সংবাদ শিরোনাম ::
মিটার নেই, অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল ঘোড়াঘাটে ছদ্মবেশে মাদক পাচার ২২০ পিস টাপেন্ডাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা ও বিটিভির সাবেক অনুষ্ঠান সহযোগীর জামায়াতে যোগদান বাবুগঞ্জে বিএনপি নেতার হামলায় বৃদ্ধ আহত বিজয়নগর ২৫০ বোতল স্কপ সিরাপসহ একজন গ্রেপ্তার, বিইমজার যুগপূর্তি: সম্মাননা-সংবর্ধনায় মুখর বরিশাল সার্কিট হাউজ জামায়াতের লং মার্চের স্বাগত মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ বাবুগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের শুরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ভ্রাম্যমাণ আদালকে বিয়ে পণ্ড, ছেলের মামা ও মেয়ের মায়ের জরিমানা

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল

মিটার নেই, অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল

আজকের ক্রাইম ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল। জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে আগস্ট মাসের এই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, বাড়ির একটি মিটার খুলে নেওয়ার পর সেখানে নতুন কোনো মিটার বা সংযোগ দেওয়া হয়নি। এরপরও ওই মিটারের নামে বিল আসায় বিস্মিত তিনি।

গত ২৫ আগস্ট উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পায়। পরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি আলোচনায় আসে।

শ্রী নিমাই চন্দ্র বলেন, ‘বাসায় পাঁচটি মিটার ছিলো। সেখান থেকে একটি মিটার খুলে নতুন করে বাড়ির পাশে মন্দিরের জন্য একটি বাণিজ্যিক মিটার চেয়ে আবেদন করেছিলাম। তবে সেই বাণিজ্যিক মিটারটিও আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই স্থাপন করা হয়েছিল। জুলাই মাসের কোনো এক সময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও সেই মিটারে আগস্ট মাসে ৬৯২ টাকা বিল আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসলো। মিটার নিলাম গাছ পড়ে ভেঙে গেলো তারা মিটার আবার নিয়ে গেলো, তাহলে বিলে কেনো আসলো। আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি৷’

পল্লী বিদ্যুৎ এর তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে এটা ভুল হয়ে গেছে।’

বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিলো, তবে মিটারের গ্রাহক সেই মিটারটি বাণিজ্যিক ভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তাই আগের যে আবাসিক ছিলো সেইটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় তবে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল

মিটার নেই, অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল। জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে আগস্ট মাসের এই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, বাড়ির একটি মিটার খুলে নেওয়ার পর সেখানে নতুন কোনো মিটার বা সংযোগ দেওয়া হয়নি। এরপরও ওই মিটারের নামে বিল আসায় বিস্মিত তিনি।

গত ২৫ আগস্ট উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পায়। পরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি আলোচনায় আসে।

শ্রী নিমাই চন্দ্র বলেন, ‘বাসায় পাঁচটি মিটার ছিলো। সেখান থেকে একটি মিটার খুলে নতুন করে বাড়ির পাশে মন্দিরের জন্য একটি বাণিজ্যিক মিটার চেয়ে আবেদন করেছিলাম। তবে সেই বাণিজ্যিক মিটারটিও আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই স্থাপন করা হয়েছিল। জুলাই মাসের কোনো এক সময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও সেই মিটারে আগস্ট মাসে ৬৯২ টাকা বিল আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসলো। মিটার নিলাম গাছ পড়ে ভেঙে গেলো তারা মিটার আবার নিয়ে গেলো, তাহলে বিলে কেনো আসলো। আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি৷’

পল্লী বিদ্যুৎ এর তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে এটা ভুল হয়ে গেছে।’

বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিলো, তবে মিটারের গ্রাহক সেই মিটারটি বাণিজ্যিক ভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তাই আগের যে আবাসিক ছিলো সেইটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় তবে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’