সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

বউকে বোন বানিয়ে চাকরির ঘটনায় দুজন বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৭ অক্টোবর তাঁদের বরখাস্ত করা হয়।

বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

বরখাস্ত হওয়া দুজন হলেন টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

আশরাফুল তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আর আশরাফুলের বোন নাসরিন নন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী।
শাপলা আক্তার, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক
স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা। আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি নাসরিন ও শাপলাকেও সহিদুর রহমানের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে গত ২৯ আগস্ট প্রথম আলোয় ‘বউকে বোন পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তাঁর চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আর আশরাফুলের বোন নাসরিন নন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী।

চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া সব অর্থ তাঁদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ–সংক্রান্ত চিঠি ওই দুজনকে দেওয়া হবে।
আবদুর রাজ্জাক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জামালপুর
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম আলোর প্রতিবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে। এরপর বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। ১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক। এর ভিত্তিতে ২৭ অক্টোবর নাসরিন ও শাপলাকে বরখাস্ত করে শিক্ষা অধিদপ্তর। আর আশরাফুলের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বলার জন্য চেষ্টা করেও আশরাফুল, নাসরিন বা শাপলার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, তদন্তে জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এরপর ওই দুজনকে বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া সব অর্থ তাঁদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ–সংক্রান্ত চিঠি ওই দুজনকে দেওয়া হবে। সূত্র প্রথম আলো

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বউকে বোন বানিয়ে চাকরির ঘটনায় দুজন বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৭ অক্টোবর তাঁদের বরখাস্ত করা হয়।

বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

বরখাস্ত হওয়া দুজন হলেন টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

আশরাফুল তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আর আশরাফুলের বোন নাসরিন নন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী।
শাপলা আক্তার, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক
স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা। আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি নাসরিন ও শাপলাকেও সহিদুর রহমানের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে গত ২৯ আগস্ট প্রথম আলোয় ‘বউকে বোন পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তাঁর চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আর আশরাফুলের বোন নাসরিন নন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী।

চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া সব অর্থ তাঁদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ–সংক্রান্ত চিঠি ওই দুজনকে দেওয়া হবে।
আবদুর রাজ্জাক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জামালপুর
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম আলোর প্রতিবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে। এরপর বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। ১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক। এর ভিত্তিতে ২৭ অক্টোবর নাসরিন ও শাপলাকে বরখাস্ত করে শিক্ষা অধিদপ্তর। আর আশরাফুলের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বলার জন্য চেষ্টা করেও আশরাফুল, নাসরিন বা শাপলার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, তদন্তে জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এরপর ওই দুজনকে বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া সব অর্থ তাঁদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ–সংক্রান্ত চিঠি ওই দুজনকে দেওয়া হবে। সূত্র প্রথম আলো