মরা ধারী ছাগলের টাকাও বাগিয়ে নিতে চান হাউলি ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম।
- আপডেট সময় : ১১:২৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০ ২১৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা/ মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-
জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শাহ মিন্টু মারা যাওয়ার পর থেকেই মৎস্যন্যায় অবস্থা বিরাজ করছে ডুগডুগি হাট সংলগ্ন ৬ নং হাওলি ইউনিয়নে। বর্তমানে এই ইউনিয়নে দুর্নীতির আঁতুড় ঘরে পরিনত হয়েছে। পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়ীত্ব পাওয়ার পর থেকেই। নাগরিক সনদ, চারিত্রিক সনদ, জন্ম নিবন্ধনসহ, গ্রাম্য আদালতে বিচারের নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা। এলাকার জনসাধারণ ভোটার কর্মী সমর্থকরা বলছেন তিনি ক্ষমতা কু্ক্ষিগত করে এই লুটপাটের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। কেউ মৃদু প্রতিবাদ করলেই তাকে পরিষদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে ঘারে ধাক্কা দিয়ে।
সম্প্রতি অসচ্ছল ব্যক্তিদের সাবলম্বী করতে স্থানীয় সরকার ছাগল বিতরণ ও প্রতিপালনের যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাতে উল্লেখ আছে যে যদি কোনো ছাগল পালনকারীর বাড়ি থেকে কোনো ছাগল মারা যায় তাহলে পরিষদ থেকে বিনি পয়সায় পুনরায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে নতুন ও নিরোগ ছাগল হস্তান্তর করতে হবে।
ইতোমধ্যে কোষাঘাটায় বেশ কয়েকটি ছাগল মারা গেলে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজামের কাছে ছাগল দিতে বললে চেয়ারম্যান তাদেরকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। বিষয়টি জানতে চাইলে ক্ষতিগ্রস্তব্যক্তিরা মিডিয়ার সামনে ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন নিজাম চেয়ারম্যান সাফ বলে দিয়েছেন ছাগল নিতে হলে প্রত্যেক ছাগল প্রতি দু হাজার করে টাকা দক্ষিণা দিতে হবে। এ খবর আশেপাশের গ্রামে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগীরা ঝাড়ু মিছলসহ দামুড়হুদা ইউএনও বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করবেন বলেও জানান। চেয়ারম্যানের এসব অন্যায়ের কথা ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের সামনে ভিডিও ফুটেজে বিস্তারিত তুলে ধরলে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে দামুড়হুদা থানার ওসির মাধ্যমে পেন্ডিং মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা থানা ওসি বিস্তারিত শুনে এ প্রতিবেদককে বলেন তদন্ত সাপেক্ষে চেয়ারম্যান দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।


























