জীবননগর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
জীবননগর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১২:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পুলিশ কৃষি জমিতে সেচের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় চুরি করা ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, চোরাই কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি, প্রাইভেট কার এবং পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলার চাষারি থানার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুল মালেক ( ৪৫), চুয়াডাঙ্গার ফার্ম পাড়ার জাহিদ শেখের ছেলে শিপলু (২৮), বগুড়া জেলার কাহালু থানার কাশেম খাঁর ছেলে টুলু (৪৪), চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়া মৃত মজিবরের ছেলে স্বপন উদ্দিন( ৩৭), মিজানুরের ছেলে সবুজ সেখ (৩৭) , আব্দুল গফুরের ছেলে জাফর আহমেদ (৩৪)।
শুক্রবার সকাল বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে জীবননগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, ৪ই আগস্ট উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের আবু জাফর বিশ্বাসের (৪৮) যাদবপুর দক্ষিণ মাঠে কৃষি জমিতে সেচকাজের নলকূপের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে স্থাপিত তিনটি ট্রান্সফরমার খুলে ভিতরে থাকা তামার কয়েল এবং তেল অজ্ঞাতনামা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী আবু জাফর বিশ্বাস জানান, এতে তার প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়াও একই দিন একই মাঠের অপর সেচ ব্যবসায়ী আনারুল ইসলামও তার একটি ট্রান্সফরমারের তামা ও তেল একইভাবে চুরি হওয়ার কথা জানান। এরই ধারাবাহিকতায় আবু জাফর বিশ্বাস বাদী হয়ে ওই দিন জীবননগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এই সিরিজ চুরির ঘটনায় এসব এলাকার চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সঙ্ঘবদ্ধ এই চোর চক্রকে ধরতে মাঠে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের কয়েল, কপারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে।
জীবননগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ প্রেস কনফারেন্সে চোর চক্রের ৬ সদস্যের গ্রেফতার এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান।
এ সময় তিনি বলেন, গ্রেফতার চোর চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের সেচকাজে ব্যবহৃত ট্রান্সফরমার চুরি করে মূল্যবান তামা ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিক্রি করে আসছিল।























