সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি

বরিশালে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সেলিম মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স :বরিশালে শারীরিক প্রতিবন্ধী সেলিম মিয়া ২০১৮ সালে দেশের সফল প্রতিবন্ধী হিসাবে পুরস্কৃত হন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করেন পুরস্কার।

কিন্তু করোনা তার জীবনে হানা দিয়েছে। করোনার প্রভাবে ছোট্ট ব্যবসা চালু রাখতে না পারায় দেনায় জর্জরিত হয়ে ছাড়তে হয়েছে ব্যবসা।

শারীরিক অসুস্থতাও চেপে ধরে তাকে। উপার্জনের সব রাস্তা যখন বন্ধ হয়ে গেছে ঠিক তখনই তার পাশে এসে দাঁড়িয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অধিদফতর।

সেলিম মিয়া সরকারী একটি ঘর (প্রধানমন্ত্রীর উপহার), খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরে ৮ আগস্ট রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী এবং নগদ ৫ হাজার টাকা তুলে দেন সেলিম মিয়ার হাতে।

এসময় সেলিম মিয়ার যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব নেন জেলা প্রশাসক।

নগরীর ফকির বাড়ি রোডের বাসিন্দা সেলিম মিয়া। বরিশাল সমাজ সেবার সহযোগিতায় ২০১৫ সালে একটি দোকান খুলে পরে সেখান থেকে ছোট আকারে খাবার হোটেল খোলেন সেখানে দ্বিতীয় স্ত্রী ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

কিন্তু করোনা কালীন নিষেধাজ্ঞায় খাবার হোটেল খুলতে না পারায় দেনায় জর্জরিত হয়ে ছাড়তে হয়েছে ব্যবসা।

সেলিম মিয়া শারিরিক ভাবে খুবই অসুস্থ। দুই ছেলে থাকলেও কেউ তার খবর নেয় না।

প্রথম স্ত্রীও ছেড়ে চলে গেছে অনেক আগে। বৃদ্ধ মাকে নিয়ে ফকির বাড়ি এলাকায় ভাড়া থাকে। কিন্তু তার এখন উপার্জন ক্ষমতা নেই। ঘর ভাড়া দিয়ে থাকা সম্ভব হচ্ছেনা তার পক্ষে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সেলিম মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসক।

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স :বরিশালে শারীরিক প্রতিবন্ধী সেলিম মিয়া ২০১৮ সালে দেশের সফল প্রতিবন্ধী হিসাবে পুরস্কৃত হন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করেন পুরস্কার।

কিন্তু করোনা তার জীবনে হানা দিয়েছে। করোনার প্রভাবে ছোট্ট ব্যবসা চালু রাখতে না পারায় দেনায় জর্জরিত হয়ে ছাড়তে হয়েছে ব্যবসা।

শারীরিক অসুস্থতাও চেপে ধরে তাকে। উপার্জনের সব রাস্তা যখন বন্ধ হয়ে গেছে ঠিক তখনই তার পাশে এসে দাঁড়িয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অধিদফতর।

সেলিম মিয়া সরকারী একটি ঘর (প্রধানমন্ত্রীর উপহার), খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরে ৮ আগস্ট রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী এবং নগদ ৫ হাজার টাকা তুলে দেন সেলিম মিয়ার হাতে।

এসময় সেলিম মিয়ার যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব নেন জেলা প্রশাসক।

নগরীর ফকির বাড়ি রোডের বাসিন্দা সেলিম মিয়া। বরিশাল সমাজ সেবার সহযোগিতায় ২০১৫ সালে একটি দোকান খুলে পরে সেখান থেকে ছোট আকারে খাবার হোটেল খোলেন সেখানে দ্বিতীয় স্ত্রী ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

কিন্তু করোনা কালীন নিষেধাজ্ঞায় খাবার হোটেল খুলতে না পারায় দেনায় জর্জরিত হয়ে ছাড়তে হয়েছে ব্যবসা।

সেলিম মিয়া শারিরিক ভাবে খুবই অসুস্থ। দুই ছেলে থাকলেও কেউ তার খবর নেয় না।

প্রথম স্ত্রীও ছেড়ে চলে গেছে অনেক আগে। বৃদ্ধ মাকে নিয়ে ফকির বাড়ি এলাকায় ভাড়া থাকে। কিন্তু তার এখন উপার্জন ক্ষমতা নেই। ঘর ভাড়া দিয়ে থাকা সম্ভব হচ্ছেনা তার পক্ষে।