সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা ও পাশে ভারত থেকে আনা অবৈধ সুতার বান্ডিল।
- আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আজিজুল হক (সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি): সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বালসাবাড়ী এলাকায় এ হামলার শিকার হন পাঁচ সাংবাদিক। সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের মারধরসহ ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় উল্লাপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ওই এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের কাজে যান দৈনিক কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি মো. আতাউর রহমান রাজু, দৈনিক শ্যামল বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি মো. তুহিন আলম, এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিনিধি মো. আল আমিন হোসেন, গ্রীন টেলিভিশনের প্রতিনিধি মো. আরিফুল ইসলাম এবং রাজধানী টেলিভিশনের অপর প্রতিনিধি মো. মনিরুল ইসলাম।
এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আল আমিন জোয়ারদ্দার ও মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাদের সাথে থাকা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। সন্ত্রাসীদের শারীরিক আঘাতে দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি আতাউর রহমান রাজু এবং দৈনিক শ্যামল বাংলার প্রতিনিধি তুহিন আলম গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে উল্লাপাড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।
আক্রান্ত সাংবাদিক আতাউর রহমান রাজু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের ওপর অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। এভাবে হামলা হলে আমরা স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করব কীভাবে? আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করছি।’
ঘটনাস্থলে যাওয়া উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।
উল্লাপাড়া থানা সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করেছে।

























