১১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হলেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ইরান থেকে ট্রাম্পকে বেরিয়ে আসতে পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা জীবননগরে বিএনপি- জামায়াত সংঘর্ষে বড় ভা’ইর পর আহত ছোট ভাই জামায়াত আমীরের মৃত্যু বানারীপাড়ায় কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে নারীকে মারধর ও যৌনপীড়নের অভিযোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—ইউএনও আসমা উল হুসনা। এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা তেলের প্রধান ডিপোগুলোয় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ হাদির ‘খুনি’ গ্রেফতার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে বিজেপি
বানারীপাড়ায় সাব রেজিষ্ট্রার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ।

বানারীপাড়ায় সাব রেজিষ্ট্রার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ।

নিউজ ডেক্স
বানারীপাড়ায় শেরে বাংলার চাখারের সাব রেজিষ্ট্রার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, দলিল রেজিস্ট্রি করতে প্রতি লাখ টাকায় তাকে দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়। প্রতি মাসে চাখার সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে প্রায় দুই শতাধিক দলিল রেজিষ্ট্রি হয়। এতে প্রতি মাসে তার প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ আয় হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে দলিল রেজিষ্ট্রী বাবদ সরকারের অনুকুলে প্রতি লাখে ৯ পার্সেন্ট টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও সেখানে ১৩ পার্সেন্ট নেওয়া হয়। কাগজপত্রে বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যূতির অজুহাত ও এ ব্যপারে সম্যক ধারণা না থাকায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারনে জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা আর্থিক ক্ষতির সন্মূখিন হন।দলিল লেখকরা অতিরিক্ত এ ৪ পার্সেন্ট টাকা নিয়ে দলিল প্রতি লাখে দুই হাজার টাকা করে সাব-রেজিষ্টারকে দেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক জানান।

তারা জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রধান করনিকের মাধ্যমে এ ঘুষ লেনদেন হয়। তবে নির্ধারিত হারের ওই টাকা না দিলে তিনি দলিল রেজিষ্ট্রী না করে বিভিন্ন অজুহাত দাঁড় করিয়ে ফেরত দেন বলে দলিল লেখকরা অভিযোগ করেন। অবৈধ এ ঘুষ বানিজ্য থেকে সাব-রেজিষ্টার বিশাল বিত্ত-ভৈববের মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে অফিসে যাতায়াত করেন।

এদিকে বিভিন্ন সময় সাব-রেজিষ্টারদের অসততার এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জাল-জালিয়াতি দলিলের মাধ্যমে কয়েকজন দলিল লেখক আঙ্গুল ফলে কলাগাছ বনে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে চাখার সাব-রেজিষ্টার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান।

প্রসঙ্গত সাব-রেজিষ্টার সাদিকুল ইসলাম তালুকদার নকলনবিশ থেকে করণিক হয়ে সাব-রেজিষ্টার পদে পদোন্নতী পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019