সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

পান থেকে চুন খসলেই মামলা, ২০০ মানুষ নির্যাতিত তার হাতে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১ ৪০১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা। অর্থের বিনিময়ে মামলা করাই তার প্রধান কাজ। টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়েও মামলা করতে পারদর্শী তিনি। অভিনব এই প্রতারকের নাম আজিজুল হক পাটোয়ারী। দেশের বিভিন্ন আদালত ও থানায় তিনি প্রায় শতাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন। তাকে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, সারাদেশে তার রয়েছে একটি মামলাবাজ সিন্ডিকেট।

মনির হোসেন, ইমান হোসেন আর মনোয়ারা বেগমের জীবনে থানা, পুলিশ আর আদালত মিলেমিশে একাকার। তাদের কারও বিরুদ্ধে পাঁচটি, কারও আটটি, কারও আবার ১২টি মামলা রয়েছে। একটি মামলায় জামিন পেতে না পেতেই আরেকটি মামলার খড়গ। চাঁদপুরের শাহরাস্তী থানা থেকে ঢাকার সিএমএম কিংবা দায়রা জজ আদালতে তাদের জীবন আটকে আছে গেল কয়েক বছর ধরে। তাদের অভিযোগ তারা মিথ্যা মামলার শিকার। আর এসব মামলার বাদী আজিজুল হক পাটোয়ারী নামের এক ব্যক্তি।
ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম বলেন, তার হাতে ২০০ মানুষ নির্যাতিত হয়েছেন। উনার গ্রামে চারজন মানুষ মামলা খেয়ে বেঁচে গেছেন।

কে এই আজিজুল হক পাটোয়ারী? পুলিশ বলছে, চাঁদপুরের আজিজুল একজন মামলাবাজ। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী নারীর করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিজের কিংবা অন্যের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে তিনি দেশব্যাপী তৈরি করেছেন মামলাবাজ সিন্ডিকেট। চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তার করা মামলায় অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ হয়রানির পাশাপাশি জেলও খেটেছেন।
ভুক্তভোগী মনির হোসেন বলেন, আমার নামে ও বেনামে ২৫টি মামলা করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিএমএম কোর্টে চারটি করেছেন।
পুলিশ বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, এমপি-মন্ত্রীর খাস লোক পরিচয় দিয়ে এলাকার মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঠুকে দেন তিনি। এখন পর্যন্ত শতাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, মানুষকে হয়রানি করার জন্য মামলাগুলো করে থাকেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াটে হিসেবে কাজ করেন। এখন পর্যন্ত সে ১০০টি মামলার বাদী হয়েছেন।
ভাড়ায় অর্থাৎ অন্যের হয়ে মামলাও আজিজুল সিদ্ধহস্ত। প্রতিটি মামলার সাক্ষী কখনো সে নিজে, কখনো তার ছেলে, ভাতিজা অথবা ছোট ভাই। সূত্র সময় নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পান থেকে চুন খসলেই মামলা, ২০০ মানুষ নির্যাতিত তার হাতে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা। অর্থের বিনিময়ে মামলা করাই তার প্রধান কাজ। টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়েও মামলা করতে পারদর্শী তিনি। অভিনব এই প্রতারকের নাম আজিজুল হক পাটোয়ারী। দেশের বিভিন্ন আদালত ও থানায় তিনি প্রায় শতাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন। তাকে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, সারাদেশে তার রয়েছে একটি মামলাবাজ সিন্ডিকেট।

মনির হোসেন, ইমান হোসেন আর মনোয়ারা বেগমের জীবনে থানা, পুলিশ আর আদালত মিলেমিশে একাকার। তাদের কারও বিরুদ্ধে পাঁচটি, কারও আটটি, কারও আবার ১২টি মামলা রয়েছে। একটি মামলায় জামিন পেতে না পেতেই আরেকটি মামলার খড়গ। চাঁদপুরের শাহরাস্তী থানা থেকে ঢাকার সিএমএম কিংবা দায়রা জজ আদালতে তাদের জীবন আটকে আছে গেল কয়েক বছর ধরে। তাদের অভিযোগ তারা মিথ্যা মামলার শিকার। আর এসব মামলার বাদী আজিজুল হক পাটোয়ারী নামের এক ব্যক্তি।
ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম বলেন, তার হাতে ২০০ মানুষ নির্যাতিত হয়েছেন। উনার গ্রামে চারজন মানুষ মামলা খেয়ে বেঁচে গেছেন।

কে এই আজিজুল হক পাটোয়ারী? পুলিশ বলছে, চাঁদপুরের আজিজুল একজন মামলাবাজ। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী নারীর করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিজের কিংবা অন্যের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে তিনি দেশব্যাপী তৈরি করেছেন মামলাবাজ সিন্ডিকেট। চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তার করা মামলায় অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ হয়রানির পাশাপাশি জেলও খেটেছেন।
ভুক্তভোগী মনির হোসেন বলেন, আমার নামে ও বেনামে ২৫টি মামলা করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিএমএম কোর্টে চারটি করেছেন।
পুলিশ বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, এমপি-মন্ত্রীর খাস লোক পরিচয় দিয়ে এলাকার মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঠুকে দেন তিনি। এখন পর্যন্ত শতাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, মানুষকে হয়রানি করার জন্য মামলাগুলো করে থাকেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াটে হিসেবে কাজ করেন। এখন পর্যন্ত সে ১০০টি মামলার বাদী হয়েছেন।
ভাড়ায় অর্থাৎ অন্যের হয়ে মামলাও আজিজুল সিদ্ধহস্ত। প্রতিটি মামলার সাক্ষী কখনো সে নিজে, কখনো তার ছেলে, ভাতিজা অথবা ছোট ভাই। সূত্র সময় নিউজ