সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নগদ এজেন্টের ‘কোটি টাকা’ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৩।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টাঙ্গাইলে নগদ এজেন্টের ‘কোটি টাকা’ আত্মসাৎ করে পালিয়ে কক্সবাজারে আত্মগোপনকারী তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার আবাসিক হোটেল সেন্টমার্টিন রিসোর্টে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান ডিবি পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার দরিহাসিল এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে শামীম হোসেন (২৪), একই থানার ব্রাম্মণবাড়ী এলাকার আনিসুল হকের ছেলে মো. আতিকুর রহমান (২৪) ও তবানিটেকি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে নুরুল ইসলাম বাবুল (২৫)।

গ্রেফতারকৃতরা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মা এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। এদের মধ্যে শামীম প্রতিষ্ঠানটির সুপারভাইজার, আতিকুর রহমান বিক্রয় প্রতিনিধি ও নুরুল ইসলাম বাবুল অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।
ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদরের নগদ এজেন্টের মা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তিন কর্মচারী গত ৩ এপ্রিল ‘নগদ ও ট্রানজেকশন’ এর মাধ্যমে ৯৮ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক কর্তৃপক্ষ তাদের নানা জায়গায় খোঁজ-খবর নিয়ে সন্ধান পাননি।
‘এ নিয়ে মা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মহিউদ্দন সুমন বাদী হয়ে গত ৪ এপ্রিল ঘাটাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে টাকা আত্মসাৎকারী কর্মচারীরা কক্সবাজার অবস্থান করছে বলে জেলা পুলিশকে অবহিত করে।’
ওসি বলেন, ‘খবরটি অবহিত হওয়ার পর ডিবি পুলিশ টাকা আত্মসাৎকারীদের অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে বুধবার সন্ধ্যায় মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়। পরে ডিবি পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার সেন্টমার্টিন রিসোর্ট থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নগদ এজেন্টের ৯৮ লাখের বেশী টাকা আত্মসাৎ করার তথ্য স্বীকার করেছে বলে জানান মোহাম্মদ আলী।
ঘাটাইলের নগদ এজেন্ট মা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মহিউদ্দন সুমন মুঠোফোনে বলেন, ঘটনার পরদিন গত ৪ এপ্রিল ঘাটাইল থানায় তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বুধবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ৩ জনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারের পর ঘাটাইল থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
ডিবি ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃতদের টাঙ্গাইল নিয়ে যেতে ঘাটাইল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুলিশের ওই দলটি কক্সবাজার পৌঁছালে গ্রেফতারদের হস্তান্তর করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নগদ এজেন্টের ‘কোটি টাকা’ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৩।

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টাঙ্গাইলে নগদ এজেন্টের ‘কোটি টাকা’ আত্মসাৎ করে পালিয়ে কক্সবাজারে আত্মগোপনকারী তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার আবাসিক হোটেল সেন্টমার্টিন রিসোর্টে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান ডিবি পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার দরিহাসিল এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে শামীম হোসেন (২৪), একই থানার ব্রাম্মণবাড়ী এলাকার আনিসুল হকের ছেলে মো. আতিকুর রহমান (২৪) ও তবানিটেকি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে নুরুল ইসলাম বাবুল (২৫)।

গ্রেফতারকৃতরা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মা এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। এদের মধ্যে শামীম প্রতিষ্ঠানটির সুপারভাইজার, আতিকুর রহমান বিক্রয় প্রতিনিধি ও নুরুল ইসলাম বাবুল অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।
ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদরের নগদ এজেন্টের মা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তিন কর্মচারী গত ৩ এপ্রিল ‘নগদ ও ট্রানজেকশন’ এর মাধ্যমে ৯৮ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক কর্তৃপক্ষ তাদের নানা জায়গায় খোঁজ-খবর নিয়ে সন্ধান পাননি।
‘এ নিয়ে মা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মহিউদ্দন সুমন বাদী হয়ে গত ৪ এপ্রিল ঘাটাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে টাকা আত্মসাৎকারী কর্মচারীরা কক্সবাজার অবস্থান করছে বলে জেলা পুলিশকে অবহিত করে।’
ওসি বলেন, ‘খবরটি অবহিত হওয়ার পর ডিবি পুলিশ টাকা আত্মসাৎকারীদের অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে বুধবার সন্ধ্যায় মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়। পরে ডিবি পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার সেন্টমার্টিন রিসোর্ট থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নগদ এজেন্টের ৯৮ লাখের বেশী টাকা আত্মসাৎ করার তথ্য স্বীকার করেছে বলে জানান মোহাম্মদ আলী।
ঘাটাইলের নগদ এজেন্ট মা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মহিউদ্দন সুমন মুঠোফোনে বলেন, ঘটনার পরদিন গত ৪ এপ্রিল ঘাটাইল থানায় তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বুধবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ৩ জনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারের পর ঘাটাইল থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
ডিবি ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃতদের টাঙ্গাইল নিয়ে যেতে ঘাটাইল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুলিশের ওই দলটি কক্সবাজার পৌঁছালে গ্রেফতারদের হস্তান্তর করা হবে।