সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

সাংবাদিকরা রিপোর্ট পেলেই ছাপাবে এটাই স্বাভাবিক হাইকোর্ট।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের আগেই গণমাধ্যমে কিভাবে প্রকাশ পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাগর-রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের পর বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন এ রিপোর্ট মিডিয়ায় কিভাবে গেল? হয় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বা তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে এ রিপোর্ট ছুটেছে। কোর্টে উপস্থাপনের আগেই এভাবে মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলে জনমনে এক ধরণের পারসেপশন তৈরি হয়। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার বলেন আমি সাংবাদিক ছিলাম আমি কাউকে কোনো রিপোর্ট দেইনি। ফলে আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে দেখতে পারেন না। বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন সাংবাদিকদের কাজই হল খবরের পেছনে ছুটে চলা। তারা খবর সংগ্রহ করতে ছুটবেই। আমরা তো সাংবাদিকদের কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছি না। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এভাবে রিপোর্ট প্রকাশ করা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন সাংবাদিকরা রিপোর্ট পেলেই ছাপাবে এটাই স্বাভাবিক। ওই রিপোর্টের সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনের মিল না থাকে তখন তাদের দোষারোপ বা ধরার সুযোগ থাকে। উল্লেখ্য গত সোমবার সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‌্যাবের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাংবাদিকরা রিপোর্ট পেলেই ছাপাবে এটাই স্বাভাবিক হাইকোর্ট।

আপডেট সময় : ০৫:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের আগেই গণমাধ্যমে কিভাবে প্রকাশ পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাগর-রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের পর বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন এ রিপোর্ট মিডিয়ায় কিভাবে গেল? হয় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বা তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে এ রিপোর্ট ছুটেছে। কোর্টে উপস্থাপনের আগেই এভাবে মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলে জনমনে এক ধরণের পারসেপশন তৈরি হয়। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার বলেন আমি সাংবাদিক ছিলাম আমি কাউকে কোনো রিপোর্ট দেইনি। ফলে আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে দেখতে পারেন না। বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন সাংবাদিকদের কাজই হল খবরের পেছনে ছুটে চলা। তারা খবর সংগ্রহ করতে ছুটবেই। আমরা তো সাংবাদিকদের কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছি না। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এভাবে রিপোর্ট প্রকাশ করা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন সাংবাদিকরা রিপোর্ট পেলেই ছাপাবে এটাই স্বাভাবিক। ওই রিপোর্টের সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনের মিল না থাকে তখন তাদের দোষারোপ বা ধরার সুযোগ থাকে। উল্লেখ্য গত সোমবার সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‌্যাবের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।