সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের পর চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ২৬ মার্চ থেকে টানা সরকারি ছুটি চলছে। এর মধ্যে ঈদের আগে থেকেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান বিষয়ে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

তাই আপাতত গণপরিবহন খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই অন্যান্য জরুরি সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতোই খোলা রেখে আপাতত চলবে দেশ।

আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ঠিক কতদিনের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও একটি সূত্র জানিয়েছে ছুটি 8 থেকে ১০ দিন বাড়তে পারে।

ঈদের পর ছুটি না বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের চিন্তা বেশি ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনের করোনা ভাইরাসের কারণে যেভাবে সংক্রমনের হার বেড়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে তাতে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সরকার ছুটি বাড়ানোর কথাই চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও ছুটির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বভাসে বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের এই মহামারী সহসা দূর হবে না। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না। যতদিন না কোন প্রতিষেধক টীকা আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।’

প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রায় সকল দেশই ইতোমধ্যে লকডাইন শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে তো নয়ই।’

‌সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ছুটি বাড়ানো কমানো নিয়ে নানান ধরনের আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি মে মাসের শেষ দিকে কোন ভাইরাসের সবচেয়ে উচ্চহারের সংক্রমণ সবসময় বলে আশঙ্কা করছিল,বাস্তবে হচ্ছেও তাই।

‌এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদের আগের দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জীবন ও জীবিকার কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা করে, সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী একটা সিদ্ধান্ত দেবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তটা আসবে আশা করছি। সূত্র: কালের কণ্ঠ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের পর চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ২৬ মার্চ থেকে টানা সরকারি ছুটি চলছে। এর মধ্যে ঈদের আগে থেকেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান বিষয়ে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

তাই আপাতত গণপরিবহন খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই অন্যান্য জরুরি সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতোই খোলা রেখে আপাতত চলবে দেশ।

আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ঠিক কতদিনের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও একটি সূত্র জানিয়েছে ছুটি 8 থেকে ১০ দিন বাড়তে পারে।

ঈদের পর ছুটি না বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের চিন্তা বেশি ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনের করোনা ভাইরাসের কারণে যেভাবে সংক্রমনের হার বেড়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে তাতে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সরকার ছুটি বাড়ানোর কথাই চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও ছুটির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বভাসে বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের এই মহামারী সহসা দূর হবে না। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না। যতদিন না কোন প্রতিষেধক টীকা আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।’

প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রায় সকল দেশই ইতোমধ্যে লকডাইন শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে তো নয়ই।’

‌সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ছুটি বাড়ানো কমানো নিয়ে নানান ধরনের আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি মে মাসের শেষ দিকে কোন ভাইরাসের সবচেয়ে উচ্চহারের সংক্রমণ সবসময় বলে আশঙ্কা করছিল,বাস্তবে হচ্ছেও তাই।

‌এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদের আগের দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জীবন ও জীবিকার কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা করে, সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী একটা সিদ্ধান্ত দেবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তটা আসবে আশা করছি। সূত্র: কালের কণ্ঠ