সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে উপস্থিতির হার কমিয়ে আনার সুপারিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

আবারো বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। করোনা মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ২২টি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এসব সুপারিশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে উপস্থিতি কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) মো. মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সুপারিশে সব সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মীদের উপস্থিতি আগের মতো ২৫ থেকে ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণসহ জরুরি প্রয়োজনীয় মন্ত্রণালয় এবং বিভাগকে এ পদক্ষেপের বাইরে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া সব সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ বা সীমিত করা, কভিড-১৯ পরীক্ষার হার বাড়ানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈদ পর্যন্ত বন্ধ রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশে করোনার সংক্রমণের মারাত্মক ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব জেলা প্রশাসককে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সিভিল সার্জনদেরও হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়াও কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর বাইরেও যেসব সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করতে বলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আগের মতো বন্ধ করা, বিমানবন্দরে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে জনসমাগম কমিয়ে আনা, সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা, গণপরিবহনে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, শপিং মলসহ সব ধরনের দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করা ও গার্মেন্ট কর্মীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) মো. মুহিবুর রহমান বলেন, আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের। এরপর এটা নিয়ে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সভা করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আলোচনা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তারা জাতীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

আমরা সর্বোচ্চ আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা চাইতে পারি। গত সোমবার সাত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভা করে পরামর্শ দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে উপস্থিতির হার কমিয়ে আনার সুপারিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:২১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

আবারো বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। করোনা মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ২২টি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এসব সুপারিশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে উপস্থিতি কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) মো. মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সুপারিশে সব সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মীদের উপস্থিতি আগের মতো ২৫ থেকে ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণসহ জরুরি প্রয়োজনীয় মন্ত্রণালয় এবং বিভাগকে এ পদক্ষেপের বাইরে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া সব সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ বা সীমিত করা, কভিড-১৯ পরীক্ষার হার বাড়ানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈদ পর্যন্ত বন্ধ রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশে করোনার সংক্রমণের মারাত্মক ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব জেলা প্রশাসককে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সিভিল সার্জনদেরও হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়াও কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর বাইরেও যেসব সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করতে বলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আগের মতো বন্ধ করা, বিমানবন্দরে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে জনসমাগম কমিয়ে আনা, সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা, গণপরিবহনে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, শপিং মলসহ সব ধরনের দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করা ও গার্মেন্ট কর্মীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) মো. মুহিবুর রহমান বলেন, আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের। এরপর এটা নিয়ে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সভা করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আলোচনা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তারা জাতীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

আমরা সর্বোচ্চ আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা চাইতে পারি। গত সোমবার সাত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভা করে পরামর্শ দিয়েছি।