সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিককে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানান্তর না হলে হাইকোর্টে রিট বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা ও নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ১০ দফা দাবি, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি বাবুগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ তরুণ আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর। ভান্ডারিয়া পৌর বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনওর অভিযান, ব্যবসায়ীদের শেষবারের মতো সতর্কবার্তা কাঠালিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাভারে শ্রমিক অসন্তোষ: ২৬৪ পোশাক কারখানায় ছুটি বরিশালে অভ্যন্তরীণ ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী ফেসবুকে “গোপনে নয় ওপেনে ঢাকা দখলের’ ঘোষণা: বরিশালে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ঘোড়াঘাটে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় যুব দিবসের উদ্বোধন কেন্দ্র হতে মেয়াদোত্তীর্ণ চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা ও নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ১০ দফা দাবি, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা ও নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ১০ দফা দাবি, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

শফিকুল ইসলাম,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

:বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা, পৌর শহরের নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বিরামপুর পেশাজীবী ঐক্য ফ্রন্ট। এসব দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছা. তানজিনা খাতুনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।স্মারকলিপিটি সংগঠনের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার তাঁর হাতে তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব ও বিরামপুর (কলেজ বাজার) প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, বিরামপুর (কলাবাগান ) প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহ আলম মন্ডল, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী ও মাজহারুল ইসলাম তানিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।স্মারকলিপিতে বিরামপুর শহরের প্রধান সড়ক ও ঢাকা মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবৈধ অটোরিকশা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসস্ট্যান্ড উচ্ছেদ, যানজট নিরসন, অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা এবং সপ্তাহে দুই দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।এ ছাড়া বিরামপুরকে জেলা হিসেবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে শহরের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।স্মারকলিপি গ্রহণের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছা. তানজিনা খাতুন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকা মোড় ও হাসপাতাল মোড়,কলেজ বাজার এলাকায় সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে বিরামপুর শহরের দীর্ঘদিনের যানজট, জনদুর্ভোগ ও অব্যবস্থাপনা অনেকটাই কমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা ও নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ১০ দফা দাবি, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা ও নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ১০ দফা দাবি, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

:বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা, পৌর শহরের নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বিরামপুর পেশাজীবী ঐক্য ফ্রন্ট। এসব দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছা. তানজিনা খাতুনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।স্মারকলিপিটি সংগঠনের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার তাঁর হাতে তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব ও বিরামপুর (কলেজ বাজার) প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, বিরামপুর (কলাবাগান ) প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহ আলম মন্ডল, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী ও মাজহারুল ইসলাম তানিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।স্মারকলিপিতে বিরামপুর শহরের প্রধান সড়ক ও ঢাকা মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবৈধ অটোরিকশা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসস্ট্যান্ড উচ্ছেদ, যানজট নিরসন, অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা এবং সপ্তাহে দুই দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।এ ছাড়া বিরামপুরকে জেলা হিসেবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে শহরের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।স্মারকলিপি গ্রহণের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোছা. তানজিনা খাতুন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকা মোড় ও হাসপাতাল মোড়,কলেজ বাজার এলাকায় সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে বিরামপুর শহরের দীর্ঘদিনের যানজট, জনদুর্ভোগ ও অব্যবস্থাপনা অনেকটাই কমে আসবে।