে থেকে ০.৪২ শতক জায়গা পিডিবির কাছে বিক্রি করেন ও এই জমির মূল্য তিনি বুঝে পান। ওই জায়গা বিক্রির পর পূর্ব অংশে ৮৪ শতক ও পশ্চিম অংশে ৬৭ শতক জায়গা অবশিষ্ট ছিল। পরবর্তীতে পশ্চিম দিক থেকে সুমাইয়া আক্তার নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫৯ শতক জায়গা বিক্রি করি। কিন্তু পিডিবি আবার মোঃ একরাম আলীর প্রায় সাড়ে ৮ শতক জায়গা দখলে ছিল। এই জায়গা বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের সম্মুখের অংশ।
আলাপকালে একরাম আলী বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে পিডিবির কাছে আমি জায়গা বিক্রি করি। এরপর আমার ৬৯ শতক জায়গা ছিল। সুরাইয়া আক্তার নামীয় আরেকজনের কাছে ৫৯ শতক জায়গা আমি বিক্রি করি। আমার বাকি অবশিষ্ট জায়গা প্রায় সাড়ে ৮ শতক শতক পিডিবির দখলে ছিল। যা উদ্ধারের জন্য আমি দীর্ঘ দিন ধরে কষ্ট করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এ বছরের ১০ এপ্রিল শনিবার পিডিবি কর্মকর্তারা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত, মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, ইউপি সদস্য লিটন আহমদ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমার নামিয় জায়গা জরিপ করে সাড়ে ৮ শতক জায়গা সমঝিয়ে দেওয়া হয়।
একরাম আলী দীর্ঘ দিন পরে নিজ নামিয় ভূমি ফিরে পাওয়ায় প্রথমে মহান আল্লাহ দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং পিডিবি’র সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।