সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান

দর্শনায় সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস থামানোর দাবিতে ট্রেন অবরোধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃচুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও স্থানীয় জনতা রাতে ঢাকাগামী সুন্দরবন ও খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেন তিন মিনিট যাত্রা বিরতি দেয়ার দাবিতে ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেছে।
রবিবার দুপুর দেড়টার দিক থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ অবরোধ কর্মসূচি পালন হয়। এ সময় ওই রুটে অন্য কোনো যাত্রী বা মালবাহী ট্রেন যাতায়াত করতে পারেনি।দর্শনা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তানভির আহম্মেদ অনিক জানান, ‘দর্শনা একটি শিল্প ও সীমান্ত শহর। যেখানে একটি আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও রেলবন্দর রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় জেলার মানুষ এখানে চাকরির সুবাদে বসবাস করে থাকেন। কিন্ত দর্শনা হল্ট স্টেশনে রাতে খুলনা-ঢাকাগামী সুন্দরবন ও ঢাকা-খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ না থাকার কারণে আমরা দর্শনাবাসীর সাথে নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবরোধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি। রোববার দুপুর দেড়টার দিকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি দর্শনা হল্ট স্টেশনে এসে পৌঁছিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমন্বয়ক ও স্থানীয় জনগণ ট্রেনটি আটকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। একপর্যায়ে শ্লোগান দিয়ে রেল লাইন অবরোধ করেন।’পরে
রেলওয়ের পশ্চিম জোনের পাকসী বিভাগের ডিভিশনাল ট্রাফিক অফিসার (ডিটিও) মোছা: হাছিনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, ‘আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে স্টপেজ দেয়ার নিয়ম নেই, দর্শনার ঘটনাটি আমরা শুনেছি। রাজশাহী ও ঢাকার উর্ধ্বতন রেল কর্মকর্তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। এদিকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ মহল ও চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপটেন জাহাঙ্গীর হোসেনের সমঝোতায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও স্থানীয় জনগণ অবরোধ তুলে নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দর্শনায় সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস থামানোর দাবিতে ট্রেন অবরোধ

আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃচুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও স্থানীয় জনতা রাতে ঢাকাগামী সুন্দরবন ও খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেন তিন মিনিট যাত্রা বিরতি দেয়ার দাবিতে ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেছে।
রবিবার দুপুর দেড়টার দিক থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ অবরোধ কর্মসূচি পালন হয়। এ সময় ওই রুটে অন্য কোনো যাত্রী বা মালবাহী ট্রেন যাতায়াত করতে পারেনি।দর্শনা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তানভির আহম্মেদ অনিক জানান, ‘দর্শনা একটি শিল্প ও সীমান্ত শহর। যেখানে একটি আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও রেলবন্দর রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় জেলার মানুষ এখানে চাকরির সুবাদে বসবাস করে থাকেন। কিন্ত দর্শনা হল্ট স্টেশনে রাতে খুলনা-ঢাকাগামী সুন্দরবন ও ঢাকা-খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ না থাকার কারণে আমরা দর্শনাবাসীর সাথে নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবরোধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি। রোববার দুপুর দেড়টার দিকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি দর্শনা হল্ট স্টেশনে এসে পৌঁছিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমন্বয়ক ও স্থানীয় জনগণ ট্রেনটি আটকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। একপর্যায়ে শ্লোগান দিয়ে রেল লাইন অবরোধ করেন।’পরে
রেলওয়ের পশ্চিম জোনের পাকসী বিভাগের ডিভিশনাল ট্রাফিক অফিসার (ডিটিও) মোছা: হাছিনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, ‘আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে স্টপেজ দেয়ার নিয়ম নেই, দর্শনার ঘটনাটি আমরা শুনেছি। রাজশাহী ও ঢাকার উর্ধ্বতন রেল কর্মকর্তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। এদিকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ মহল ও চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপটেন জাহাঙ্গীর হোসেনের সমঝোতায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও স্থানীয় জনগণ অবরোধ তুলে নেয়।