সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

ঝালকাঠিতে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলা মামলায় : ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে দুই জেএমবির সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী বোমা হামলা মামলায় বুধবার দুপরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক এসকে.এম. তোফায়েল হাসান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো ঝালকাঠি শহরের বিকনা এলাকার ইউনুচ মল্লিকের ছেলে জিয়াউর রহমান (জিয়া ) এবং ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার কেওতা গ্রামের মৃত মোশারফ হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান মনু জানান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বেলা ১১টা ৩০ মিঃ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের অন্যান্য স্থানের মত ঝালকাঠি শহরের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয় । বোমা হামলা ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং বরিশাল কোতয়ালী থানার বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলার আসামি আবু সোলায়মান সুজনের জবানবন্দিতে ঝালকাঠির জিয়াউর রহমান জিয়ার নাম প্রকাশ পায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গী সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। সেই বোমা হামলায় সারাদেশে দু’জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হন।

ঘটনার পরপরই সারা দেশে ১৫৯টি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি।

এর মধ্যে মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়।

এসব মামলায় ১৩০ জন এজাহারনামীয় আসামি ছিল। গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯৬১ জনকে। অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে। এসব মামলায় ৩২২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁসির দণ্ড হয়েছে ১৫ জনের। খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলা মামলায় : ২ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১১:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে দুই জেএমবির সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী বোমা হামলা মামলায় বুধবার দুপরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক এসকে.এম. তোফায়েল হাসান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো ঝালকাঠি শহরের বিকনা এলাকার ইউনুচ মল্লিকের ছেলে জিয়াউর রহমান (জিয়া ) এবং ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার কেওতা গ্রামের মৃত মোশারফ হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান মনু জানান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বেলা ১১টা ৩০ মিঃ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের অন্যান্য স্থানের মত ঝালকাঠি শহরের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয় । বোমা হামলা ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং বরিশাল কোতয়ালী থানার বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলার আসামি আবু সোলায়মান সুজনের জবানবন্দিতে ঝালকাঠির জিয়াউর রহমান জিয়ার নাম প্রকাশ পায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গী সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। সেই বোমা হামলায় সারাদেশে দু’জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হন।

ঘটনার পরপরই সারা দেশে ১৫৯টি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি।

এর মধ্যে মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়।

এসব মামলায় ১৩০ জন এজাহারনামীয় আসামি ছিল। গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯৬১ জনকে। অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে। এসব মামলায় ৩২২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁসির দণ্ড হয়েছে ১৫ জনের। খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি।