সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

কক্সবাজার মহেশখালীতে পান চাষীদের কান্না দিন কাটে হতাশায়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা সাগরকন্যা মহেশখলীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে মিষ্টি পান চাষ করে, পানের সুনাম সারা বিশ্বে রয়েছে,কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে নিরব কান্না, দিন কাটাতে হয়ছে হতাশায়। উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে পান চাষ ও লবণ, কিন্তু বর্তমান এক স্থান থেকে অন্য স্থানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পানের উপযুক্ত দাম পাচ্ছে না সাধারণ পান চাষীরা। এভাবে চলতে থাকলেই চাষীদের অনাহারে দিন কাটাতে হবে, জানান বড়ো মহেশখালীর মোঃ আনচার।

লবণ ও পান চাষীরা জানান,করোনা পরিস্থিতির আগে যে পান প্রতি বিরা ৩৫০ টাকা বিক্রি করতাম সে পান এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
সুযোগ নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ীরা। তারা এক এলাকার পান আরেক এলাকায় যেতে পারছেনা বলে মনগড়া দাম দিয়ে পান কিনে নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

এক দিকে করোনার প্রভাবে সস্তা আরেক দিকে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের জিম্মি করে সস্তায় পান ক্রয়ের অভিযোগ। সাবেক মেম্বার মোঃ হাসান শরীফ জানান বিক্রেতা পান বিক্রি করে ফেলাম ৪৫০০ টাকা কিন্তুু মজুরী দিতে হবে ৩৬০০ টাকা, অবশিষ্ট টাকা গুলো দিয়ে কি সংসার চালানো সম্ভব নয়, এক কথায় আমরা করোনায় মারার আগেই অনাহারে মরে যাব।
এম ইউপি মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রনালয়, উপজেলা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, পান ও চাষীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা অথবা সুদ বিহীন ঋণের ব্যবস্থা করলে মহেশখালীর মিষ্টি পানের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে। না হয় এই মহেশখালীতে খুব তাড়াতাড়ি দূর্ভিক্ষ নেমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজার মহেশখালীতে পান চাষীদের কান্না দিন কাটে হতাশায়।

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা সাগরকন্যা মহেশখলীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে মিষ্টি পান চাষ করে, পানের সুনাম সারা বিশ্বে রয়েছে,কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে নিরব কান্না, দিন কাটাতে হয়ছে হতাশায়। উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে পান চাষ ও লবণ, কিন্তু বর্তমান এক স্থান থেকে অন্য স্থানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পানের উপযুক্ত দাম পাচ্ছে না সাধারণ পান চাষীরা। এভাবে চলতে থাকলেই চাষীদের অনাহারে দিন কাটাতে হবে, জানান বড়ো মহেশখালীর মোঃ আনচার।

লবণ ও পান চাষীরা জানান,করোনা পরিস্থিতির আগে যে পান প্রতি বিরা ৩৫০ টাকা বিক্রি করতাম সে পান এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
সুযোগ নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ীরা। তারা এক এলাকার পান আরেক এলাকায় যেতে পারছেনা বলে মনগড়া দাম দিয়ে পান কিনে নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

এক দিকে করোনার প্রভাবে সস্তা আরেক দিকে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের জিম্মি করে সস্তায় পান ক্রয়ের অভিযোগ। সাবেক মেম্বার মোঃ হাসান শরীফ জানান বিক্রেতা পান বিক্রি করে ফেলাম ৪৫০০ টাকা কিন্তুু মজুরী দিতে হবে ৩৬০০ টাকা, অবশিষ্ট টাকা গুলো দিয়ে কি সংসার চালানো সম্ভব নয়, এক কথায় আমরা করোনায় মারার আগেই অনাহারে মরে যাব।
এম ইউপি মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রনালয়, উপজেলা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, পান ও চাষীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা অথবা সুদ বিহীন ঋণের ব্যবস্থা করলে মহেশখালীর মিষ্টি পানের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে। না হয় এই মহেশখালীতে খুব তাড়াতাড়ি দূর্ভিক্ষ নেমে আসবে।