সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

বরিশালের হলিমা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসা শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় কথিত মামলার বাদী মোঃ সেকান্দার আলী,সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির আদেশ প্রধান করেছেন ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার।

৫ জনের মধ্যে মিথ্যা মামলার বাদী সেকান্দার আলী এবং মিথ্যা মামলায় সহযোগিতার জন্য সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টে সত্যতা পাওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেন।

২০২৪ সালের ৬ মে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ শিক্ষার্থী কথিত অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হলে তারা একটি মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট প্রদান করেন।এর পরে শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে বরখাস্ত করেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষক মাইদুলকে বরখাস্ত করেই থেমে থাকেননি স্কুলটির কোচিং বানিজ্যকারীরা।তারা এক শিক্ষার্থীর আত্মীয়কে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে ভুয়া একটি মামলা দায়ের করান। ট্রাইব্যুনাল মামলাটি পিবিআইতে তদন্তের জন্য প্রেরন করেন।পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বাশার তদন্ত রিপোর্টে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী সেকান্দার আলীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করেন।পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে শিক্ষক মাইদুল ইসলাম পুনরায় তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ পেয়ে তদন্ত করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা।সম্প্রতি ট্রাইব্যুনালে ১৪ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিন করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা শেষে উপরোক্ত আদেশ প্রদান করেন।

শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন,আমার বিরুদ্ধে সেকান্দার আলী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেএবং মিথ্যা মামলার বাদিকে সহযোগিতা করেছেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,সাবেক সভাপতি,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাও দুজন শিক্ষিকা।তিনি বলেন আমি কোচিং বানিজ্যের বিরোদীতা এবং স্কুলের কিছু ভিতরগত রাজনৈতিক বিষয়ে আমাকে বরখাস্ত ও মিথ্যা মামলা করেছে।

উল্লেখ্য,হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্সকদের হেনস্তা ও ঘায়েল করার জন্য ছাত্রীদের যৌন হয়রানীসহ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। শিক্ষক মাইদুলের মতই গনিতের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছিল।তিনিও আইনী লড়াইয়ে অভিযোগ মিথ্যা প্রমান করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশালের হলিমা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসা শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় কথিত মামলার বাদী মোঃ সেকান্দার আলী,সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির আদেশ প্রধান করেছেন ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার।

৫ জনের মধ্যে মিথ্যা মামলার বাদী সেকান্দার আলী এবং মিথ্যা মামলায় সহযোগিতার জন্য সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টে সত্যতা পাওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেন।

২০২৪ সালের ৬ মে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ শিক্ষার্থী কথিত অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হলে তারা একটি মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট প্রদান করেন।এর পরে শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে বরখাস্ত করেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষক মাইদুলকে বরখাস্ত করেই থেমে থাকেননি স্কুলটির কোচিং বানিজ্যকারীরা।তারা এক শিক্ষার্থীর আত্মীয়কে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে ভুয়া একটি মামলা দায়ের করান। ট্রাইব্যুনাল মামলাটি পিবিআইতে তদন্তের জন্য প্রেরন করেন।পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বাশার তদন্ত রিপোর্টে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী সেকান্দার আলীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করেন।পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে শিক্ষক মাইদুল ইসলাম পুনরায় তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ পেয়ে তদন্ত করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা।সম্প্রতি ট্রাইব্যুনালে ১৪ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিন করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা শেষে উপরোক্ত আদেশ প্রদান করেন।

শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন,আমার বিরুদ্ধে সেকান্দার আলী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেএবং মিথ্যা মামলার বাদিকে সহযোগিতা করেছেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,সাবেক সভাপতি,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাও দুজন শিক্ষিকা।তিনি বলেন আমি কোচিং বানিজ্যের বিরোদীতা এবং স্কুলের কিছু ভিতরগত রাজনৈতিক বিষয়ে আমাকে বরখাস্ত ও মিথ্যা মামলা করেছে।

উল্লেখ্য,হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্সকদের হেনস্তা ও ঘায়েল করার জন্য ছাত্রীদের যৌন হয়রানীসহ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। শিক্ষক মাইদুলের মতই গনিতের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছিল।তিনিও আইনী লড়াইয়ে অভিযোগ মিথ্যা প্রমান করেছিলেন।