সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

বরিশালে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা মামলায় আসামীর ফাঁসি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শামীম আহমেদ ॥বরিশাল নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ইউনিয়নের মাহমুদা বেগমের তৃতিয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী সিমা (৮)কে ধর্ষণ, আপহরন ও লাশ গুম করার অপরাধে পৃথক তিনটি ধারায় আসামী আবুল কালাম আজাদ (ওরফে) কালুকে মুত্যুদন্ড,যাবতজীবন ও সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা আরো দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ।

আজ বৃহস্পতিবার (৩) ডিসেম্বর বেলা ১২ টায় আসামী ও বাদী পরিবারের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন।

বরিশাল উন্নয়ন সংগঠন আভাষের পক্ষ থেকে সিমার পরিবারকে আইন ও শালিশ কেন্দ্রের মামলা পরিচালিত আইনজীবী মোকলেচুর রহমান খান জানান, ২০১৮ সালের ১১ই মার্চ আনুমানিক দুপুর ২টারদিকে শিক্ষার্থী সিমা (৮) স্কুলের পাশ^বর্তী আবুল কালাম আজাদ কালুর বাড়ির বাথরুমে গেলে সেসময় কালুর বাড়িতে কেহ না থাকার সুযোগে সিমাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে বস্তায় ভরে হালিম মাস্টারের পারিবারিক কবরস্থানে ফেলে দিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ১৩ই মার্চ এয়ারপোর্ট থানা পুুিলশ কবরস্থান থেকে বস্তাবন্ধি অবস্থায় সিমার লাশ উদ্ধার করে হয়।

এঘটনায় শিশু সিমার মা মাহমুদা বেগম বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বচরের ২০ই সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সেপ্রেক্টর আঃ রহমান মুকুল আদালতে কালুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট প্রতিবেদন দাখিল করে।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শেষ করার জন্য প্রেরন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ দেড় বছর মামলাটি পরিচালনাকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ১০জনের স্বাক্ষ গ্রহন শেষে নারী ও ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আসামী আবুল কালাম আজাদ কালুকে ধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। রায়ে একই সময় সিমাকে অপহরন করার অপরাধে যাবতজীবন ও লাশ ঘুম করার অপরাধে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের পাশাপাশি আসামীর স্থাবর অস্থাবর বিক্রি করে বিকটিম পরিবারকে দেড় লক্ষ টাকা দেয়ার আদেশ প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা মামলায় আসামীর ফাঁসি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

শামীম আহমেদ ॥বরিশাল নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ইউনিয়নের মাহমুদা বেগমের তৃতিয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী সিমা (৮)কে ধর্ষণ, আপহরন ও লাশ গুম করার অপরাধে পৃথক তিনটি ধারায় আসামী আবুল কালাম আজাদ (ওরফে) কালুকে মুত্যুদন্ড,যাবতজীবন ও সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা আরো দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ।

আজ বৃহস্পতিবার (৩) ডিসেম্বর বেলা ১২ টায় আসামী ও বাদী পরিবারের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন।

বরিশাল উন্নয়ন সংগঠন আভাষের পক্ষ থেকে সিমার পরিবারকে আইন ও শালিশ কেন্দ্রের মামলা পরিচালিত আইনজীবী মোকলেচুর রহমান খান জানান, ২০১৮ সালের ১১ই মার্চ আনুমানিক দুপুর ২টারদিকে শিক্ষার্থী সিমা (৮) স্কুলের পাশ^বর্তী আবুল কালাম আজাদ কালুর বাড়ির বাথরুমে গেলে সেসময় কালুর বাড়িতে কেহ না থাকার সুযোগে সিমাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে বস্তায় ভরে হালিম মাস্টারের পারিবারিক কবরস্থানে ফেলে দিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ১৩ই মার্চ এয়ারপোর্ট থানা পুুিলশ কবরস্থান থেকে বস্তাবন্ধি অবস্থায় সিমার লাশ উদ্ধার করে হয়।

এঘটনায় শিশু সিমার মা মাহমুদা বেগম বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বচরের ২০ই সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সেপ্রেক্টর আঃ রহমান মুকুল আদালতে কালুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট প্রতিবেদন দাখিল করে।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শেষ করার জন্য প্রেরন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ দেড় বছর মামলাটি পরিচালনাকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ১০জনের স্বাক্ষ গ্রহন শেষে নারী ও ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আসামী আবুল কালাম আজাদ কালুকে ধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। রায়ে একই সময় সিমাকে অপহরন করার অপরাধে যাবতজীবন ও লাশ ঘুম করার অপরাধে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের পাশাপাশি আসামীর স্থাবর অস্থাবর বিক্রি করে বিকটিম পরিবারকে দেড় লক্ষ টাকা দেয়ার আদেশ প্রদান করেন।