১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
তেলের প্রধান ডিপোগুলোয় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ হাদির ‘খুনি’ গ্রেফতার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে বিজেপি মেঘনায় রাতভর অভিযান: ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ১৪ জেলে আটক উজিরপুর–বানারীপাড়া আসনের এমপি সান্টুর ব্যক্তিগত সহকারী হলেন ফাইজুল হক সুমন। চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলগেটে আ.লীগ নেতাকে মালা দিয়ে বরণ করলেন বিএনপির এমপি বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে কর্মচারীদের পিটুনিতে যুবক নিহত বিরামপুরে অসহায় পরিবারের জমির ফলের গাছ কেটে নিধনের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানী তেল পাচার রোধে বিজিবি মোতায়েন ও তল্লাশি জোরদার
বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলা — দুই সহোদর গুরুতর আহত

বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলা — দুই সহোদর গুরুতর আহত

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই সহোদর গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত আব্দুল ওহাব খানের দুই মেয়ে—মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম (৫৫) ও হাসিনা বেগম (৪২)—ওয়ারিশ সূত্রে পিতার সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ বুঝে পেতে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। তাদের ভাই সোহরাব খান প্রায় ১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর থেকে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা পরিবারের সব সম্পত্তি দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন দুই বোন।

সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শনিবার সকালে সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে মৃত সোহরাব খানের স্ত্রী নাসরিন আক্তার ওরফে নীরু বেগম স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি মো. রমজান মোল্লার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাসহ কয়েকজনকে নিয়ে বৈঠকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় নাসিমা বেগমের দুই সন্তান—মো. নাসির উদ্দিন ও মো. নেছার উদ্দিন—প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

হামলায় দুই ভাই গুরুতর আহত হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। আহতদের পরিবার জানিয়েছে, তারা এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মৃত সোহরাব খানের স্ত্রী আমাদের আত্মীয়। আমরা তাঁর পক্ষের সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম। নিয়ম অনুযায়ী ওয়ারিশদের অংশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুধু চুক্তিনামা দেওয়া বাকি ছিল। বৈঠকের একপর্যায়ে নাসির উদ্দিন ও নেছার উদ্দিন হট্টগোল সৃষ্টি করে আমার ওপর হামলা চালায়। তখন হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সালিশদার মো. আব্দুল হালিম বলেন, “সালিশ বৈঠকের সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে—এটি সত্য।

অন্যদিকে অভিযুক্ত নাসরিন আক্তার ওরফে নীরু বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো বক্তব্য না দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019