সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ স্বভাব নিয়ে রফিকুল ইসলাম জামালের কঠোর সমালোচনা ও ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল বরিশালে স্বাস্থ্য বিভাগের মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত: টিকাদান ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা জোর দেওয়ার তাগিদ টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক জীবননগর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার ত্যাগী নেতা নান্নুর মূল্যায়ন হয়নি, কর্মীরা হতাশ সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড, হাইকমিশনার ও স্ত্রী হাসপাতালে কীর্ত্তিপাশায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল সংবর্ধনা ঘিরে বিএনপিতে অসন্তোষ, হলরুমে তালা চুয়াডাঙ্গায় ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে গ্যাস, লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ভুতুড়ে বিল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদান ১১দলীয় ঐক্যজোট ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান

টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক

টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়েক সপ্তাহের টানা বর্ষনে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বারখ্যাত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীর অংশে অসংখ্য খানাখন্দে ভরে গেছে।
সড়কের কোথাও কোথাও পিচ-পাথর একাকার হয়ে জেগে উঠছে টিউমার। আবার কোথাও সৃষ্টি হচ্ছে ছোটবড় গর্ত। যা দেখে বোঝার উপায় এটা নেই এটা ব্যস্ততম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক।

দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীরা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে গৌরনদী উপজলোর ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ উজিরপুর সীমান্ত পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের অসংখ্য স্থানে ছোট-বড় গর্তের চিত্র।

বিশেষ করে ব্যস্ততম টরকী বাসষ্টান্ড, মদিনা স্টান্ড, গৌরনদী বাসষ্টান্ড হয়ে আশোকাঠী, কাসেমাবাদ, মাহিলাড়া, বাটাজোর, বামরাইল বাসষ্ট্যান্ডের অবস্থা সবচেয়ে বেহাল।

এসব বাসষ্ট্যান্ডের সড়কের মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যে কারনে চরম ঝুঁকির মধ্যে যানবাহন চলাচল করছে।

বিপর্যস্ত এ মহাসড়কের গর্তের মধ্যে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের চেষ্টা করে যাচ্ছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষনে জনজীবনের ন্যায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সড়কের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়নি। মহাসড়কের যেসব জায়গা প্রশস্ত করা হয়েছে। তা উচু-নিচু হওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা।

আবার কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। সরু সড়কে অসংখ্য গর্তের পাশাপাশি চালকদের বেপরোয়াগতি এবং বিবেকহীন প্রতিযোগিতায় প্রতিদিনই দূর্ঘটনা ঘটছে।

তারা আরও জানিয়েছেন-সড়ক ও জনপদ বিভাগ ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে ভারি যানবাহনের চাঁপায় ইট গুড়ো হয়ে ধুলোর সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ছোট যানবাহনের চালক ও পথচারীরা মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘ বছর ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মহাসড়কের গৌরনদী অংশের অবস্থা চরম বেহাল।

একাধিক চালকরা জানিয়েছেন, মহাসড়কের গৌরনদী অংশের কোথাও খানাখন্দ আবার কোথাও ঢেউয়ের মত উচু-নিচু।

ফলে উচু-নিচু এ মহাসড়ক পার হতে মালবাহী ও যাত্রীবাহী পরিবহনের চাকা গর্তে পড়ে ইঞ্জিন ও টায়ার-টিউব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পাশাপাশি যাত্রীদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবী জানিয়েছেন চালকরা।

এ বিষয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ষ্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্তে ভরে গেছে। এছাড়াও মূল অংশের সঙ্গে বর্ধিত অংশ উচি-নিচু হওয়ায় কম প্রশস্ত সড়ক দিয়ে ওভার স্পীডে যানবাহনগুলো যাতায়ত করে। তাছাড়া মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী থ্রি-হুইলারগুলো বর্ধিত অংশে না গিয়ে মূল সড়কে চলাচল করে। যে কারনে সড়কে দূর্ঘটনা লেগেই আছে। সড়কটি সম্পূর্ন বর্ধিত করে মেরামত করা হলে এবং চালকদের সচেতন করে তোলা হলে এ মহাসড়কে দূর্ঘটনা কমে আসবে।

বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন খান জানিয়েছেন, ভারি বর্ষার কারনে সড়কের কোথাও কোথাও গর্ত হয়েছে। সেগুলো আমরা মেরামতের করে যাচ্ছি। তবে বৃষ্টির কারনে তা টেকসই হচ্ছেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক

টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক

আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

কয়েক সপ্তাহের টানা বর্ষনে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বারখ্যাত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীর অংশে অসংখ্য খানাখন্দে ভরে গেছে।
সড়কের কোথাও কোথাও পিচ-পাথর একাকার হয়ে জেগে উঠছে টিউমার। আবার কোথাও সৃষ্টি হচ্ছে ছোটবড় গর্ত। যা দেখে বোঝার উপায় এটা নেই এটা ব্যস্ততম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক।

দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীরা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে গৌরনদী উপজলোর ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ উজিরপুর সীমান্ত পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের অসংখ্য স্থানে ছোট-বড় গর্তের চিত্র।

বিশেষ করে ব্যস্ততম টরকী বাসষ্টান্ড, মদিনা স্টান্ড, গৌরনদী বাসষ্টান্ড হয়ে আশোকাঠী, কাসেমাবাদ, মাহিলাড়া, বাটাজোর, বামরাইল বাসষ্ট্যান্ডের অবস্থা সবচেয়ে বেহাল।

এসব বাসষ্ট্যান্ডের সড়কের মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যে কারনে চরম ঝুঁকির মধ্যে যানবাহন চলাচল করছে।

বিপর্যস্ত এ মহাসড়কের গর্তের মধ্যে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের চেষ্টা করে যাচ্ছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষনে জনজীবনের ন্যায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সড়কের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়নি। মহাসড়কের যেসব জায়গা প্রশস্ত করা হয়েছে। তা উচু-নিচু হওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা।

আবার কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। সরু সড়কে অসংখ্য গর্তের পাশাপাশি চালকদের বেপরোয়াগতি এবং বিবেকহীন প্রতিযোগিতায় প্রতিদিনই দূর্ঘটনা ঘটছে।

তারা আরও জানিয়েছেন-সড়ক ও জনপদ বিভাগ ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে ভারি যানবাহনের চাঁপায় ইট গুড়ো হয়ে ধুলোর সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ছোট যানবাহনের চালক ও পথচারীরা মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘ বছর ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মহাসড়কের গৌরনদী অংশের অবস্থা চরম বেহাল।

একাধিক চালকরা জানিয়েছেন, মহাসড়কের গৌরনদী অংশের কোথাও খানাখন্দ আবার কোথাও ঢেউয়ের মত উচু-নিচু।

ফলে উচু-নিচু এ মহাসড়ক পার হতে মালবাহী ও যাত্রীবাহী পরিবহনের চাকা গর্তে পড়ে ইঞ্জিন ও টায়ার-টিউব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পাশাপাশি যাত্রীদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবী জানিয়েছেন চালকরা।

এ বিষয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ষ্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্তে ভরে গেছে। এছাড়াও মূল অংশের সঙ্গে বর্ধিত অংশ উচি-নিচু হওয়ায় কম প্রশস্ত সড়ক দিয়ে ওভার স্পীডে যানবাহনগুলো যাতায়ত করে। তাছাড়া মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী থ্রি-হুইলারগুলো বর্ধিত অংশে না গিয়ে মূল সড়কে চলাচল করে। যে কারনে সড়কে দূর্ঘটনা লেগেই আছে। সড়কটি সম্পূর্ন বর্ধিত করে মেরামত করা হলে এবং চালকদের সচেতন করে তোলা হলে এ মহাসড়কে দূর্ঘটনা কমে আসবে।

বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন খান জানিয়েছেন, ভারি বর্ষার কারনে সড়কের কোথাও কোথাও গর্ত হয়েছে। সেগুলো আমরা মেরামতের করে যাচ্ছি। তবে বৃষ্টির কারনে তা টেকসই হচ্ছেনা।