সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বিরামপুর হাজির হোটেলে প্রতি বৃহস্পতিবারে বিনামূল্যে খাবার খান ২০০অসহায় ক্ষুধার্থ মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
বিরামপুর উপজেলার পল্লবী মোড়ে অবস্থিত হাজির হোটেল প্রতি বৃহস্পতিবার গড়ে ১৫০শ থেকে ২০০শ অসহায়, গরিব, এতিম ক্ষুধার্থদের বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান হোটেল মালিক বেলাল হোসেন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় নিজের ব্যবসার একটি অংশ দিয়েই চালাচ্ছেন এই মেহমান খানা। এমন উদ্যোগে খুশি দিনমজুর, গরিব ও ক্ষুধার্থ মানুষ।

কয়েক বছর আগে একটি হোটেল থেকে খাবার না দিয়ে একজন পাগল ফকিরকে বের করে দিতে দেখে গরিব, অসহায় ও ভিখারীদের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জন্মে তার মনে। নিজের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে প্রতি বৃহস্পতিবার গরিব অসহায়দের জন্য বিনামূল্যে খাবারের এই উদ্যোগ চালু করেন তিনি।
আট মাস আগে প্রতি বৃহস্পতিবার ৫০ জনের খাওয়ানোর চিন্তা নিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ১৫০শ থেকে ২০০শ মানুষ বিনামূল্যে খাওয়ানো হয় এই হোটেলে।
এমন মহৎ কাজের উদোক্তা বেলাল হোসেন জানান, জীবনের শুরুতে অনেক কষ্ট করেছেন তিনি। চাকুরির কিছু টাকা সঞ্চয় করে ছোট পরিসরে চালু করেন নিজের এই হোটেল ব্যবসা গরিব-দুঃখী অসহায় ক্ষুধার্ত মানুষের কথা চিন্তা করে সপ্তাহে একটি দিন অন্তত যাতে তারা ভালো খেতে পারে সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা।
তিনি বলেন, আমি লোক দেখানোর জন্য এগুলো কিছু করি না আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গরিব, অসহায়, ফকিরদের জন্য এই খাবারের ব্যবস্থা করি এই কাজে আমি কারো সহযোগিতা নিই না। হোটেলে যদি ৫শ মানুষও আসে আমি তাদের খাওয়াবো ইনশাআল্লাহ।
এ বিষয়ে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বলেন, বেলাল হোসেনের এমন উদ্যোগটি ইতোমধ্যে উপজেলায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তার এমন কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাই। তার কারণে আমাদের এলাকার অনেক অসহায় গরিব ও ক্ষুধার্থ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একদিন ভালো খাবার খেতে পারছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুর হাজির হোটেলে প্রতি বৃহস্পতিবারে বিনামূল্যে খাবার খান ২০০অসহায় ক্ষুধার্থ মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
বিরামপুর উপজেলার পল্লবী মোড়ে অবস্থিত হাজির হোটেল প্রতি বৃহস্পতিবার গড়ে ১৫০শ থেকে ২০০শ অসহায়, গরিব, এতিম ক্ষুধার্থদের বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান হোটেল মালিক বেলাল হোসেন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় নিজের ব্যবসার একটি অংশ দিয়েই চালাচ্ছেন এই মেহমান খানা। এমন উদ্যোগে খুশি দিনমজুর, গরিব ও ক্ষুধার্থ মানুষ।

কয়েক বছর আগে একটি হোটেল থেকে খাবার না দিয়ে একজন পাগল ফকিরকে বের করে দিতে দেখে গরিব, অসহায় ও ভিখারীদের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জন্মে তার মনে। নিজের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে প্রতি বৃহস্পতিবার গরিব অসহায়দের জন্য বিনামূল্যে খাবারের এই উদ্যোগ চালু করেন তিনি।
আট মাস আগে প্রতি বৃহস্পতিবার ৫০ জনের খাওয়ানোর চিন্তা নিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ১৫০শ থেকে ২০০শ মানুষ বিনামূল্যে খাওয়ানো হয় এই হোটেলে।
এমন মহৎ কাজের উদোক্তা বেলাল হোসেন জানান, জীবনের শুরুতে অনেক কষ্ট করেছেন তিনি। চাকুরির কিছু টাকা সঞ্চয় করে ছোট পরিসরে চালু করেন নিজের এই হোটেল ব্যবসা গরিব-দুঃখী অসহায় ক্ষুধার্ত মানুষের কথা চিন্তা করে সপ্তাহে একটি দিন অন্তত যাতে তারা ভালো খেতে পারে সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা।
তিনি বলেন, আমি লোক দেখানোর জন্য এগুলো কিছু করি না আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গরিব, অসহায়, ফকিরদের জন্য এই খাবারের ব্যবস্থা করি এই কাজে আমি কারো সহযোগিতা নিই না। হোটেলে যদি ৫শ মানুষও আসে আমি তাদের খাওয়াবো ইনশাআল্লাহ।
এ বিষয়ে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বলেন, বেলাল হোসেনের এমন উদ্যোগটি ইতোমধ্যে উপজেলায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তার এমন কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাই। তার কারণে আমাদের এলাকার অনেক অসহায় গরিব ও ক্ষুধার্থ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একদিন ভালো খাবার খেতে পারছে।