সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শীর্ষ দালাল জনি নামের ব্যক্তি বিআরটিএ অফিসের মুল কারিগর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধারাবাহিক নিউজ পর্ব ৩

চুয়াডাঙ্গায় বিআরটিএ অফিস এলাকা থেকে ফিরে ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ মিনারুল ইসলাম ও মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

তবে তার কথা আর বিআরটিএ অফিসের কর্মকান্ডে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এখানে মোটরযান আইনের নিয়মনীতি কিছুতেই মানা হয় না । ঘুষ দিলেই সব অনিয়ম এখানে নিয়মে পরিণত হয়। আবেদন করে পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে একদিনের ভেতর শিক্ষানবীশ লাইসেন্স সরবরাহের অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। উচ্চমান ম্যাকানিক্যল মোঃ ওবায়দুল রহমান এর সহযোগী শীর্ষ দালাল জনি নামের ব্যক্তি বিআরটিএ অফিসের মুল কারিগর।
একাধিক সুত্রে জানা গেছে টপ দালাল জনি বিআরটিএ অফিসে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স টেস্ট বোর্ড ও ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের সদস্য। সে সুবাদে বিআরটিএ অফিস কর্মকর্তাদের সাথে জনির সখ্যতা গড়ে উঠেন। অভিযোগ রয়েছে চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ অফিসের একজন শীর্ষ দালাল পরিণত হওয়ায় তার কথায় চলেন কর্মকর্তারা। এই জনি বিআরটিএ অফিসের কর্মচারী না হলেও অফিস সরকারী কম্পিউটার খুলে নিজেই শিক্ষানবিশ লাইসেন্স প্রিন্ট দিয়ে লাইসেন্স ইস্যু করেন। এই দালাল জনি কে টাকা দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হয় না ফরম পূরণ করতে হয় না, সত্যায়িত করতে হয় না, এমনকি আবেদনকারীর স্বাক্ষরও দিতে হয় না। সবকিছু জনি নিজেই করে দেন। তার হাতে শুধু টাকা, আবেদনকারীর ছবি দিলেই সে বানিয়ে দেন লাইসেন্স। ২০১৯ সালের বেশ কয়েকজন শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পেতে আগ্রহী গ্রার্থী আবেদন পত্র জমা দেন। কিন্তু একদিন পর তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এধরনের বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে করে সম্পূর্ণ মোটরযান আইন অমান্য করা হয়েছে। তাই সড়ক দুর্ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ অফিসে এ ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির অসংখ্য তথ্য পাওয়া গেছে। ২০ হাজার টাকা দিলেই প্রার্থীকে পাশ করিয়ে দেন, লাইসেন্স নিতে পুলিশ রিপোর্ট দরকার হয় না। দালাল জনিকে টাকা দিয়েই অনেক রোহিঙ্গা ইতিমধ্যে সরকারি ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ অফিসের অঘোষিত শাখা অফিস করেছে চুয়াডাঙ্গা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে রয়েছে দালাল জনি এর একটি জনি ফটো গ্যালারী। চুয়াডাঙ্গায় বিআরটিএ অফিস ঘিরে আরো অন্তত ১৫/২০ জনের উপর দালাল সৃষ্টি করেছে জনি। তার সাথে উপ-দালাল হিসেবে রয়েছে, কয়েকটি মোটরসাইকেল কোম্পানির শোরুমে চাকরিরত ছন্দা নাম রফি নামের এক ব্যক্তি। তিনি মোটরসাইকেল যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রার্থী সংগ্রহ করেন। চুক্তি করেই এসব লাইসেন্স অনিয়মের মাধ্যমে করিয়ে দিচ্ছে। এছাড়াও ভুঁয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়ে দেয়ারও অভিযোগ আছে। ( চলবে )

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শীর্ষ দালাল জনি নামের ব্যক্তি বিআরটিএ অফিসের মুল কারিগর।

আপডেট সময় : ০৫:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০

ধারাবাহিক নিউজ পর্ব ৩

চুয়াডাঙ্গায় বিআরটিএ অফিস এলাকা থেকে ফিরে ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোঃ মিনারুল ইসলাম ও মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা বিশেষ প্রতিনিধি::-

তবে তার কথা আর বিআরটিএ অফিসের কর্মকান্ডে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এখানে মোটরযান আইনের নিয়মনীতি কিছুতেই মানা হয় না । ঘুষ দিলেই সব অনিয়ম এখানে নিয়মে পরিণত হয়। আবেদন করে পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে একদিনের ভেতর শিক্ষানবীশ লাইসেন্স সরবরাহের অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। উচ্চমান ম্যাকানিক্যল মোঃ ওবায়দুল রহমান এর সহযোগী শীর্ষ দালাল জনি নামের ব্যক্তি বিআরটিএ অফিসের মুল কারিগর।
একাধিক সুত্রে জানা গেছে টপ দালাল জনি বিআরটিএ অফিসে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স টেস্ট বোর্ড ও ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের সদস্য। সে সুবাদে বিআরটিএ অফিস কর্মকর্তাদের সাথে জনির সখ্যতা গড়ে উঠেন। অভিযোগ রয়েছে চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ অফিসের একজন শীর্ষ দালাল পরিণত হওয়ায় তার কথায় চলেন কর্মকর্তারা। এই জনি বিআরটিএ অফিসের কর্মচারী না হলেও অফিস সরকারী কম্পিউটার খুলে নিজেই শিক্ষানবিশ লাইসেন্স প্রিন্ট দিয়ে লাইসেন্স ইস্যু করেন। এই দালাল জনি কে টাকা দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হয় না ফরম পূরণ করতে হয় না, সত্যায়িত করতে হয় না, এমনকি আবেদনকারীর স্বাক্ষরও দিতে হয় না। সবকিছু জনি নিজেই করে দেন। তার হাতে শুধু টাকা, আবেদনকারীর ছবি দিলেই সে বানিয়ে দেন লাইসেন্স। ২০১৯ সালের বেশ কয়েকজন শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পেতে আগ্রহী গ্রার্থী আবেদন পত্র জমা দেন। কিন্তু একদিন পর তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এধরনের বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে করে সম্পূর্ণ মোটরযান আইন অমান্য করা হয়েছে। তাই সড়ক দুর্ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ অফিসে এ ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির অসংখ্য তথ্য পাওয়া গেছে। ২০ হাজার টাকা দিলেই প্রার্থীকে পাশ করিয়ে দেন, লাইসেন্স নিতে পুলিশ রিপোর্ট দরকার হয় না। দালাল জনিকে টাকা দিয়েই অনেক রোহিঙ্গা ইতিমধ্যে সরকারি ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ অফিসের অঘোষিত শাখা অফিস করেছে চুয়াডাঙ্গা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে রয়েছে দালাল জনি এর একটি জনি ফটো গ্যালারী। চুয়াডাঙ্গায় বিআরটিএ অফিস ঘিরে আরো অন্তত ১৫/২০ জনের উপর দালাল সৃষ্টি করেছে জনি। তার সাথে উপ-দালাল হিসেবে রয়েছে, কয়েকটি মোটরসাইকেল কোম্পানির শোরুমে চাকরিরত ছন্দা নাম রফি নামের এক ব্যক্তি। তিনি মোটরসাইকেল যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রার্থী সংগ্রহ করেন। চুক্তি করেই এসব লাইসেন্স অনিয়মের মাধ্যমে করিয়ে দিচ্ছে। এছাড়াও ভুঁয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়ে দেয়ারও অভিযোগ আছে। ( চলবে )