সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

ঝালকাঠির চাল আত্মসাত মামলা দুদকে ফেসে গেলেন ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল রোববার রাতে ঝালকাঠির বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা মো. মনিরুজ্জামান মনিরের আগরবাড়ি গ্রামের বাড়িতে তল্লাসী চালায় নির্বাহী ম্যাজিট্রেট (এনডিসি) আহম্মেদ হাসান। এ সময় তার ঘর থেকে আড়াই টন চাল, ৪৮ টি নুরজাহান ব্রান্ডের নতুন প্লাষ্টিক বস্তা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সম্বলীত ৭ টি চটের সরকারী চালের খালী বস্তা জব্দ করা হয়। এসময় ইউপি মেম্বার মনির বাড়িতে ছিলেন না। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কে প্রধান করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক। তদন্ত শেষে চাল কেলেঙ্কারির প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এদিকে ইউপি সদস্য মনির নিজেকে নির্দোষ দাবী করে জেলা খাদ্য গুদামের একটি কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে বলেন, ইহা ত্রানের চাল নয়। এই চালের মালিক সে নিজেই। মরির জানায়, সে এমপি আমির হোসেন আমুর নামে এলাকায় বিতরণ করবেন বলে তিনি এ চাল ক্রয় করেছেন। কিন্তু তদন্ত কমিটি তাদের অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, ইহা সরকারী চাল। এবং কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পের চাল। এদিকে আ’লীগ নেতা প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান একটি (ডিইউ) কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থাপন করে বলেছেন এই চাল ২০১৯ সনের জুন মাসে জেলা খাদ্য গোডাউন থেকে সে ছাড়িয়েছে। কিন্ত তদন্ত কমিটি বলছেন ঐ কাগজের সত্যতা থাকলেও এই চাল সরকারী, ইহা ৮ মাস মেম্বারের হেফাজতে থাকতে পারেনা। ১৩ এপ্রিল বিকেলে সরকারী চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি সদস্য মনির এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দ্বায়ের করার জন্য নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক মো. জেহর আলী। এ নির্দেশের পরের দিন ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে কাবিখা’র প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ‘দেশ’কে বলেন, যেহেতু এটা সরকারী সম্পদ আত্মসাতের ঘটনা, সেহেতু এজাহারটি পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য দুর্নিতী দমন কমিশন (দুদক) এর বরিশাল কার্যালয়ে প্রেরন করে দিচ্ছি। এদিকে আ’লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরের দাবী সে সরযন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠির চাল আত্মসাত মামলা দুদকে ফেসে গেলেন ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল রোববার রাতে ঝালকাঠির বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা মো. মনিরুজ্জামান মনিরের আগরবাড়ি গ্রামের বাড়িতে তল্লাসী চালায় নির্বাহী ম্যাজিট্রেট (এনডিসি) আহম্মেদ হাসান। এ সময় তার ঘর থেকে আড়াই টন চাল, ৪৮ টি নুরজাহান ব্রান্ডের নতুন প্লাষ্টিক বস্তা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সম্বলীত ৭ টি চটের সরকারী চালের খালী বস্তা জব্দ করা হয়। এসময় ইউপি মেম্বার মনির বাড়িতে ছিলেন না। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কে প্রধান করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক। তদন্ত শেষে চাল কেলেঙ্কারির প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এদিকে ইউপি সদস্য মনির নিজেকে নির্দোষ দাবী করে জেলা খাদ্য গুদামের একটি কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে বলেন, ইহা ত্রানের চাল নয়। এই চালের মালিক সে নিজেই। মরির জানায়, সে এমপি আমির হোসেন আমুর নামে এলাকায় বিতরণ করবেন বলে তিনি এ চাল ক্রয় করেছেন। কিন্তু তদন্ত কমিটি তাদের অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, ইহা সরকারী চাল। এবং কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পের চাল। এদিকে আ’লীগ নেতা প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান একটি (ডিইউ) কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থাপন করে বলেছেন এই চাল ২০১৯ সনের জুন মাসে জেলা খাদ্য গোডাউন থেকে সে ছাড়িয়েছে। কিন্ত তদন্ত কমিটি বলছেন ঐ কাগজের সত্যতা থাকলেও এই চাল সরকারী, ইহা ৮ মাস মেম্বারের হেফাজতে থাকতে পারেনা। ১৩ এপ্রিল বিকেলে সরকারী চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি সদস্য মনির এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দ্বায়ের করার জন্য নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক মো. জেহর আলী। এ নির্দেশের পরের দিন ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে কাবিখা’র প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ‘দেশ’কে বলেন, যেহেতু এটা সরকারী সম্পদ আত্মসাতের ঘটনা, সেহেতু এজাহারটি পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য দুর্নিতী দমন কমিশন (দুদক) এর বরিশাল কার্যালয়ে প্রেরন করে দিচ্ছি। এদিকে আ’লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরের দাবী সে সরযন্ত্রের শিকার হয়েছেন।