সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন

সপ্তাহ ব্যবধানে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ৩ হাজার মেগাওয়াট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই সময়ে ব্যবহার বেড়েছে ফ্যান, এসি ও ফ্রিজের। ফলে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। শেষ এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। এতে লোডশেডিং হচ্ছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টারের তথ্য বলছে, গত ১৪ এপ্রিল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। এই চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৫ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াট। আজ বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে। এই চাহিদার পরিমাণ গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত ১৫ এপ্রিল চাহিদা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার মেগাওয়াটে, যার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৫৪৩ মেগাওয়াট। ১৬ এপ্রিল বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় ১৫ হাজার মেগাওয়াটে। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট। ১৭ এপ্রিল চাহিদা কিছুটা কমে ১৪ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে, ওই দিন উৎপাদন হয় ১৬ হাজার ৪১১ মেগাওয়াট।

গত ১৮ এপ্রিলও বিদ্যুতের চাহিদা হয় ১৪ হাজার ৮১ মেগাওয়াট। তবে গতকাল শনিবার (২০ এপ্রিল) বিদ্যুতের চাহিদা আবারও বেড়ে যায়। এদিন ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৩৫৮ মেগাওয়াট। এদিন চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম উৎপাদনের ফলে ১৪২ মেগাওয়াট লোডশেডিং দিতে হয়। তীব্র গরমে এই চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত শনিবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের জানান, এই গরমে বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হতে পারে। এই চাহিদা পূরণ করে আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সপ্তাহ ব্যবধানে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ৩ হাজার মেগাওয়াট

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স
তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই সময়ে ব্যবহার বেড়েছে ফ্যান, এসি ও ফ্রিজের। ফলে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। শেষ এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। এতে লোডশেডিং হচ্ছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টারের তথ্য বলছে, গত ১৪ এপ্রিল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। এই চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৫ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াট। আজ বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে। এই চাহিদার পরিমাণ গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত ১৫ এপ্রিল চাহিদা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার মেগাওয়াটে, যার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৫৪৩ মেগাওয়াট। ১৬ এপ্রিল বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় ১৫ হাজার মেগাওয়াটে। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট। ১৭ এপ্রিল চাহিদা কিছুটা কমে ১৪ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে, ওই দিন উৎপাদন হয় ১৬ হাজার ৪১১ মেগাওয়াট।

গত ১৮ এপ্রিলও বিদ্যুতের চাহিদা হয় ১৪ হাজার ৮১ মেগাওয়াট। তবে গতকাল শনিবার (২০ এপ্রিল) বিদ্যুতের চাহিদা আবারও বেড়ে যায়। এদিন ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৩৫৮ মেগাওয়াট। এদিন চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম উৎপাদনের ফলে ১৪২ মেগাওয়াট লোডশেডিং দিতে হয়। তীব্র গরমে এই চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত শনিবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের জানান, এই গরমে বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হতে পারে। এই চাহিদা পূরণ করে আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছি।