সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

সিলেটে লকডাউনের খবর শুনে নিত্যপণ্য বাজারে ক্রেতাদের ভিড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সকাল ৭ টা থেকে খুলা হয়েছে সিলেটের শহরের বড়-বড় পাইকারি ও খুচরা বাজারে নিত্যপণ্য বিপনীবিতান কেন্দ্র গুলো। সোমবার (৫ এপ্রিল) সারাদেশে লকডাউনে খবর শুনার পর সিলেটে সাধারণ মানুষের খাদ্যদ্রবাদী ও প্রয়োজনীয় দ্রবাদি মুজদ নিয়ে রয়েছেন আশষ্কার মধ্যে। অধিক পণ্য ক্রয় করে রাখছেন সাধারণ মানুষ। সিলেট নগরীরর সবচেয়ে বড় পাইকারী আড়ৎ কালিঘাটে সকাল থেকে উপচেপড়া ভিড় চোখে পড়ার মতো। শুধু কালিঘাট নয় বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, শীবগঞ্জসহ সকল পাইকারি বাজার ও কাচাবাজার হু হু করে ক্রেতা ভিড় করছেন। রোবাবার সরজমিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এসব পাইকারি আড়তের দোকান গুলো অন্যান্য দিন ৯ টা থেকে ১০ টার ভেতরে খুলা হতো। কিন্তু লকডাউন শোনার পর অনেক দোকানদার ফজরের নাম পড়ে খুলতে শুরু করেন এখবর আশ পাশের লোকজন জানার পর অনেক দোকানদার ও ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেন। কালিঘাটের এক ব্যবসায়ী জানান, আজকের বাজার অন্যান্যদের দিনের তুলানায় সবচেয়ে বেশি বেচা কেনা হয়েছে। ৭ দিনের লকডাউনের খবর শুনে ক্রেতা বাড়তি দামে নিত্যপণ্য ক্রয় করছেন। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। একজন ক্রেতার কথা বলে তিনি জানান, পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বুঝা সমকিল সামনে রমজান মাস বিধায় আগ থেকে সব ধরণের পণ্য মজুধ করে রাখছি। তবে যে পরিমান নিত্যপণ্য ক্রয় করেছি আশা করি আগামী ২ মাস পর্যন্ত চলবে।
পাইকারি বাজার ছাড়াও কাঁচা বাজার, মাছ ও মাংসের বাজারেও হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা বেশি কিন্তু জিনিস কম। এ অবস্থায় দাম বৃদ্ধি হয়েছে সকল জিনিস পত্রের। লকডাউনের আগে ক্রেতাদের এই হুমড়ি খেয়ে পড়া অবস্থায় স্বাস্ব্যবিধি কেউ মানছেন না। এতে করে করোনার আক্রমন আরোও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে লকডাউনের খবর শুনে নিত্যপণ্য বাজারে ক্রেতাদের ভিড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সকাল ৭ টা থেকে খুলা হয়েছে সিলেটের শহরের বড়-বড় পাইকারি ও খুচরা বাজারে নিত্যপণ্য বিপনীবিতান কেন্দ্র গুলো। সোমবার (৫ এপ্রিল) সারাদেশে লকডাউনে খবর শুনার পর সিলেটে সাধারণ মানুষের খাদ্যদ্রবাদী ও প্রয়োজনীয় দ্রবাদি মুজদ নিয়ে রয়েছেন আশষ্কার মধ্যে। অধিক পণ্য ক্রয় করে রাখছেন সাধারণ মানুষ। সিলেট নগরীরর সবচেয়ে বড় পাইকারী আড়ৎ কালিঘাটে সকাল থেকে উপচেপড়া ভিড় চোখে পড়ার মতো। শুধু কালিঘাট নয় বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, শীবগঞ্জসহ সকল পাইকারি বাজার ও কাচাবাজার হু হু করে ক্রেতা ভিড় করছেন। রোবাবার সরজমিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এসব পাইকারি আড়তের দোকান গুলো অন্যান্য দিন ৯ টা থেকে ১০ টার ভেতরে খুলা হতো। কিন্তু লকডাউন শোনার পর অনেক দোকানদার ফজরের নাম পড়ে খুলতে শুরু করেন এখবর আশ পাশের লোকজন জানার পর অনেক দোকানদার ও ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেন। কালিঘাটের এক ব্যবসায়ী জানান, আজকের বাজার অন্যান্যদের দিনের তুলানায় সবচেয়ে বেশি বেচা কেনা হয়েছে। ৭ দিনের লকডাউনের খবর শুনে ক্রেতা বাড়তি দামে নিত্যপণ্য ক্রয় করছেন। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। একজন ক্রেতার কথা বলে তিনি জানান, পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বুঝা সমকিল সামনে রমজান মাস বিধায় আগ থেকে সব ধরণের পণ্য মজুধ করে রাখছি। তবে যে পরিমান নিত্যপণ্য ক্রয় করেছি আশা করি আগামী ২ মাস পর্যন্ত চলবে।
পাইকারি বাজার ছাড়াও কাঁচা বাজার, মাছ ও মাংসের বাজারেও হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা বেশি কিন্তু জিনিস কম। এ অবস্থায় দাম বৃদ্ধি হয়েছে সকল জিনিস পত্রের। লকডাউনের আগে ক্রেতাদের এই হুমড়ি খেয়ে পড়া অবস্থায় স্বাস্ব্যবিধি কেউ মানছেন না। এতে করে করোনার আক্রমন আরোও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।