সংবাদ শিরোনাম ::
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে মেলার নামে জুয়া খেলা। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২০ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোবারক হোসেন,খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মাষ্টার পাড়া এলাকায় আয়োজন করা হলো ঐতিহ্যবাহী মেলা। এই মেলা প্রতিবছরই স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়ে থাকে। বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ছাড়াও দুর দুরান্ত থেকে সকল ধর্মের মানুষের এই মেলায় সমাগম ঘটে। আয়োজন করা হয় যাত্রা পালাও। বিনোদনের খোরাক হিসেবে নারী-পুরুষ, য্বুক-যুবতী এমনকি শিশুরাও এই মেলা উপভোগ করে। কিন্তু পুরো মেলার এই মহতি উদ্যোগকে ভিন্ন মোড় নেয় জুয়া খেলা (ডাব্বা) কিংবা কেসিনোর মত অবৈধ খেলার আয়োজনকে সুযোগ দিয়ে। যদিও আয়োজকরা এটি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য ডাব্বা খেলা না দিলে মেলা জমে না। এ কথার কতটুকু যুক্তি আছে, বিবেচনার ভার সচেতন মহলের কাছে।

গত রবিবার ও সোমবার (৮-৯মার্চ) মাস্টার পাড়ায় আয়োজন করা হলো এই মেলার। এই মেলাকে ঘিরে বসানো হয় ডাব্বা খেলা। মেলার প্রথম দিন প্রায় ৩৫টি ডাব্বার কোর্ড বসানো হয়। একটি সঙ্গবন্ধ জুয়া চক্র হাতিয়ে নেয় কোটি টাকা। খেলায় নি:স্ব হয় তবে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী গিয়ে অবৈধ এ খেলা বন্ধ করে দেয়। এর পরেও গোপনে চলে এ খেলা। মেলার আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল খেলার বিষয়টি না লেখার জন্য। তবে এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জানি এলাকার ক্ষতি, না বুঝে নেশায় পরে অনেকে জুয়া খেলে টাকা পয়সা হারায়।

লক্ষ্মীছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ হুমায়ুন কবির বলেন, মেলা আয়োজনের কথা শূনেছি। খবর পেয়ে মেলা প্রাঙ্গনে গেলেও কোনো জুয়া খেলা আমাদের চোখে পরেনি। পুলিশের পক্ষ হতে নিরাপত্তা যাহাতে বিগ্নিত না হয় সেইটিই নজরে রেখেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ ইকবাল বলেন, এ ধরনের মেলা আয়োজন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমোতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু আয়োজকরা সেটি করে নি। তবে জুয়া খেলার বিষয়ে কেউ অভিযোগ নিয়ে না আসলেও পরিদর্শনে গিয়ে অপ্রীতিকর কোনো কিছু দেখতে পায়নি। তবে আড়ালে হলেও হলেও এটি কোনোভাবে সমর্থন করা যায় না।

এদিকে বুধবার হাঁটের দিন ছিল ক্রেতা শুন্য। অনেকেই বলছেন মেলার জুয়া খেলার প্রভাব পড়েছে হাঁট-বাজারের উপর। আসন্ন বিজু উৎসবেও এর প্রভাব পরবে বলেও অনেকে ধারনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে মেলার নামে জুয়া খেলা। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২০

মোবারক হোসেন,খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মাষ্টার পাড়া এলাকায় আয়োজন করা হলো ঐতিহ্যবাহী মেলা। এই মেলা প্রতিবছরই স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়ে থাকে। বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ছাড়াও দুর দুরান্ত থেকে সকল ধর্মের মানুষের এই মেলায় সমাগম ঘটে। আয়োজন করা হয় যাত্রা পালাও। বিনোদনের খোরাক হিসেবে নারী-পুরুষ, য্বুক-যুবতী এমনকি শিশুরাও এই মেলা উপভোগ করে। কিন্তু পুরো মেলার এই মহতি উদ্যোগকে ভিন্ন মোড় নেয় জুয়া খেলা (ডাব্বা) কিংবা কেসিনোর মত অবৈধ খেলার আয়োজনকে সুযোগ দিয়ে। যদিও আয়োজকরা এটি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য ডাব্বা খেলা না দিলে মেলা জমে না। এ কথার কতটুকু যুক্তি আছে, বিবেচনার ভার সচেতন মহলের কাছে।

গত রবিবার ও সোমবার (৮-৯মার্চ) মাস্টার পাড়ায় আয়োজন করা হলো এই মেলার। এই মেলাকে ঘিরে বসানো হয় ডাব্বা খেলা। মেলার প্রথম দিন প্রায় ৩৫টি ডাব্বার কোর্ড বসানো হয়। একটি সঙ্গবন্ধ জুয়া চক্র হাতিয়ে নেয় কোটি টাকা। খেলায় নি:স্ব হয় তবে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী গিয়ে অবৈধ এ খেলা বন্ধ করে দেয়। এর পরেও গোপনে চলে এ খেলা। মেলার আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল খেলার বিষয়টি না লেখার জন্য। তবে এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জানি এলাকার ক্ষতি, না বুঝে নেশায় পরে অনেকে জুয়া খেলে টাকা পয়সা হারায়।

লক্ষ্মীছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ হুমায়ুন কবির বলেন, মেলা আয়োজনের কথা শূনেছি। খবর পেয়ে মেলা প্রাঙ্গনে গেলেও কোনো জুয়া খেলা আমাদের চোখে পরেনি। পুলিশের পক্ষ হতে নিরাপত্তা যাহাতে বিগ্নিত না হয় সেইটিই নজরে রেখেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ ইকবাল বলেন, এ ধরনের মেলা আয়োজন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমোতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু আয়োজকরা সেটি করে নি। তবে জুয়া খেলার বিষয়ে কেউ অভিযোগ নিয়ে না আসলেও পরিদর্শনে গিয়ে অপ্রীতিকর কোনো কিছু দেখতে পায়নি। তবে আড়ালে হলেও হলেও এটি কোনোভাবে সমর্থন করা যায় না।

এদিকে বুধবার হাঁটের দিন ছিল ক্রেতা শুন্য। অনেকেই বলছেন মেলার জুয়া খেলার প্রভাব পড়েছে হাঁট-বাজারের উপর। আসন্ন বিজু উৎসবেও এর প্রভাব পরবে বলেও অনেকে ধারনা করছেন।