সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বড় ভাইকে গলা কেটে হত্যার পর রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে ছোট ভাই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: নাটোরের সদর উপজেলায় বড় ভাইকে গলা কেটে হত্যার পর রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ছোট ভাই। নিহত বড় ভাইয়ের নাম ওমর ফারুক।

মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার জংলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বড় ভাই ওমর ফারুক এবং তার ছোট ভাই শাজাহান দুজনেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তারা নাটোর সদর উপজেলার জংলী গ্রামের মৃত সিদ্দিকের ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দুই ভাই একসঙ্গেই থাকতেন। অসুস্থতার কারণে ওমরের স্ত্রী অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে যান। সম্প্রতি শাজাহানের স্ত্রী শাজাহানকে তালাক দেন।

শাজাহানের একটি তিন বছরের সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় ওমর ফারুক নিজেই রান্না করে ছোট ভাই শাজাহানকে খাওয়াতেন এবং দুই ভাই একত্রে বসবাস করতেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশের ওসি কাজী জালাল উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে শাজাহান ছুরি দিয়ে ওমর ফারুককে গলা কেটে হত্যা করেন।

পরে তিনি রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে বড় ভাই ওমর ফারুককে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এর পর ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। তাই কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা জানা যায়নি।

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ফারুকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বড় ভাইকে গলা কেটে হত্যার পর রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে ছোট ভাই

আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: নাটোরের সদর উপজেলায় বড় ভাইকে গলা কেটে হত্যার পর রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ছোট ভাই। নিহত বড় ভাইয়ের নাম ওমর ফারুক।

মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার জংলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বড় ভাই ওমর ফারুক এবং তার ছোট ভাই শাজাহান দুজনেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তারা নাটোর সদর উপজেলার জংলী গ্রামের মৃত সিদ্দিকের ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দুই ভাই একসঙ্গেই থাকতেন। অসুস্থতার কারণে ওমরের স্ত্রী অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে যান। সম্প্রতি শাজাহানের স্ত্রী শাজাহানকে তালাক দেন।

শাজাহানের একটি তিন বছরের সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় ওমর ফারুক নিজেই রান্না করে ছোট ভাই শাজাহানকে খাওয়াতেন এবং দুই ভাই একত্রে বসবাস করতেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশের ওসি কাজী জালাল উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে শাজাহান ছুরি দিয়ে ওমর ফারুককে গলা কেটে হত্যা করেন।

পরে তিনি রক্তমাখা ছুরি নিয়ে থানায় হাজির হয়ে বড় ভাই ওমর ফারুককে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এর পর ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। তাই কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা জানা যায়নি।

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ফারুকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।