সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

করোনা আক্রান্ত রোগীকে অবশেষে পাঠানো হলো ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার::-

ঢাকা থেকে কৌশলে পালিয়ে আসা করোনা আক্রান্ত রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর বেগমপুর বগুলাপাড়ার শহিদ উদ্দিনকে অবশেষে চিকিৎসারন্যে আবারও পাঠানো হলো ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে। সাথে পাঠানো হয়েছে ছেলে রাসেল আহম্মেদ অভিকে। সেই সাথে স্ত্রীর স্যাস্পুল সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে।

জানাগেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের বেগমপুর বগুলাপাড়ার আলী হোসেনের ছেলে শহিদ উদ্দিন ৬৫ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় ঢাকায়। সেখানে তার করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। ঢাকা থেকে গত ১৮ এপ্রিল চিকিৎসকের অজান্তে ছেলে অভি কৌশলে তার বাবাকে নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষয়টি এক কান দুকান করতে করতে জানাজানি হয়ে পড়ে।

সোমবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসতাপাতালের আরএমও শামীম কবির শহিদদের বাড়িতে আসেন এবং মঙ্গলবার ঢাকাতে নেয়ার সিদ্ধান্ত দেন। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন মারুফ হাসান, আরএমও শামীম কবির, বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দ্দার, দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহাব্বুর রহমান, বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এএসআই আশরাফ, ইউপি সচিব আসাবুল হক মাসুদ তদারকি করে রোগীকে ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠান। সেই সাথে রোগীর ছেলে রাসেল আহম্মেদ অভিকে সাথে পাঠান এবং স্ত্রীর স্যাস্পুল সংগ্রহ করেন।

এদিকে করোনার বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে এলাকায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। সেই সাথে প্রশ্ন উঠে শহিদের ছেলে নিজেকে একজন প্যারামেডিকেল ডাক্তার পরিচয় দিলেও কেন ঝুকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীকে গ্রামে আনলেন। এদিকে বেগমপুরে করোনা রোগীর খবর ছড়িয়ে পড়লে দর্শনা থানা পুলিশ এবং বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ছিলো গ্রাম লকডাউন, গ্রামের কর্মহীন মানুষের তালিকা প্রস্তুত করেন। এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলাকে নিরাপদে রাখতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তারই অংশ হিসাবে কর্মহীন মানুষের খাদ্যসহায়তা প্রদান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রেখেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনা আক্রান্ত রোগীকে অবশেষে পাঠানো হলো ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে।

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার::-

ঢাকা থেকে কৌশলে পালিয়ে আসা করোনা আক্রান্ত রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর বেগমপুর বগুলাপাড়ার শহিদ উদ্দিনকে অবশেষে চিকিৎসারন্যে আবারও পাঠানো হলো ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে। সাথে পাঠানো হয়েছে ছেলে রাসেল আহম্মেদ অভিকে। সেই সাথে স্ত্রীর স্যাস্পুল সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে।

জানাগেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের বেগমপুর বগুলাপাড়ার আলী হোসেনের ছেলে শহিদ উদ্দিন ৬৫ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় ঢাকায়। সেখানে তার করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। ঢাকা থেকে গত ১৮ এপ্রিল চিকিৎসকের অজান্তে ছেলে অভি কৌশলে তার বাবাকে নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষয়টি এক কান দুকান করতে করতে জানাজানি হয়ে পড়ে।

সোমবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসতাপাতালের আরএমও শামীম কবির শহিদদের বাড়িতে আসেন এবং মঙ্গলবার ঢাকাতে নেয়ার সিদ্ধান্ত দেন। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন মারুফ হাসান, আরএমও শামীম কবির, বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দ্দার, দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহাব্বুর রহমান, বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এএসআই আশরাফ, ইউপি সচিব আসাবুল হক মাসুদ তদারকি করে রোগীকে ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠান। সেই সাথে রোগীর ছেলে রাসেল আহম্মেদ অভিকে সাথে পাঠান এবং স্ত্রীর স্যাস্পুল সংগ্রহ করেন।

এদিকে করোনার বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে এলাকায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। সেই সাথে প্রশ্ন উঠে শহিদের ছেলে নিজেকে একজন প্যারামেডিকেল ডাক্তার পরিচয় দিলেও কেন ঝুকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীকে গ্রামে আনলেন। এদিকে বেগমপুরে করোনা রোগীর খবর ছড়িয়ে পড়লে দর্শনা থানা পুলিশ এবং বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ছিলো গ্রাম লকডাউন, গ্রামের কর্মহীন মানুষের তালিকা প্রস্তুত করেন। এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলাকে নিরাপদে রাখতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তারই অংশ হিসাবে কর্মহীন মানুষের খাদ্যসহায়তা প্রদান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রেখেছেন।