সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

চুয়াডাঙ্গা গবর গাড়া গ্রামে বাবার মিথ্যা অভিযোগে সন্তান জেলে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯ ৯০৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তহিরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার::-

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের গবর গাড়া গ্রামে বাবার দেওয়া মিথ্যা অভিযোগে সন্তানকে আটক করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় পিতা আলাউদ্দিন ও তার বড় ছেলে মোঃ মারফত দীর্ঘদিন যাবৎ পারিবারিক কলহ করে আসছে। প্রায় 15 বছর আগে ছেলের বিয়ে করা নিয়ে পারিবারিকভাবেই বাবা ও ছেলের কলহ সৃষ্টি হয়।তার দুবছর পরে ছেলে মারফত মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়।তার কয়েক বছর পর বাবা আলাউদ্দিন ও মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমায়।মালয়েশিয়া থাকা অবস্থায় মারফত এর বাবা ও চাচা মিলে মারফত কে মালেশিয়া মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সেখানেও চালানো হয় মারফতের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। হাসপাতাল থেকে বের করে মালয়েশিয়ান জেলে রাখা হয় সেখানে তার উপরে চলো অমানুষিক নির্যাতন।দীর্ঘ দিন জেল খেটে 2017 সালে বাংলাদেশের ফিরে আসে মারফত।
কিন্তু ভাগ্য নির্মম পরিহাসে কোন অংশই কমেনা বাবার অত্যাচার অমানুষিক নির্যাতন।এ নিয়ে গ্রামে অনেকবার শালিসের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এতো কোনো শান্তি ফিরে আসে না।প্রতিনিয়ত চলতে থাকে বাপ ছেলের দ্বন্দ্ব কলহ। গত তিন দিন যাবত ঘরের ভিতরে বন্দী করে রাখা হয় মারফতকে। এমনকি ঠিকমত কোন খাবার দেয়া হতো না।এতে মনের ক্ষোভে গত বুধবার ঘরের ভেতর কাপড়চোপড়ে আগুন ধরায় দেয়।পরে পরিবারের লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।এমত অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এই অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ গণমাধ্যমকে জানান তার বাবা তার বিরুদ্ধে নেশা করে বাড়িতে কলহ সৃষ্টি করে এই জন্য থানায় অভিযোগ করেন।আর ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় মারফত গ্রামের ভেতর খুবই একজন ভালো ছেলে ও নিয়মিত নামাজ পড়ে কখনো কোন নেশার সাথে জড়িত নয়।তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার মুখরোচক ঘটনা নেই। কিন্তু তার বাবা ইচ্ছা করে নেশার অভিযোগ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন।এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চলতেছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য যে একজন বাবা হয়ে কি করে নিজের সন্তানকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে পাঠাতে পারে।
কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর দাবি সুষ্ঠু তদন্ত করে বাবা আলাউদ্দিন কে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার জন্য আইনের আওতায় আনা হোক। আইনের প্রতি সবার শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গা গবর গাড়া গ্রামে বাবার মিথ্যা অভিযোগে সন্তান জেলে।

আপডেট সময় : ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯

মোঃ তহিরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার::-

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের গবর গাড়া গ্রামে বাবার দেওয়া মিথ্যা অভিযোগে সন্তানকে আটক করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় পিতা আলাউদ্দিন ও তার বড় ছেলে মোঃ মারফত দীর্ঘদিন যাবৎ পারিবারিক কলহ করে আসছে। প্রায় 15 বছর আগে ছেলের বিয়ে করা নিয়ে পারিবারিকভাবেই বাবা ও ছেলের কলহ সৃষ্টি হয়।তার দুবছর পরে ছেলে মারফত মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়।তার কয়েক বছর পর বাবা আলাউদ্দিন ও মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমায়।মালয়েশিয়া থাকা অবস্থায় মারফত এর বাবা ও চাচা মিলে মারফত কে মালেশিয়া মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সেখানেও চালানো হয় মারফতের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। হাসপাতাল থেকে বের করে মালয়েশিয়ান জেলে রাখা হয় সেখানে তার উপরে চলো অমানুষিক নির্যাতন।দীর্ঘ দিন জেল খেটে 2017 সালে বাংলাদেশের ফিরে আসে মারফত।
কিন্তু ভাগ্য নির্মম পরিহাসে কোন অংশই কমেনা বাবার অত্যাচার অমানুষিক নির্যাতন।এ নিয়ে গ্রামে অনেকবার শালিসের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এতো কোনো শান্তি ফিরে আসে না।প্রতিনিয়ত চলতে থাকে বাপ ছেলের দ্বন্দ্ব কলহ। গত তিন দিন যাবত ঘরের ভিতরে বন্দী করে রাখা হয় মারফতকে। এমনকি ঠিকমত কোন খাবার দেয়া হতো না।এতে মনের ক্ষোভে গত বুধবার ঘরের ভেতর কাপড়চোপড়ে আগুন ধরায় দেয়।পরে পরিবারের লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।এমত অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এই অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ গণমাধ্যমকে জানান তার বাবা তার বিরুদ্ধে নেশা করে বাড়িতে কলহ সৃষ্টি করে এই জন্য থানায় অভিযোগ করেন।আর ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় মারফত গ্রামের ভেতর খুবই একজন ভালো ছেলে ও নিয়মিত নামাজ পড়ে কখনো কোন নেশার সাথে জড়িত নয়।তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার মুখরোচক ঘটনা নেই। কিন্তু তার বাবা ইচ্ছা করে নেশার অভিযোগ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন।এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চলতেছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য যে একজন বাবা হয়ে কি করে নিজের সন্তানকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে পাঠাতে পারে।
কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর দাবি সুষ্ঠু তদন্ত করে বাবা আলাউদ্দিন কে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার জন্য আইনের আওতায় আনা হোক। আইনের প্রতি সবার শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বাড়বে।