সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

কলেজ শিক্ষকের অবহেলায় চুরান্ত পরীক্ষা দিতে পারলো না ডিগ্রি ২য় বর্ষের দু’শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২ ১০১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির নলছিটিতে শিক্ষকের অবহেলায় মো. হৃদয় হোসেন ও মো. জান্নাতুল নাঈম নামে দুই ডিগ্রি পরীক্ষার্থী চলতি ২য় বর্ষের পরীক্ষা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। নলছিটির মোল্লারহাট জেড.এ ভুট্টো ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ আইয়ুব আলী তালুকদার ও শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। হৃদয় উপজেলার দক্ষিণ কামদেবপুর গ্রামের মো. বশির উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে এবং জান্নাতুল নাঈম মো. নান্না মিয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের কাছে অভিযোগ করেছে ওই দুই শিক্ষার্থী। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান, ঝালকাঠির অতি: জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. কামাল হোসেন ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো.সিদ্দিকুর রহমানের কাছেও ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ উল্টো অভিযোগ করেছে, দুই শিক্ষার্থী নিজ ভুলের কারণে এঅবস্থার শিকার হয়েছে, এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ দায়ি নয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যক্ষের নির্দেশে শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের কাছে ফরম পূরণের জন্য সাড়ে ৩ হাজার করে মোট ৭ হাজার টাকা জমা দেন তারা। পরীক্ষার আগের দিন প্রবেশপত্র আনতে গেলে শিক্ষক পংকজ কুমার জানান, তাদের ‘ফরম পূরণ হয়নি। তাই প্রবেশপত্র আসেনি।”ফরম পূরণ না হয়ে থাকলে আমাদের জানানো বা টাকা ফেরৎ দেয়া হয়নি কেনো জানতে চাইলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

তারা বিষয়টি নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ আইয়ুব আলীর কাছে গেলে তিনি এনিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে আগামী বছর পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দেন। শিক্ষা জীবনের একটি বছর হারিয়ে ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন। পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি নিয়েও কলেজ অধ্যক্ষ ও পংকজ স্যারের কারণে পরীক্ষা দিতে পারলামনা। কে আমাদের জীবনের একটি বছর ফিরিয়ে দেবে ? বর্তমানে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে ওই দুই শিক্ষার্থী পড়ালেখাও অনিশ্চিত হয়ে পরবে বলে তারা জানিয়েছে।

দুই শিক্ষার্থীর ফরম পূরনে ৭হাজার টাকা হজমকারী শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি লাইন কেটে দেন। এরপর থেকে এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে অভিযোগের ব্যাপারে জেড.এ ভূট্টো ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আইয়ুব আলী তালুকদার বলেন, অনলাইনে আবেদন করার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের। ওদের ব্যর্থতার কারণে প্রবেশপত্র আসেনি। তাহলে ফরম পূরনের ৭ হাজার টাকা ফেরত দেননি কেনো জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার বলেন, প্রবেশপত্র না পাওয়া ওই শিক্ষার্থীরা আমার অফিসে এসে মোখিক অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কলেজ শিক্ষকের অবহেলায় চুরান্ত পরীক্ষা দিতে পারলো না ডিগ্রি ২য় বর্ষের দু’শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির নলছিটিতে শিক্ষকের অবহেলায় মো. হৃদয় হোসেন ও মো. জান্নাতুল নাঈম নামে দুই ডিগ্রি পরীক্ষার্থী চলতি ২য় বর্ষের পরীক্ষা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। নলছিটির মোল্লারহাট জেড.এ ভুট্টো ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ আইয়ুব আলী তালুকদার ও শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। হৃদয় উপজেলার দক্ষিণ কামদেবপুর গ্রামের মো. বশির উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে এবং জান্নাতুল নাঈম মো. নান্না মিয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের কাছে অভিযোগ করেছে ওই দুই শিক্ষার্থী। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান, ঝালকাঠির অতি: জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. কামাল হোসেন ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো.সিদ্দিকুর রহমানের কাছেও ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ উল্টো অভিযোগ করেছে, দুই শিক্ষার্থী নিজ ভুলের কারণে এঅবস্থার শিকার হয়েছে, এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ দায়ি নয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যক্ষের নির্দেশে শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের কাছে ফরম পূরণের জন্য সাড়ে ৩ হাজার করে মোট ৭ হাজার টাকা জমা দেন তারা। পরীক্ষার আগের দিন প্রবেশপত্র আনতে গেলে শিক্ষক পংকজ কুমার জানান, তাদের ‘ফরম পূরণ হয়নি। তাই প্রবেশপত্র আসেনি।”ফরম পূরণ না হয়ে থাকলে আমাদের জানানো বা টাকা ফেরৎ দেয়া হয়নি কেনো জানতে চাইলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

তারা বিষয়টি নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ আইয়ুব আলীর কাছে গেলে তিনি এনিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে আগামী বছর পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দেন। শিক্ষা জীবনের একটি বছর হারিয়ে ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন। পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি নিয়েও কলেজ অধ্যক্ষ ও পংকজ স্যারের কারণে পরীক্ষা দিতে পারলামনা। কে আমাদের জীবনের একটি বছর ফিরিয়ে দেবে ? বর্তমানে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে ওই দুই শিক্ষার্থী পড়ালেখাও অনিশ্চিত হয়ে পরবে বলে তারা জানিয়েছে।

দুই শিক্ষার্থীর ফরম পূরনে ৭হাজার টাকা হজমকারী শিক্ষক পংকজ কুমার সিকদারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি লাইন কেটে দেন। এরপর থেকে এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে অভিযোগের ব্যাপারে জেড.এ ভূট্টো ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আইয়ুব আলী তালুকদার বলেন, অনলাইনে আবেদন করার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের। ওদের ব্যর্থতার কারণে প্রবেশপত্র আসেনি। তাহলে ফরম পূরনের ৭ হাজার টাকা ফেরত দেননি কেনো জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার বলেন, প্রবেশপত্র না পাওয়া ওই শিক্ষার্থীরা আমার অফিসে এসে মোখিক অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।