সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় অবশেষে কারাগারেই ঠাঁই হলো। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: কারাগারে এসেছিলেন একজন কয়েদীকে দেখতে। নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে ভেতরে প্রবেশ করতেও চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষে ধরা পড়ে কারাগারেই ঠাঁই হলো তার।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়া মো. জুয়েল খান (৩৬) সদর উপজেলার সাতপাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

নেত্রকোনা জেলা কারাগার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল মিয়া বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা জেলা কারাগারের ফটকে এসে কারারক্ষীদের কাছে নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি তার পরিচিত এক কয়েদীকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় কারারক্ষী তাকে বাধা দেন।

পরে তিনি চড়াও হয়ে কারারক্ষীকে দেখে নেয়ার হুঁমকি দেন। এ সময় জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে বিসিএস ৩৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও ধরিয়ে দেন।

বিষয়টি সন্দেহ হলে জেলা সুপার তার কক্ষে জুয়েল খানকে বসিয়ে রেখে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জুয়েল খান তখন ঢাকার ধামরাইয়ের অ্যাসিলেন্ড হিসেবে পরিচয় দেন।

এ সময় সেখানে খোঁজ নিলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং জুয়েল খানকে পুলিশ আটক করে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যায়।

পরে ডেপুটি জেলার সিরাজুল সালেদিন বাদী হয়ে সন্ধ্যায় জুয়েলের নামে প্রতারণার মামলা করেন। শুক্রবার সকালে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

নেত্রকোনা জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, জুয়েল খান নামের ওই যুবক নিজেকে কখনো অ্যাসিলেন্ড, কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে কারাগারে প্রবেশ করতে চাচ্ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। আদালতের নির্দেশে কিছুক্ষণ আগে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় অবশেষে কারাগারেই ঠাঁই হলো। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: কারাগারে এসেছিলেন একজন কয়েদীকে দেখতে। নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে ভেতরে প্রবেশ করতেও চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষে ধরা পড়ে কারাগারেই ঠাঁই হলো তার।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়া মো. জুয়েল খান (৩৬) সদর উপজেলার সাতপাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

নেত্রকোনা জেলা কারাগার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল মিয়া বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা জেলা কারাগারের ফটকে এসে কারারক্ষীদের কাছে নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি তার পরিচিত এক কয়েদীকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় কারারক্ষী তাকে বাধা দেন।

পরে তিনি চড়াও হয়ে কারারক্ষীকে দেখে নেয়ার হুঁমকি দেন। এ সময় জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে বিসিএস ৩৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও ধরিয়ে দেন।

বিষয়টি সন্দেহ হলে জেলা সুপার তার কক্ষে জুয়েল খানকে বসিয়ে রেখে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জুয়েল খান তখন ঢাকার ধামরাইয়ের অ্যাসিলেন্ড হিসেবে পরিচয় দেন।

এ সময় সেখানে খোঁজ নিলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং জুয়েল খানকে পুলিশ আটক করে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যায়।

পরে ডেপুটি জেলার সিরাজুল সালেদিন বাদী হয়ে সন্ধ্যায় জুয়েলের নামে প্রতারণার মামলা করেন। শুক্রবার সকালে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

নেত্রকোনা জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, জুয়েল খান নামের ওই যুবক নিজেকে কখনো অ্যাসিলেন্ড, কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে কারাগারে প্রবেশ করতে চাচ্ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। আদালতের নির্দেশে কিছুক্ষণ আগে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।