সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

ছাত্রী গৃহিণী বিধবা নারী, তার যৌন নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি কেউ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
যিনি মানুষের সৎ চরিত্রের সনদ দেন তার চরিত্রই ঢাকা পড়েছে কালিমার প্রলেপে। রিলিফ-স্লিপ দেওয়ার নামে স্কুলছাত্রী, গৃহিনী এমনকি বিধবা নারীদেরও ফাঁদে ফেলে চালান যৌন নির্যাতন। জনপ্রতিনিধি শুধু নন, শিক্ষকও তিনি। এসব ঘটনায় ধরা পড়লেও প্রশাসনের নীরবতায় স্বপদে বহাল অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান।

প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার নামে ধর্ষণের ভিডিও ধারণের পর ভাইরালের ভয় দেখিয়ে টানা আট মাস এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার হন সদরের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। রিলিফসহ নানা সুবিধা দেওয়ার নামে নারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে নির্যাতন করতেন, গ্রেফতারের পর বাদল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
এর আগে ২০১৭ সালে নিজের স্কুলের শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে বহাল ছিলেন অভিযুক্ত বাদল। সবকিছু জেনেও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানালেন শিক্ষা কর্মকর্তা। আর ইউএনও দায়সারাভাবে বললেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে আমাদের বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলে আমরা সেটা করব।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিউল আলম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি তারা ব্যবস্থা নেবেন।
এর আগে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বাদলের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা না নিলেও এবার ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর উপজেলা কমিটির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কারের কথা জানালেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু।
তিনি বলেন, পুলিশি তদন্তের মধ্য দিয়ে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন তবে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য আমরা কেন্দ্রে সুপারিশ করব।
২০১৫ সালে দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছাত্রী গৃহিণী বিধবা নারী, তার যৌন নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি কেউ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
যিনি মানুষের সৎ চরিত্রের সনদ দেন তার চরিত্রই ঢাকা পড়েছে কালিমার প্রলেপে। রিলিফ-স্লিপ দেওয়ার নামে স্কুলছাত্রী, গৃহিনী এমনকি বিধবা নারীদেরও ফাঁদে ফেলে চালান যৌন নির্যাতন। জনপ্রতিনিধি শুধু নন, শিক্ষকও তিনি। এসব ঘটনায় ধরা পড়লেও প্রশাসনের নীরবতায় স্বপদে বহাল অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান।

প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার নামে ধর্ষণের ভিডিও ধারণের পর ভাইরালের ভয় দেখিয়ে টানা আট মাস এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার হন সদরের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। রিলিফসহ নানা সুবিধা দেওয়ার নামে নারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে নির্যাতন করতেন, গ্রেফতারের পর বাদল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
এর আগে ২০১৭ সালে নিজের স্কুলের শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে বহাল ছিলেন অভিযুক্ত বাদল। সবকিছু জেনেও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানালেন শিক্ষা কর্মকর্তা। আর ইউএনও দায়সারাভাবে বললেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে আমাদের বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলে আমরা সেটা করব।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিউল আলম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি তারা ব্যবস্থা নেবেন।
এর আগে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বাদলের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা না নিলেও এবার ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর উপজেলা কমিটির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কারের কথা জানালেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু।
তিনি বলেন, পুলিশি তদন্তের মধ্য দিয়ে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন তবে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য আমরা কেন্দ্রে সুপারিশ করব।
২০১৫ সালে দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।