সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

মার্কিন ভিসানীতি পরোয়া করে না আওয়ামী লীগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন ভিসানীতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতির দায় সরকারের নয়, যারা নির্বাচনে বাধা দিয়েছিল তাদের জন্য। তবে ভিসানীতি ও নিষেধাজ্ঞার পরোয়া করে না আওয়ামী লীগ।

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। এরপর রাত ৭টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই সেলফিতেই রাজনীতির ফয়সালা হয়ে গেছে। দুই সেলফির পরেই বিএনপির ঘুম হারাম।

তিনি আরও বলেন, ভিসানীতি নিয়ে বর্তমান সরকার পরোয়া করে না। শান্তিপূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চায় আওয়ামী লীগ সরকার। অবাধ শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন যারা চায়, তাদের ভিসানীতি নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। যারা নির্বাচন চায় না, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের আন্দোলনের ১২টা বেজে গেছে, তারা এখন হতাশা থেকে সবকিছুতেই ইস্যু কিংবা আনন্দ খুঁজে বেড়াচ্ছে। ভিসানীতির বাস্তবায়নের বাস্তবতা দেখা যাবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ চায় বিএনপিসহ সবাই নির্বাচনে আসুক। তবে নির্বাচনবিরোধী সব কিছু জনগণ প্রতিহত করবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নিয়মে নির্বাচন হবে, ভোট দেবে দেশের জনগণ। এখানে কেউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কিনা সেটি তাদের বিষয়, কেউ আসলে তাদের সহায়তা করা হবে। গণতান্ত্রিক কোনো দেশ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না সেটা তাদের বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মার্কিন ভিসানীতি পরোয়া করে না আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় : ০২:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন ভিসানীতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতির দায় সরকারের নয়, যারা নির্বাচনে বাধা দিয়েছিল তাদের জন্য। তবে ভিসানীতি ও নিষেধাজ্ঞার পরোয়া করে না আওয়ামী লীগ।

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। এরপর রাত ৭টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই সেলফিতেই রাজনীতির ফয়সালা হয়ে গেছে। দুই সেলফির পরেই বিএনপির ঘুম হারাম।

তিনি আরও বলেন, ভিসানীতি নিয়ে বর্তমান সরকার পরোয়া করে না। শান্তিপূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চায় আওয়ামী লীগ সরকার। অবাধ শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন যারা চায়, তাদের ভিসানীতি নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। যারা নির্বাচন চায় না, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের আন্দোলনের ১২টা বেজে গেছে, তারা এখন হতাশা থেকে সবকিছুতেই ইস্যু কিংবা আনন্দ খুঁজে বেড়াচ্ছে। ভিসানীতির বাস্তবায়নের বাস্তবতা দেখা যাবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ চায় বিএনপিসহ সবাই নির্বাচনে আসুক। তবে নির্বাচনবিরোধী সব কিছু জনগণ প্রতিহত করবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নিয়মে নির্বাচন হবে, ভোট দেবে দেশের জনগণ। এখানে কেউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কিনা সেটি তাদের বিষয়, কেউ আসলে তাদের সহায়তা করা হবে। গণতান্ত্রিক কোনো দেশ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না সেটা তাদের বিষয়।