সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাশিয়ার সত্যিকারের বন্ধু: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাশিয়ার সত্যিকারের বন্ধু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন সাহসী যোদ্ধা, যিনি তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে তা অর্জন করেছিলেন। তাকে সব সময়ই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাশিয়ার জনগণ।’

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে পাঠানো ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ডি ল্যাভরভ। শুক্রবার (১৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের উৎসব মঞ্চে এ ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে মার্চ ১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধু মস্কো সফর করেন। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে সে সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য রাশিয়া সবসময়ই রাজনৈতিক সমর্থন দিয়েছে। তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ের উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মাইনমুক্ত করার জন্য সোভিয়েত নৌবাহিনীর একটি দল পাঠানো হয়েছিল। বাংলাদেশ রাশিয়ার এই সমর্থনকে মনে রেখেছে, যা প্রশংসার যোগ্য।
তিনি গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি সাধন করেছে। বর্তমানে সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দরিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধে বাংলাদেশ সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ রাশিয়ার অন্যতম বড় অর্থনৈতিক অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২৪০ কোটি মার্কিন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। যা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন। সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলেও তিনি আশা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাশিয়ার সত্যিকারের বন্ধু: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাশিয়ার সত্যিকারের বন্ধু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন সাহসী যোদ্ধা, যিনি তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে তা অর্জন করেছিলেন। তাকে সব সময়ই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাশিয়ার জনগণ।’

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে পাঠানো ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ডি ল্যাভরভ। শুক্রবার (১৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের উৎসব মঞ্চে এ ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে মার্চ ১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধু মস্কো সফর করেন। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে সে সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য রাশিয়া সবসময়ই রাজনৈতিক সমর্থন দিয়েছে। তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ের উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মাইনমুক্ত করার জন্য সোভিয়েত নৌবাহিনীর একটি দল পাঠানো হয়েছিল। বাংলাদেশ রাশিয়ার এই সমর্থনকে মনে রেখেছে, যা প্রশংসার যোগ্য।
তিনি গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি সাধন করেছে। বর্তমানে সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দরিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধে বাংলাদেশ সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ রাশিয়ার অন্যতম বড় অর্থনৈতিক অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২৪০ কোটি মার্কিন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। যা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন। সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলেও তিনি আশা করেন।