বানারীপাড়ায় বিদ্যালয়ের মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় ফ্লিমি স্টাইলে ধাওয়া করে শিশু সহ তিনজনকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০১:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০ ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি\ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কচুয়া গ্রামের পশ্চিম কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে ফ্লিমি স্টাইলে শিশু সহ একই পরিবারের ৩ জনকে ধাওয়া করে ঘরে অবরুদ্ধ করে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যপারে রেখা বেগম নামের এক ভুক্তভোগি বাদী হয়ে বানারীপাড়া থানায় ১৫ এপ্রিল একই এলাকার মো. সিরাজুল ইসলাম মাসুম (৪৫),মাইনুল ইসলাম মামুন (৪০),লতিফ মল্লিক (৫০),কহিনুর বেগম (৩৮),সিমু বেগম (৪৮),মাহিনুর বেগম (৪০) সহ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই সূত্রে জানা গেছে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাটি জোর পূর্বক কাটতে ছিলো বিবাদীরা। এ সময় বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মো. সাইফুল ইসলাম মাটি কাটতে দেখে বিষয়টি বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন কলি বেগমকে জানান। তিনি এসে বিদ্যালয়ের মাটি কাটতে নিষেধ করেন। এতে অফিস সহায়ক সাইফুল ইসলামের ওপরে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে অভিযুক্ত’রা। এ সময় সাইফুলের স্ত্রী রেখা বেগম গালাগাল করতে বারণ করা মাত্রই অভিযুক্তরা তাদের হাতে থাকা মাটি কাটার খোন্তা ও কোদাল নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। বিবাদীরা যখন সাইফুল ও তার স্ত্রীকে দাওয়া করে তখন তাদের ১২ বছরের মেয়ে তারিন মা-বাবার চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বেড় হলে তাকেও তারা ধাওয়া করে । ধাওয়া খেয়ে তারিনের মা-বাবা আশ্রয় নেয় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন কলি বেগমের ঘরে ও তারিন আশ্রয় নেয় তার চাচা কবির হোসেনের ঘরে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে,সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রী ও মেয়েকে ধাওয়া করে ঘরে আটকিয়ে রাখার পরে বিবাদী সিরাজুল ইসলাম মাসুম তার শ্বশুরবাড়ি বানারীপাড়ায় খবর দিয়ে প্রায় ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রæপ বেলা ১১ টার সময় কচুয়া গ্রামের ঘনটাস্থলে নিয়ে আসে। তবে এই সন্ত্রাসী গ্রæপটি এক হয়ে সন্ধ্যা নদী অতিক্রম করেনি লক ডাউনের কারনে তারা ভাগ হয়ে ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হয়। তারা এসে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং সাইফুল ও তার স্ত্রী রেখা বেগমকে ঘর থেকে বের করে দিতে বলে এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তাদেরকে অবরুদ্ধ রাখে রাখা হয় ওই ঘরে। বেলা ১১ টার সময় সন্ত্রাসী গ্রæপটি আসার পর থেকে তাদের সম্পূর্ণ কার্যকলাপ ঘরের ভিতর থেকে রেখা বেগম তার মুঠোফোনে


























