সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

ভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে, জামাইকে কুপিয়ে মারলেন শ্যালকরা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিয়ের নামে ধর্মান্তরণ প্রতিরোধী আইন নিয়ে বিতর্ক সমালোচনার মধ্যেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা সামনে আসছে। অন্য সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে করায়, এক যুবককে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তারই শ্যালকদের বিরুদ্ধে।

ভারতের হরিয়ানা পুলিশ জানায়, একবার, দু’বার নয়, ছুরি দিয়ে মোট ১২ বার কোপানো হয় ওই যুবককে।
শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) রাতে হরিয়ানার পানিপথে ব্যস্ত বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরে নৃশংস এই দৃশ্য। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম নীরজ (২৩)। একই এলাকায় মেয়ে কোমলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ বছর নভেম্বর মাসেই সাতপাকে বাঁধা পড়েন দু’জনে। কিন্তু নীরজ যেহেতু তাদের সম্প্রদায়ের ছেলে নয়, তাই এই বিয়েতে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল কোমলের পরিবারের। তাদের অমতে, গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত মুচলেকা দিয়ে নীরজের গলায় মালা দেন কোমল।
কিন্তু কোমলের পরিবার এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি বলে অভিযোগ। নীরজের ভাই জগদীশ জানিয়েছেন, কোমলের পরিবারের তরফে বেশ কিছুদিন ধরেই নীরজকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মুখোমুখি কথা বলতে চেয়ে শুক্রবার তাকে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডেকে পাঠান কোমলের বড় ভাইয়েরা।
জগদীশ বলেন, ‘দাদা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই কোমলকে ফোন করেন ওর দাদারা। বলেন, খুব শিগগিরই ওকে কাঁদতে হবে। তার পরেই দাদার মৃত্যুর খবর পাই আমরা। এমনকি তার পরেও ওই বাড়ি থেকে হুমকি আসে। বলা হয়, আরও অনেকের রক্ত ঝরবে।’
পানিপথের ডেপুটি পুলিশ সুপার সতীশ কুমার বৎস জানান, ‘ছেলেটির পরিবারের আপত্তি ছিল না। মেয়েটিও রাজি ছিলেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় মুচলেকা দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু মেয়েটির দাদাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না। তাই ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে, জামাইকে কুপিয়ে মারলেন শ্যালকরা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিয়ের নামে ধর্মান্তরণ প্রতিরোধী আইন নিয়ে বিতর্ক সমালোচনার মধ্যেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা সামনে আসছে। অন্য সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে করায়, এক যুবককে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তারই শ্যালকদের বিরুদ্ধে।

ভারতের হরিয়ানা পুলিশ জানায়, একবার, দু’বার নয়, ছুরি দিয়ে মোট ১২ বার কোপানো হয় ওই যুবককে।
শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) রাতে হরিয়ানার পানিপথে ব্যস্ত বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরে নৃশংস এই দৃশ্য। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম নীরজ (২৩)। একই এলাকায় মেয়ে কোমলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ বছর নভেম্বর মাসেই সাতপাকে বাঁধা পড়েন দু’জনে। কিন্তু নীরজ যেহেতু তাদের সম্প্রদায়ের ছেলে নয়, তাই এই বিয়েতে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল কোমলের পরিবারের। তাদের অমতে, গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত মুচলেকা দিয়ে নীরজের গলায় মালা দেন কোমল।
কিন্তু কোমলের পরিবার এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি বলে অভিযোগ। নীরজের ভাই জগদীশ জানিয়েছেন, কোমলের পরিবারের তরফে বেশ কিছুদিন ধরেই নীরজকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মুখোমুখি কথা বলতে চেয়ে শুক্রবার তাকে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডেকে পাঠান কোমলের বড় ভাইয়েরা।
জগদীশ বলেন, ‘দাদা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই কোমলকে ফোন করেন ওর দাদারা। বলেন, খুব শিগগিরই ওকে কাঁদতে হবে। তার পরেই দাদার মৃত্যুর খবর পাই আমরা। এমনকি তার পরেও ওই বাড়ি থেকে হুমকি আসে। বলা হয়, আরও অনেকের রক্ত ঝরবে।’
পানিপথের ডেপুটি পুলিশ সুপার সতীশ কুমার বৎস জানান, ‘ছেলেটির পরিবারের আপত্তি ছিল না। মেয়েটিও রাজি ছিলেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় মুচলেকা দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু মেয়েটির দাদাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না। তাই ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।