সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

উজিরপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি ভেঙ্গে গেলে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণে বেঁচে যায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯ ৩২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেক্স উজিরপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি নদীর গর্ভে সম্পুর্ন রুপে বিলিন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়টি পূজার জণ্য বন্ধ থাকায় বেঁেচ গেল শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের প্রান।

মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে গুঠিয়ার আশোয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি এলাকাবাসীর চোখের সামনে বিলিন হয়ে যায়। প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ভবনটি রক্ষার জণ্য এলকার মানুষ নানা রকমের চেষ্টা করে কোন লাভ হয়নি। ৩ মাস পূর্বে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন কালে ওই ভবনটি সচোখে দেখে তাৎক্ষনিক ভাবে ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জণ্য নির্দেশ দিলে ২ মাস আগে ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভাঙ্গনরোধে অস্থায়ী প্রকল্পর মাধ্যমে ঠিকাদার ৪৩ শত বস্তা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফালানো হয়।

জানা যায়, সিডরের পরে ঐ ভাঙ্গন কবলিত আশোয়ার গ্রামের মানুষের আশ্রয়ার্থে ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে ১ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবনটি নির্মান করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে সন্ধ্যা নদীর ভয়াভহ করাল গ্রাসে কবলে পরে হানুয়া ও আশোয়ার গ্রামের প্রায় ২ শত পরিবার নদী গর্ভে সব হারিয়ে নিশ্ব হয়ে যায়। গত ২ বছর ধরে অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে পরে বিদ্যালয়টি।

কয়েকদিন ধরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা তাদের প্রানপ্রিয় বিদ্যায়লটি রক্ষার জন্য মানবন্ধন কর্মসুচিও পালন করেছিল।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোসলেম আলি হাওলাদার জানিয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে তার চোখের সামনে প্রানপ্রিয় বিদ্যালয়টি নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ের ভিতরের মালামাল গুলো জীবনের ঝুকি নিয়ে এলাকার মানুষ আংশিক উদ্ধার করলেও ভবনটি এখন নদীর মধ্যে।

ঐ গ্রামের গৃহবধু রাবেয়া বেগম জানান, গত কয়েক বছর ধরে নদী ভাঙ্গন আমাদের বাড়ী ঘর গ্রাস করে নিলেও আমরা প্রায়ই সাইক্লোন সেল্টারটিতে আশ্রয় নিয়েছি। সর্বশেষ আশ্রয় কেন্দ্রটিও নদী ভাঙ্গনে বিলিন হওয়ায় আমরা এখন নিশ্ব। ভবিষ্যতে ঝড় বন্যায় কোথায় আশ্রয় নিবো তা ভেবে পাচ্ছিনা। মনে হয় আজ থেকে আশ্রয়হীন হয়ে পরেছি।

স্থানীয় নাজিম খলিফা,আবুল হোসেন ফকির,জহির হাওলাদার ক্ষোভের সহিত অভিযোগ করে বলেন বিদ্যালয়টি রক্ষার জণ্য সরকারি সর্বশেষ প্রচেষ্টা জিও ব্যাগগুলি ভাঙ্গন কবলিত স্থানে না ফেলে কোন মতে দায় সাড়া ভাবে মাটির উপরে ফালানোর কারনে দ্রুত বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

উপেজেলা শিক্ষা অফিসার তাসলিমা বেগম জানান, বিষয়টি শুনেছি আমরা অত্যান্ত মর্মাহত। বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

উজিরপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি ভেঙ্গে গেলে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণে বেঁচে যায়

আপডেট সময় : ০২:০০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেক্স উজিরপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি নদীর গর্ভে সম্পুর্ন রুপে বিলিন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়টি পূজার জণ্য বন্ধ থাকায় বেঁেচ গেল শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের প্রান।

মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে গুঠিয়ার আশোয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারটি এলাকাবাসীর চোখের সামনে বিলিন হয়ে যায়। প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ভবনটি রক্ষার জণ্য এলকার মানুষ নানা রকমের চেষ্টা করে কোন লাভ হয়নি। ৩ মাস পূর্বে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন কালে ওই ভবনটি সচোখে দেখে তাৎক্ষনিক ভাবে ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জণ্য নির্দেশ দিলে ২ মাস আগে ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভাঙ্গনরোধে অস্থায়ী প্রকল্পর মাধ্যমে ঠিকাদার ৪৩ শত বস্তা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফালানো হয়।

জানা যায়, সিডরের পরে ঐ ভাঙ্গন কবলিত আশোয়ার গ্রামের মানুষের আশ্রয়ার্থে ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে ১ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবনটি নির্মান করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে সন্ধ্যা নদীর ভয়াভহ করাল গ্রাসে কবলে পরে হানুয়া ও আশোয়ার গ্রামের প্রায় ২ শত পরিবার নদী গর্ভে সব হারিয়ে নিশ্ব হয়ে যায়। গত ২ বছর ধরে অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে পরে বিদ্যালয়টি।

কয়েকদিন ধরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা তাদের প্রানপ্রিয় বিদ্যায়লটি রক্ষার জন্য মানবন্ধন কর্মসুচিও পালন করেছিল।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোসলেম আলি হাওলাদার জানিয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে তার চোখের সামনে প্রানপ্রিয় বিদ্যালয়টি নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ের ভিতরের মালামাল গুলো জীবনের ঝুকি নিয়ে এলাকার মানুষ আংশিক উদ্ধার করলেও ভবনটি এখন নদীর মধ্যে।

ঐ গ্রামের গৃহবধু রাবেয়া বেগম জানান, গত কয়েক বছর ধরে নদী ভাঙ্গন আমাদের বাড়ী ঘর গ্রাস করে নিলেও আমরা প্রায়ই সাইক্লোন সেল্টারটিতে আশ্রয় নিয়েছি। সর্বশেষ আশ্রয় কেন্দ্রটিও নদী ভাঙ্গনে বিলিন হওয়ায় আমরা এখন নিশ্ব। ভবিষ্যতে ঝড় বন্যায় কোথায় আশ্রয় নিবো তা ভেবে পাচ্ছিনা। মনে হয় আজ থেকে আশ্রয়হীন হয়ে পরেছি।

স্থানীয় নাজিম খলিফা,আবুল হোসেন ফকির,জহির হাওলাদার ক্ষোভের সহিত অভিযোগ করে বলেন বিদ্যালয়টি রক্ষার জণ্য সরকারি সর্বশেষ প্রচেষ্টা জিও ব্যাগগুলি ভাঙ্গন কবলিত স্থানে না ফেলে কোন মতে দায় সাড়া ভাবে মাটির উপরে ফালানোর কারনে দ্রুত বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

উপেজেলা শিক্ষা অফিসার তাসলিমা বেগম জানান, বিষয়টি শুনেছি আমরা অত্যান্ত মর্মাহত। বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।