সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

ইউনিয়ন পরিষদে আটকে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেক্স প্রতিবেদক:: সাভারের আশুলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন চেয়ারম্যান। এমন অভিযোগ এনে তরুণী থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ তিন জনের নামে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালতে মামলা করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মাতবর (৫০) আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং টঙ্গাবাড়ি এলাকার ওহাব মাদবরের ছেলে। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন, চেয়ারম্যানের শ্যালক মো. আলমগীর (৩৮) এবং ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার (৩৫)।

মামলার অভিযোগে ওই তরুণী জানান, ‘দেনা-পাওনা সংক্রান্ত একটি বিষয়ে গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেয়ার জন্য ওই তরুণী এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে যান। পরে সেখানে চেয়ারম্যানকে না পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে বিচার দেন। চেয়ারম্যান তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে তরুণী নিজ বাড়ির দিকে রওনা হন। ওই তরুণী মিথ্যা বলছে এমন অভিযোগে রাস্তা থেকে চেয়ারম্যানের শ্যালক আলমগীর ও ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার তাকে জোরপূর্বক ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় ওই তরুণীর আত্মীয়কে আলাদা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। আরেকটি কক্ষে আটকে রেখে চেয়ারম্যান ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। চেয়ারম্যান কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার শ্যালক ও ব্যক্তিগত সহকারীও ওই তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনার পর বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার শর্তে তরুণী ও তার আত্মীয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে ওই তরুণী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি।

তবে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন- বিষয়টি আমার জানা নেই। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মাদবরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউনিয়ন পরিষদে আটকে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডেক্স প্রতিবেদক:: সাভারের আশুলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন চেয়ারম্যান। এমন অভিযোগ এনে তরুণী থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ তিন জনের নামে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালতে মামলা করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মাতবর (৫০) আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং টঙ্গাবাড়ি এলাকার ওহাব মাদবরের ছেলে। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন, চেয়ারম্যানের শ্যালক মো. আলমগীর (৩৮) এবং ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার (৩৫)।

মামলার অভিযোগে ওই তরুণী জানান, ‘দেনা-পাওনা সংক্রান্ত একটি বিষয়ে গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেয়ার জন্য ওই তরুণী এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে যান। পরে সেখানে চেয়ারম্যানকে না পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে বিচার দেন। চেয়ারম্যান তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে তরুণী নিজ বাড়ির দিকে রওনা হন। ওই তরুণী মিথ্যা বলছে এমন অভিযোগে রাস্তা থেকে চেয়ারম্যানের শ্যালক আলমগীর ও ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার তাকে জোরপূর্বক ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় ওই তরুণীর আত্মীয়কে আলাদা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। আরেকটি কক্ষে আটকে রেখে চেয়ারম্যান ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। চেয়ারম্যান কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার শ্যালক ও ব্যক্তিগত সহকারীও ওই তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনার পর বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার শর্তে তরুণী ও তার আত্মীয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে ওই তরুণী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি।

তবে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন- বিষয়টি আমার জানা নেই। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মাদবরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।