সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

ঢাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে গুলি চালিয়ে এখন দেশব্যাপি পরিচিত আরিফুল ইসলাম গ্রেফতার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশাল অঞ্চলের কেউ তাকে চেনে না, অথচ ঢাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে গুলি চালিয়ে এখন দেশব্যাপি পরিচিত আরিফুল ইসলাম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের পিএস সাদামাঠা এই যুবককে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার পারিবারিক ও নিজ পরিচয় নিয়ে প্রথমে গোলকধাধা, পরে অবশ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইশরাক হোসেনের সাথে এই যুবকের ঘনিষ্টতা অস্বীকার করলেও পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থীর সার্বিক দেখাশোনার দায়িত্ব আরিফুলই পালন করতেন। তার বাড়ি বরিশালে নয়, পিরোজপুর জেলা সদরের সাড়িকতলা ইউনিয়নের মাথাভেড়া গ্রামে। তার গোটা পরিবার বিএনপি সমর্থিত। গত ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নুর তাপস ও ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে উভয়ের সমর্থকেরা প্রচারণায় মুখোমুখি হলে সংঘাতের একপর্যায়ে আরিফুর রহমান উপর্যুপুরি গুলিবর্ষণ করেন।

এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্যের অবতারণা ঘটে। হেলমেট পরিহিত বিশেষ পোশাকধারী একমাত্র যুবক আরিফুলের পরিচয় নিয়ে কথা ওঠে। মাথা ব্যাথা হয়ে দাড়ায় ঢাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। একপর্যায়ে ভিডিও ফুটেজের স্থিরচিত্রের সাথে তার জামা-জুতা-হেলমেট পরিহিত ছবি পাশাপাশি রেখে বিচার বিশ্লেষণে এই যুবককে শনাক্ত করা হয়। বুধবার মধ্যরাতে হাতিরঝিল মহানগর প্রজেষ্ট এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে স্বংক্রিয় পিস্তলসহ ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। প্রথমে আরিফুর রহমান সংঘাত ও গুলিবর্ষণের কথা অস্বীকার করেন। এমনকি ইশরাক হোসেনের সাথে সম্পৃক্ততাও চেপে যেতে যান। ডিবি পুলিশের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করে নেন গুলিবর্ষণের ঘটনায় সময় তার নায়কোচিত ভুমিকার কথা। যদিও মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন এখনও আরিফুল নামক ওই যুবকের তার পরিচয়ের কথা অস্বীকার করে যাচ্ছেন। নির্বাচনের শেষ লগ্নে এসে আরিফুল ইসলামকে নিয়ে বিএনপি দলীয় এই মেয়র প্রার্থী যে বিপাকে আছেন তা আভাস পাওয়া গেছে।

ঢাকা ডিবি পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, আরিফুল ইলামের সেলফোনে ইশরাক হোসেনের সাথে আন্তরিকপূর্ণ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের একত্রিত ছবি পাওয়া গেছে।

পুলিশের পাশাপাশি সূত্রগুলো অভিন্ন তথ্য দিয়ে জানায়- আরিফুল ইসলাম বিএনপির সক্রিয় কর্মী। তিনি পুরান ঢাকার একটি ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক। পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন দলীয় পোগ্রামে তাকে অগ্রভাগে দেখা যেতো। তিনি পুরান ঢাকায় বসবাস করলেও তার অগ্রজ ভাই অ্যাডভোকেট আজাদ রহমানের ঠিকানা ব্যবহার করেন। আজাদ রহমান পেশায় আইনজীবী হলেও তিনিও বিএনপি মনস্ক।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হোসেন নিশ্চিত করেন আরিফুর রহমানের গোটা পরিবার তাদের দল সমর্থিত। একসময়ে আরিফুলের বড় ভাই আজাদ পিরোজপুরের সোহওয়ারর্দী কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আরিফুলও একই কলেজ থেকে স্নাতক উত্তীর্ণ| এর পরেই তিনি ঢাকায় স্থায়ী বাসবাস শুরু করেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন বিভাগে আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার পরবর্তী ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন মিডিয়াকর্মীদের জানিয়েছিলেন- এই যুবকের বাবা শেখ মফিজুর রহমান একসময় ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ব্যক্তিগত সহকারি ছিলেন। কিন্তু পিরোজপুর বিএনপির এই তথ্যের সাথে একমত নয়। শেখ মফিজুর রহমান বহুদিন পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন।

আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে পুলিশ একধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। কারণ ওই সংঘাতে একমাত্র তিনিই অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ করেন। তবে তার কাছ থেকে উদ্ধার পিস্তল ও গুলির বৈধতা আরিফুল ইসলাম দেখাতে না পারলেও তার বৈধ বলে জোর দাবি করেছেন। ডিবি পুলিশের ভাষ্য গুলিবর্ষণের পর ওই অস্ত্রের আর কোন বৈধতা নেই।

ঘটনা সংশ্লিষ্ট ওয়ারী থানায় আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংঘাত ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রিমান্ডের আবেদন পর তাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আরও তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি লাশের রাজনীতির মাধ্যমের নির্বাচনী পরিস্থিতি গোলাটে করার কোন উদ্দেশ্যে তাকে ব্যবহার করা হয়েছিল কী না সে প্রশ্নটিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশ এখন তার বিরুদ্ধে ছায়া তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

যদ্দুর তথ্য পাওয়া গেছে- তাতে আরিফুল ইসলামের পিরোজপুর টু ঢাকা কোথাও অতীতের কোন মামলা নেই। গোয়েন্দা পুলিশের ধারনা বিএনপি রাজনীতির সম্পর্কে তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। সাদাগোছের এই যুবক ক্যাডার হিসেবে দলীয় কাজে ব্যবহৃত হতো কী না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিরোজপুরের বাসিন্দারা পত্রিকায় আরিফুল ইসলামের ছবি দেখে হতচক্কিত, কী ভাবে এই যুবক ক্যাডার রাজনীতির সাথে যুক্ত হলেন। যার পরিবার কী না শিক্ষক এবং নিরেট শান্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। কিন্তু সেই পরিবারের সদস্যই দেশব্যাপি আলোচিত।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে গুলি চালিয়ে এখন দেশব্যাপি পরিচিত আরিফুল ইসলাম গ্রেফতার।

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশাল অঞ্চলের কেউ তাকে চেনে না, অথচ ঢাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে গুলি চালিয়ে এখন দেশব্যাপি পরিচিত আরিফুল ইসলাম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের পিএস সাদামাঠা এই যুবককে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার পারিবারিক ও নিজ পরিচয় নিয়ে প্রথমে গোলকধাধা, পরে অবশ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইশরাক হোসেনের সাথে এই যুবকের ঘনিষ্টতা অস্বীকার করলেও পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থীর সার্বিক দেখাশোনার দায়িত্ব আরিফুলই পালন করতেন। তার বাড়ি বরিশালে নয়, পিরোজপুর জেলা সদরের সাড়িকতলা ইউনিয়নের মাথাভেড়া গ্রামে। তার গোটা পরিবার বিএনপি সমর্থিত। গত ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নুর তাপস ও ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে উভয়ের সমর্থকেরা প্রচারণায় মুখোমুখি হলে সংঘাতের একপর্যায়ে আরিফুর রহমান উপর্যুপুরি গুলিবর্ষণ করেন।

এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্যের অবতারণা ঘটে। হেলমেট পরিহিত বিশেষ পোশাকধারী একমাত্র যুবক আরিফুলের পরিচয় নিয়ে কথা ওঠে। মাথা ব্যাথা হয়ে দাড়ায় ঢাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। একপর্যায়ে ভিডিও ফুটেজের স্থিরচিত্রের সাথে তার জামা-জুতা-হেলমেট পরিহিত ছবি পাশাপাশি রেখে বিচার বিশ্লেষণে এই যুবককে শনাক্ত করা হয়। বুধবার মধ্যরাতে হাতিরঝিল মহানগর প্রজেষ্ট এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে স্বংক্রিয় পিস্তলসহ ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। প্রথমে আরিফুর রহমান সংঘাত ও গুলিবর্ষণের কথা অস্বীকার করেন। এমনকি ইশরাক হোসেনের সাথে সম্পৃক্ততাও চেপে যেতে যান। ডিবি পুলিশের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করে নেন গুলিবর্ষণের ঘটনায় সময় তার নায়কোচিত ভুমিকার কথা। যদিও মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন এখনও আরিফুল নামক ওই যুবকের তার পরিচয়ের কথা অস্বীকার করে যাচ্ছেন। নির্বাচনের শেষ লগ্নে এসে আরিফুল ইসলামকে নিয়ে বিএনপি দলীয় এই মেয়র প্রার্থী যে বিপাকে আছেন তা আভাস পাওয়া গেছে।

ঢাকা ডিবি পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, আরিফুল ইলামের সেলফোনে ইশরাক হোসেনের সাথে আন্তরিকপূর্ণ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের একত্রিত ছবি পাওয়া গেছে।

পুলিশের পাশাপাশি সূত্রগুলো অভিন্ন তথ্য দিয়ে জানায়- আরিফুল ইসলাম বিএনপির সক্রিয় কর্মী। তিনি পুরান ঢাকার একটি ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক। পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন দলীয় পোগ্রামে তাকে অগ্রভাগে দেখা যেতো। তিনি পুরান ঢাকায় বসবাস করলেও তার অগ্রজ ভাই অ্যাডভোকেট আজাদ রহমানের ঠিকানা ব্যবহার করেন। আজাদ রহমান পেশায় আইনজীবী হলেও তিনিও বিএনপি মনস্ক।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হোসেন নিশ্চিত করেন আরিফুর রহমানের গোটা পরিবার তাদের দল সমর্থিত। একসময়ে আরিফুলের বড় ভাই আজাদ পিরোজপুরের সোহওয়ারর্দী কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আরিফুলও একই কলেজ থেকে স্নাতক উত্তীর্ণ| এর পরেই তিনি ঢাকায় স্থায়ী বাসবাস শুরু করেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন বিভাগে আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার পরবর্তী ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন মিডিয়াকর্মীদের জানিয়েছিলেন- এই যুবকের বাবা শেখ মফিজুর রহমান একসময় ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ব্যক্তিগত সহকারি ছিলেন। কিন্তু পিরোজপুর বিএনপির এই তথ্যের সাথে একমত নয়। শেখ মফিজুর রহমান বহুদিন পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন।

আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে পুলিশ একধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। কারণ ওই সংঘাতে একমাত্র তিনিই অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ করেন। তবে তার কাছ থেকে উদ্ধার পিস্তল ও গুলির বৈধতা আরিফুল ইসলাম দেখাতে না পারলেও তার বৈধ বলে জোর দাবি করেছেন। ডিবি পুলিশের ভাষ্য গুলিবর্ষণের পর ওই অস্ত্রের আর কোন বৈধতা নেই।

ঘটনা সংশ্লিষ্ট ওয়ারী থানায় আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংঘাত ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রিমান্ডের আবেদন পর তাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আরও তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি লাশের রাজনীতির মাধ্যমের নির্বাচনী পরিস্থিতি গোলাটে করার কোন উদ্দেশ্যে তাকে ব্যবহার করা হয়েছিল কী না সে প্রশ্নটিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশ এখন তার বিরুদ্ধে ছায়া তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

যদ্দুর তথ্য পাওয়া গেছে- তাতে আরিফুল ইসলামের পিরোজপুর টু ঢাকা কোথাও অতীতের কোন মামলা নেই। গোয়েন্দা পুলিশের ধারনা বিএনপি রাজনীতির সম্পর্কে তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। সাদাগোছের এই যুবক ক্যাডার হিসেবে দলীয় কাজে ব্যবহৃত হতো কী না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিরোজপুরের বাসিন্দারা পত্রিকায় আরিফুল ইসলামের ছবি দেখে হতচক্কিত, কী ভাবে এই যুবক ক্যাডার রাজনীতির সাথে যুক্ত হলেন। যার পরিবার কী না শিক্ষক এবং নিরেট শান্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। কিন্তু সেই পরিবারের সদস্যই দেশব্যাপি আলোচিত।’