বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ০৪:৪১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে পৃথক পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক নির্মূলে বিরামপুর থানার চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার (৭ জুন ২০২৬) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চারজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।অভিযানের প্রথম পর্যায়ে রাত ৭টা ১০ মিনিটে উপজেলার ২ নম্বর কাটলা ইউনিয়নের হাসপাতাল মোড় কাটলা বাজার থেকে শৈলেনগামী পাকা রাস্তার উত্তর পাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উত্তর কাটলা (অভিরামপুর) গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রমজান আলী (৫৫)-কে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে রাত ১০টা ১০ মিনিটে বিরামপুর পৌরসভার শান্তিনগর চকপাড়া এলাকার নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোছাঃ মনোয়ারা ওরফে মনো (৪০)-কে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তার হেফাজত থেকে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।একই রাতে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে মুকুন্দপুর ইউনিয়নের পলিখাঁপুর (পাঁচআনা) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শাফিকুল ইসলাম ওরফে শাপলু (৩৫)-কে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।এরপর রাত ১১টা ৩০ মিনিটে শান্তিনগর চকপাড়া এলাকায় আরেকটি অভিযানে মোছাঃ মনোয়ারা বেগম (৬০)-কে তার বসতবাড়ির সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারি ও মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের সহযোগিতায় মাদকের বিস্তার রোধে আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। পুলিশের সাম্প্রতিক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

























