সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরির নেয়ার মামলায় দুই পুলিশ সদস্য আটক। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরির নেয়ার মামলায় দুই পুলিশ সদস্য আটক হয়েছেন। বুধবার যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশ তাদের আটক করে। পাশাপাশি জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র দিয়ে পুলিশে চাকরি নেয়ার ঘটনা যাচাই বাছাই করার জন্য আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল মিনাজ হোসেন(নম্বর ৮৭৩)। তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার নাউলি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে। অপর আরেক জন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল নাসির উদ্দিন ( নম্বর ৬০৫৯ ) তিনি যশোর সদরের বলরামপুর-মাথাভাঙ্গা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে।

কোতয়ালি থানার এসআই মোকলেছুজ্জামান জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে যশোর পুলিশ লাইন মাঠে পুলিশ কনস্টেবল পদে লোক নিয়োগ করা হয়। নিয়োগ বিধির ৪ নম্বর কলামে নিয়োগকৃতরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে কাগজপত্র দাখিল করেন।

তিনি আরো বলেন, পুলিশের হেডকোয়ার্টারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবেদনে জানা যায়, তাদের দাখিলকৃত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ভুয়া। যশোর পুলিশ লাইনের আরওয়াই এম মশিউর রহমান বাদী হয়ে ৩০ডিসেম্বর কোতয়ালি থানায় আলাদা তিনটি মামলা করেন।

তিনি জানন, তদন্ত কর্মকর্তা স্বস্ব কর্মস্থলে ওই মামলার আসামিদের আটকের জন্য পত্র প্রেরণ করেছেন। তারই আলোকে আসামিদের আটকের জন্য নজরবন্দিতে রাখে তাদের ইউনিট গুলো। এক পর্যায় গত বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল নম্বর ৮৭৩ মিনাজ হোসেন এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল ৬০৫৯ নাসির উদ্দিনকে এদিন বিকেলে আটক করে তাদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র দিয়ে চাকরি নেয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুইজনকে তিনদিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরির নেয়ার মামলায় দুই পুলিশ সদস্য আটক। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরির নেয়ার মামলায় দুই পুলিশ সদস্য আটক হয়েছেন। বুধবার যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশ তাদের আটক করে। পাশাপাশি জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র দিয়ে পুলিশে চাকরি নেয়ার ঘটনা যাচাই বাছাই করার জন্য আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল মিনাজ হোসেন(নম্বর ৮৭৩)। তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার নাউলি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে। অপর আরেক জন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল নাসির উদ্দিন ( নম্বর ৬০৫৯ ) তিনি যশোর সদরের বলরামপুর-মাথাভাঙ্গা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে।

কোতয়ালি থানার এসআই মোকলেছুজ্জামান জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে যশোর পুলিশ লাইন মাঠে পুলিশ কনস্টেবল পদে লোক নিয়োগ করা হয়। নিয়োগ বিধির ৪ নম্বর কলামে নিয়োগকৃতরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে কাগজপত্র দাখিল করেন।

তিনি আরো বলেন, পুলিশের হেডকোয়ার্টারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবেদনে জানা যায়, তাদের দাখিলকৃত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ভুয়া। যশোর পুলিশ লাইনের আরওয়াই এম মশিউর রহমান বাদী হয়ে ৩০ডিসেম্বর কোতয়ালি থানায় আলাদা তিনটি মামলা করেন।

তিনি জানন, তদন্ত কর্মকর্তা স্বস্ব কর্মস্থলে ওই মামলার আসামিদের আটকের জন্য পত্র প্রেরণ করেছেন। তারই আলোকে আসামিদের আটকের জন্য নজরবন্দিতে রাখে তাদের ইউনিট গুলো। এক পর্যায় গত বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল নম্বর ৮৭৩ মিনাজ হোসেন এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল ৬০৫৯ নাসির উদ্দিনকে এদিন বিকেলে আটক করে তাদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র দিয়ে চাকরি নেয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুইজনকে তিনদিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।