সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন

শীতের আগে ভ্যাকসিন না এলে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে করোনা, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০ ১৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। ভাইরাসটি একযোগে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এর প্রকোপে ইতোমধ্যে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা আমেরিকা।

এছাড়া ব্রিটেন, ব্রাজিল, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও মেক্সিকোও ধ্বংযজ্ঞে পরিণত হয়েছে করোনার তাণ্ডবে।
বিশ্বজুড়েই যেন ত্রাসে রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮ লাখ ১৭ হাজার জনের।

এমতাবস্থায় ভ্যাকসিন ছাড়া কোনও গতি খুঁজে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষা কাটতেই শীতের প্রকোপ বাড়বে, তাতে বেশ খারাপ অবস্থা হবে মানুষের। শীত কড়া নাড়লেই করোনার প্রকোপ বাড়বে বলেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা সাবধান করছেন, শীত পড়লে করোনার নতুন ঢেউ দেখতে পারেন বিশ্ববাসী।

এমনিতেও শীতকালে সর্দিকাশির প্রভাব বেশি থাকে।

কারও কারও টাইফয়েড, নিউনোমিয়াও হয়। ভাইরাল জ্বরও হয়ে থাকে ঘরে ঘরে। এর মধ্যে যদি করোনা বাড়ে, সেটা সামলানো কঠিন হবে। তাই এ বছরের শীতকাল নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।
বিজ্ঞানীরা এও জানাচ্ছেন, হার্ড ইমিউনিটি তৈরি কতটা হয়েছে, তা কেউ জানেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বছরের শীতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা হবে আরও বেশি ভয়ঙ্কর। সমগ্র বিশ্বের খারাপ পরিণতির অবস্থা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা একটি মডেল তৈরি করেছেন। তাতে বলা হচ্ছে, ব্রিটেনের হাসপাতালেই ২৪ হাজার ৫০০ থেকে ২ লাখ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ২০২১ সালে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটেনে সর্বোচ্চ মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

করোনার প্রথম ধাক্কায় সংক্রমণে এখন পর্যন্ত ব্রিটেনে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজারের বেশি। দেখা যাচ্ছে, সংক্রমণ কেটে যাওয়ার ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত এঁদের শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা শীর্ষে ছিল, তারপর ধীরে ধীরে কমে পুরো উধাও হয়ে যাচ্ছে।

গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ৬০ শতাংশ রোগীর শরীরে সংক্রমণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাল অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশের শরীরে সেই পরিমাণ অ্যান্টিবডি সংক্রমণের ৩ মাস পরেও থাকে। অর্থাৎ শীতকালের পরে এই ১৭ শতাংশ বাদে বাকিদের নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এর মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে গেলে সংক্রমণ কমানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শীতের আগে ভ্যাকসিন না এলে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে করোনা, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

আপডেট সময় : ১২:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। ভাইরাসটি একযোগে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এর প্রকোপে ইতোমধ্যে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা আমেরিকা।

এছাড়া ব্রিটেন, ব্রাজিল, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও মেক্সিকোও ধ্বংযজ্ঞে পরিণত হয়েছে করোনার তাণ্ডবে।
বিশ্বজুড়েই যেন ত্রাসে রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮ লাখ ১৭ হাজার জনের।

এমতাবস্থায় ভ্যাকসিন ছাড়া কোনও গতি খুঁজে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষা কাটতেই শীতের প্রকোপ বাড়বে, তাতে বেশ খারাপ অবস্থা হবে মানুষের। শীত কড়া নাড়লেই করোনার প্রকোপ বাড়বে বলেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা সাবধান করছেন, শীত পড়লে করোনার নতুন ঢেউ দেখতে পারেন বিশ্ববাসী।

এমনিতেও শীতকালে সর্দিকাশির প্রভাব বেশি থাকে।

কারও কারও টাইফয়েড, নিউনোমিয়াও হয়। ভাইরাল জ্বরও হয়ে থাকে ঘরে ঘরে। এর মধ্যে যদি করোনা বাড়ে, সেটা সামলানো কঠিন হবে। তাই এ বছরের শীতকাল নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।
বিজ্ঞানীরা এও জানাচ্ছেন, হার্ড ইমিউনিটি তৈরি কতটা হয়েছে, তা কেউ জানেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বছরের শীতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা হবে আরও বেশি ভয়ঙ্কর। সমগ্র বিশ্বের খারাপ পরিণতির অবস্থা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা একটি মডেল তৈরি করেছেন। তাতে বলা হচ্ছে, ব্রিটেনের হাসপাতালেই ২৪ হাজার ৫০০ থেকে ২ লাখ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ২০২১ সালে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটেনে সর্বোচ্চ মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

করোনার প্রথম ধাক্কায় সংক্রমণে এখন পর্যন্ত ব্রিটেনে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজারের বেশি। দেখা যাচ্ছে, সংক্রমণ কেটে যাওয়ার ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত এঁদের শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা শীর্ষে ছিল, তারপর ধীরে ধীরে কমে পুরো উধাও হয়ে যাচ্ছে।

গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ৬০ শতাংশ রোগীর শরীরে সংক্রমণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাল অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশের শরীরে সেই পরিমাণ অ্যান্টিবডি সংক্রমণের ৩ মাস পরেও থাকে। অর্থাৎ শীতকালের পরে এই ১৭ শতাংশ বাদে বাকিদের নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এর মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে গেলে সংক্রমণ কমানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া