সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দেশে চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২০ ২৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দেশে চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩১ দিনের ছুটি চলছে দেশে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে মানুষকে ঘরে রাখতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। এজন্য ছুটি বাড়ানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে। তবে টানা ছুটি দেশের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। বিপুল সংখ্যক মানুষকে করেছে কর্মহীন। ছুটি আরও বাড়ানো হলে খাদ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এখন বোরো কাটার মৌসুম চলছে, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় ফসল। বোরো কৃষকের ঘরে তুলতে ছুটির কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শ্রমিক সংকটে অনেক স্থানে বোরো কাটা যাচ্ছে না। এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা কর্মকাণ্ড চালাতে না পারলে অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেক বেড়ে যাবে। আর কর্মহীন মানুষকে দীর্ঘদিন ঘরে আটকেও রাখা যাবে না।

এসব কিছু বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবেন বলে কর্মকর্তারা জানান।

স্ববাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, মানুষকে ঘরে রাখতে আমরা স্ট্রিকলি এনফোর্সমেন্ট চাই। করোনা প্রতিরোধে আমাদের প্রধান অস্ত্রই হল- আইসোলেশন এবং দূরত্ব বজায় রাখা। এটা হচ্ছে, তবে আরেকটু স্ট্রিকলি হলে সেটা ভালো হবে। তা না হলে আমরা সংক্রমণ রোধ করতে পারব না। বর্তমানে যে পরিস্থিতি তাতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। যেভাবে রোগী বাড়ছে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আমরা সুপারিশ করব।

করোনা নিয়ন্ত্রণে ছুটি কতদিন পর্যন্ত বহাল রাখতে হতে পারে- জানতে চাইলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বলেন, সেটা এখনই বলা যাবে না। সংক্রমণের ট্রেন্ড অ্যানালাইসিস করে সেটা বলতে হবে। বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করছেন, অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা দেখছেন।

ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, করোনার যা পরিস্থিতি তাতে ছুটি বাড়ানোর তো প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের তো কিছু বিষয় চিন্তা করতে হয়। এখন বোরো ধান কাটার মৌসুম। হাওরাঞ্চলসহ যে জায়গাগুলোতে বেশি বোরো হয় সেখানে কৃষক যেতে না পারলে অবস্থা খারাপ হবে। ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কী হবে জানি না, আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি।

তবে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ছুটি হয়তো আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২ মে পর্যন্ত করা হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা আসতে পারে।

করোনার কারণে প্রথমে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আরও তিন দফায় ছুটি বাড়ানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে ১১ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিল ও ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দেশে চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দেশে চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩১ দিনের ছুটি চলছে দেশে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে মানুষকে ঘরে রাখতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। এজন্য ছুটি বাড়ানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে। তবে টানা ছুটি দেশের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। বিপুল সংখ্যক মানুষকে করেছে কর্মহীন। ছুটি আরও বাড়ানো হলে খাদ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এখন বোরো কাটার মৌসুম চলছে, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় ফসল। বোরো কৃষকের ঘরে তুলতে ছুটির কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শ্রমিক সংকটে অনেক স্থানে বোরো কাটা যাচ্ছে না। এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা কর্মকাণ্ড চালাতে না পারলে অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেক বেড়ে যাবে। আর কর্মহীন মানুষকে দীর্ঘদিন ঘরে আটকেও রাখা যাবে না।

এসব কিছু বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবেন বলে কর্মকর্তারা জানান।

স্ববাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, মানুষকে ঘরে রাখতে আমরা স্ট্রিকলি এনফোর্সমেন্ট চাই। করোনা প্রতিরোধে আমাদের প্রধান অস্ত্রই হল- আইসোলেশন এবং দূরত্ব বজায় রাখা। এটা হচ্ছে, তবে আরেকটু স্ট্রিকলি হলে সেটা ভালো হবে। তা না হলে আমরা সংক্রমণ রোধ করতে পারব না। বর্তমানে যে পরিস্থিতি তাতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। যেভাবে রোগী বাড়ছে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আমরা সুপারিশ করব।

করোনা নিয়ন্ত্রণে ছুটি কতদিন পর্যন্ত বহাল রাখতে হতে পারে- জানতে চাইলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বলেন, সেটা এখনই বলা যাবে না। সংক্রমণের ট্রেন্ড অ্যানালাইসিস করে সেটা বলতে হবে। বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করছেন, অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা দেখছেন।

ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, করোনার যা পরিস্থিতি তাতে ছুটি বাড়ানোর তো প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের তো কিছু বিষয় চিন্তা করতে হয়। এখন বোরো ধান কাটার মৌসুম। হাওরাঞ্চলসহ যে জায়গাগুলোতে বেশি বোরো হয় সেখানে কৃষক যেতে না পারলে অবস্থা খারাপ হবে। ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কী হবে জানি না, আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি।

তবে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ছুটি হয়তো আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২ মে পর্যন্ত করা হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা আসতে পারে।

করোনার কারণে প্রথমে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আরও তিন দফায় ছুটি বাড়ানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে ১১ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিল ও ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ে।