সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

১০ কি.মি. হেঁটে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে থানায় মেয়ে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
এগারো বছরের একটি মেয়ে তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১০ কিলোমিটার হেঁটে থানায় গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ওড়িষ্যার ডুকুকা গ্রামে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়েটির নাম সুশ্রী সঙ্গীতা শেঠি। সে ডুকুকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী। সে থানায় তার বাবার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সে জানায়, তার বাবা রমেশ চন্দ্র শেঠি জোর করে তার মিড ডে মিলের বরাদ্দ চাল ও টাকা নিয়ে নেন।

মেয়েটি আরও জানায়, তার মা দু’বছর আগে মারা যান। এক বছর আগে তার বাবা আবারও বিয়ে করেন। তার বাবা ও সৎ মা আসার পর থেকে তার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। সুশ্রী তার কাকার বাড়িতেই থাকে।
করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্কুলপড়ুয়া বা তাদের অভিভাবকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্কুলের পক্ষ থেকে মিড ডে মিলের টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুল থেকে চালও দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ৮ টাকা ১০ পয়সা হিসেবে মাসের টাকাটা ব্যাংকে জমা পড়ে। আর প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন ১৫০ গ্রাম চাল বরাদ্দ থাকে। সেটা স্কুল থেকেই সরাসরি দেওয়া হয়।
সুশ্রীর নিজের নামেও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও স্কুল সুশ্রীর টাকা তার বাবার অ্যাকাউন্টেই জমা দিচ্ছে। কিন্তু যখনই সে তার বাবার কাছ থেকে সেই টাকা চাইতে যায়, বাবা দিতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয় তিনি মেয়ের ভাগের চালও স্কুল থেকে নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেছে।
ওড়িষ্যার কেন্দ্রাপাড়া কালেক্টর বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের (ডিইও) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি দেখছেন। তিনি সুশ্রীর স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়েছেন। মেয়েটির বাবার কাছ থেকে সমস্ত টাকাই উদ্ধার করা হবে। এবং স্কুলে বলে দেওয়া হয়েছে, চাল যেন সরাসরি মেয়েটিকেই দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ কি.মি. হেঁটে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে থানায় মেয়ে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
এগারো বছরের একটি মেয়ে তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১০ কিলোমিটার হেঁটে থানায় গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ওড়িষ্যার ডুকুকা গ্রামে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়েটির নাম সুশ্রী সঙ্গীতা শেঠি। সে ডুকুকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী। সে থানায় তার বাবার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সে জানায়, তার বাবা রমেশ চন্দ্র শেঠি জোর করে তার মিড ডে মিলের বরাদ্দ চাল ও টাকা নিয়ে নেন।

মেয়েটি আরও জানায়, তার মা দু’বছর আগে মারা যান। এক বছর আগে তার বাবা আবারও বিয়ে করেন। তার বাবা ও সৎ মা আসার পর থেকে তার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। সুশ্রী তার কাকার বাড়িতেই থাকে।
করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্কুলপড়ুয়া বা তাদের অভিভাবকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্কুলের পক্ষ থেকে মিড ডে মিলের টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুল থেকে চালও দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ৮ টাকা ১০ পয়সা হিসেবে মাসের টাকাটা ব্যাংকে জমা পড়ে। আর প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন ১৫০ গ্রাম চাল বরাদ্দ থাকে। সেটা স্কুল থেকেই সরাসরি দেওয়া হয়।
সুশ্রীর নিজের নামেও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও স্কুল সুশ্রীর টাকা তার বাবার অ্যাকাউন্টেই জমা দিচ্ছে। কিন্তু যখনই সে তার বাবার কাছ থেকে সেই টাকা চাইতে যায়, বাবা দিতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয় তিনি মেয়ের ভাগের চালও স্কুল থেকে নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেছে।
ওড়িষ্যার কেন্দ্রাপাড়া কালেক্টর বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের (ডিইও) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি দেখছেন। তিনি সুশ্রীর স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়েছেন। মেয়েটির বাবার কাছ থেকে সমস্ত টাকাই উদ্ধার করা হবে। এবং স্কুলে বলে দেওয়া হয়েছে, চাল যেন সরাসরি মেয়েটিকেই দেওয়া হয়।